সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) আসনের সংসদ সদস্য আয়নুল হকের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এজাহারভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া বাজার এলাকা থেকে মো. আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি পৌর এলাকার রণতিথা মহল্লার মৃত বাবলু মিয়ার ছেলে এবং মামলার ১১ নম্বর আসামি।
রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে তার কোনো রাজনৈতিক পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ জানায়, শনিবার রাতে স্থানীয় বিএনপি নেতা শামিমুল হাসান বাদী হয়ে ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে মোট ৫৫ জনকে আসামি করে মামলাটি করেন।
এর আগে শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ধানগড়া বাজার এলাকায় সংসদ সদস্য আয়নুল হকের গাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে এমপি শারীরিকভাবে আহত না হলেও তার গাড়ির পেছনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রায়গঞ্জে কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়ে ধানগড়া বাজারে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে বের হওয়ার সময় সংসদ সদস্যের গাড়িতে অতর্কিত হামলা চালানো হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন তিনি।
হামলার পর এমপির সঙ্গে থাকা এক ব্যক্তির ফেসবুক লাইভে দেওয়া বক্তব্যে এ ঘটনার জন্য জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) দায়ী করা হয়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম। তিনি দাবি করেন, হামলার সময় জামায়াতের নেতাকর্মীরা দলীয় কর্মসূচিতে ছিলেন। ফলে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা। একই সঙ্গে হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।
পুলিশ বলছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত চলছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 






















