ঢাকা , সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
এমপি হওয়ার পর মন ভারের পাশাপাশি শরীরেও নানা রোগ বেঁধেছে: ডা. মাহমুদা মিতু চলে গেলেন বরেণ্য শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় আনন্দের হাওয়া, ব্যবসায়ীদের মিষ্টি বিতরণ ৩ দিনের উত্তেজনার পর হামলা বন্ধে সম্মত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান, দোহায় বৈঠক মঙ্গলবার তিন দিনের উত্তেজনার পর থামছে সংঘাত, মঙ্গলবার মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ভারতীয় ভিসা আবেদন জমার শুরু, প্রথম দিনেই দীর্ঘ লাইন ‘ভিসা আমরা চিরদিনই দিতাম, বাংলাদেশকে আমাদেরই অঙ্গ মনে করি’ আসিফ মাহমুদ আমাকে সরকার গঠনের দায়িত্ব নিতে রাজি করিয়েছিলেন: ড. ইউনূস ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫০০ ভেনেজুয়েলা ভূমিকম্পে আর্জেন্টাইন ফুটবলারের স্ত্রী-সন্তান নিহত

আমির হামজা আসলেই বেয়াদবি ও মিথ্যাবাদীতে সেরা: তাহেরী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৪৯:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫
  • ৩৪২ বার পড়া হয়েছে

এবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আলোচিত ইসলামী বক্তা মুফতি গিয়াসউদ্দিন তাহেরি আরেক ইসলামী বক্তা মুফতি আমির হামজাকে বেয়াদবিতে সেরা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।বুধবার (৮ অক্টোবর) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি। তাহেরী লেখেন, “গতকাল দেখলাম আমিরে জামায়াত বক্তব্যের ব্যাপারে সতর্ক করলেন। একদিন পরই দেখলাম মিথ্যাবাদী আমির হামজা অবান্তর বেয়াদবিমূলক বক্তব্য দিল।

সে আসলেই বেয়াদবিতে সেরা রে। এর আগে আরেক ফেসবুক পোস্টে আমির হামজাকে ইঙ্গিত করে তিনি লিখেন, আল্লাহ্‌ হাবীব (দ:) নাকি সাংবাদিক ছিলেন! নাউজুবিল্লাহ। মানসিক ভারসাম্যহীন বিকারগ্রস্ত মিথ্যাবাদী আমির হামজার বাণী অনুযায়ী তার সীট কোথায় বরাদ্দ করা যেতে পারে? তাহেরির এই মন্তব্য প্রকাশের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। অনেকেই তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে একমত প্রকাশ করে বলেন, “ধর্মীয় বক্তাদের মুখে এমন বেয়াদবি শোভা পায় না।

” অন্যদিকে কেউ কেউ এটিকে ধর্মীয় বক্তাদের পারস্পরিক দ্বন্দ্বের নতুন রূপ হিসেবে দেখছেন। এর আগে গতকাল বুধবার বেলা ১১টায় মুফতি আমির হামজা কুষ্টিয়ার স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় বলেন আমরা যাকে নেতা হিসেবে মানি তিনি মোহাম্মদ রাসুলুল্লাহ (সা.)। ওনাকে আল্লাহ দুনিয়াতে যে নাম দিয়ে পাঠিয়েছিলেন তা হলো নবী। আর নবী শব্দের শাব্দিক অর্থ সংবাদবাহক। যারা সংবাদ বহন করেন তাদের আমরা সাংবাদিক বলি। এ অর্থে নবীজি (সা.) সাংবাদিক ছিলেন। মুফতি আমির হামজার এই মন্তব্য দ্রুতই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ল ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

সম্প্রতি আমিরে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে দেশজুড়ে সক্রিয় ধর্মীয় বক্তাদের বক্তব্যে সংযম ও সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়। কিন্তু সেই নির্দেশনার পরদিনই আমির হামজার এই বিতর্কিত ও অশালীন বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ধর্মীয় মহলের বিশ্লেষকরা বলছেন, “এই ঘটনাটি প্রমাণ করে, কিছু বক্তার অসংযত বক্তব্যের কারণে ধর্মীয় সমাজে বিভাজন ও অস্থিরতা বাড়ছে।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

এমপি হওয়ার পর মন ভারের পাশাপাশি শরীরেও নানা রোগ বেঁধেছে: ডা. মাহমুদা মিতু

আমির হামজা আসলেই বেয়াদবি ও মিথ্যাবাদীতে সেরা: তাহেরী

আপডেট সময় ০৪:৪৯:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

এবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আলোচিত ইসলামী বক্তা মুফতি গিয়াসউদ্দিন তাহেরি আরেক ইসলামী বক্তা মুফতি আমির হামজাকে বেয়াদবিতে সেরা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।বুধবার (৮ অক্টোবর) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি। তাহেরী লেখেন, “গতকাল দেখলাম আমিরে জামায়াত বক্তব্যের ব্যাপারে সতর্ক করলেন। একদিন পরই দেখলাম মিথ্যাবাদী আমির হামজা অবান্তর বেয়াদবিমূলক বক্তব্য দিল।

সে আসলেই বেয়াদবিতে সেরা রে। এর আগে আরেক ফেসবুক পোস্টে আমির হামজাকে ইঙ্গিত করে তিনি লিখেন, আল্লাহ্‌ হাবীব (দ:) নাকি সাংবাদিক ছিলেন! নাউজুবিল্লাহ। মানসিক ভারসাম্যহীন বিকারগ্রস্ত মিথ্যাবাদী আমির হামজার বাণী অনুযায়ী তার সীট কোথায় বরাদ্দ করা যেতে পারে? তাহেরির এই মন্তব্য প্রকাশের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। অনেকেই তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে একমত প্রকাশ করে বলেন, “ধর্মীয় বক্তাদের মুখে এমন বেয়াদবি শোভা পায় না।

” অন্যদিকে কেউ কেউ এটিকে ধর্মীয় বক্তাদের পারস্পরিক দ্বন্দ্বের নতুন রূপ হিসেবে দেখছেন। এর আগে গতকাল বুধবার বেলা ১১টায় মুফতি আমির হামজা কুষ্টিয়ার স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় বলেন আমরা যাকে নেতা হিসেবে মানি তিনি মোহাম্মদ রাসুলুল্লাহ (সা.)। ওনাকে আল্লাহ দুনিয়াতে যে নাম দিয়ে পাঠিয়েছিলেন তা হলো নবী। আর নবী শব্দের শাব্দিক অর্থ সংবাদবাহক। যারা সংবাদ বহন করেন তাদের আমরা সাংবাদিক বলি। এ অর্থে নবীজি (সা.) সাংবাদিক ছিলেন। মুফতি আমির হামজার এই মন্তব্য দ্রুতই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ল ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

সম্প্রতি আমিরে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে দেশজুড়ে সক্রিয় ধর্মীয় বক্তাদের বক্তব্যে সংযম ও সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়। কিন্তু সেই নির্দেশনার পরদিনই আমির হামজার এই বিতর্কিত ও অশালীন বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ধর্মীয় মহলের বিশ্লেষকরা বলছেন, “এই ঘটনাটি প্রমাণ করে, কিছু বক্তার অসংযত বক্তব্যের কারণে ধর্মীয় সমাজে বিভাজন ও অস্থিরতা বাড়ছে।”