ঢাকা , শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ভূগর্ভস্থ ঘাঁটিতে আবারও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন শুরু করেছে ইরান কারিগরি ত্রুটিতে বন্ধ আদানির ইউনিট, দেশে লোডশেডিং বাড়ার শঙ্কা আওয়ামী লীগ নিয়ে প্রশ্ন করলে বিব্রত বোধ করি: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী সরকারি টাকা নষ্ট হবে, তাই প্রধানমন্ত্রী মোটা ও সাদা কাপড় পরেন: চিফ হুইপ দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তার বক্তব্য প্রত্যাহার চেয়ে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিলের ক্ষোভ: ঠাকুরগাঁওয়ে ৫ ঘণ্টা অবরুদ্ধ মিটার রিডার, পরে উদ্ধার হুট করে একের পর এক বিদ্যুৎকেন্দ্র অচল, আরও বাড়ল লোডশেডিং চুরির অভিযোগে তিনজনকে হাত-পা বেঁধে পিটুনি, চোখে ঢালা হলো চুনের পানি বাক্‌স্বাধীনতা যেন বাক্ শালীনতার সীমা লঙ্ঘন না করে আমিরাতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা আলজেরিয়ার

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৯ হাজার ছাড়াল, যুদ্ধবিরতির মধ্যেও চলছে মৃতদেহ বিনিময় ও সীমিত হামলা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৫৯:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৪৮ বার পড়া হয়েছে

 

ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৯ হাজার ছাড়িয়ে গেছে বলে শনিবার (৮ নভেম্বর) জানিয়েছেন গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। চলমান যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে মৃতদেহ বিনিময় অব্যাহত রয়েছে।

খবরে বলা হয়, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে নতুন করে আরও মৃতদেহ উদ্ধার এবং অজ্ঞাত মৃতদের পরিচয় শনাক্ত হওয়ার ফলে নিহতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একইসঙ্গে যুদ্ধবিরতির মধ্যেও গাজায় সীমিত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল।

শনিবার ইসরায়েল গাজার একটি হাসপাতালে ১৫ ফিলিস্তিনির মৃতদেহ হস্তান্তর করে। এর আগের দিন হামাস এক ইসরায়েলি জিম্মির মরদেহ ফেরত দেয়। যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপে মৃতদেহ ফেরত দেওয়া ও গ্রহণের প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে বলে চুক্তিতে উল্লেখ রয়েছে।

যুদ্ধবিরতি চললেও গাজার ধ্বংসস্তূপে এখনো অসংখ্য মরদেহ চাপা পড়ে আছে। সীমিত সরঞ্জাম, জ্বালানি সংকট ও অবরোধের কারণে উদ্ধারকর্মীরা ধীরে ধীরে মৃতদেহগুলো উদ্ধার করছেন।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৯ হাজার ১৬৯ জনে। এর মধ্যে গত ৩১ অক্টোবর থেকে ৭ নভেম্বরের মধ্যে নতুনভাবে শনাক্ত হওয়া ২৮৪ জনের নাম যুক্ত হয়েছে।

মন্ত্রণালয় জানায়, যুদ্ধবিরতি শুরুর পর থেকে গাজায় ২৪১ জন নিহত হয়েছেন। গত তিন দিনে ধ্বংসস্তূপ থেকে নয়টি মৃতদেহ ও সাম্প্রতিক হামলায় নিহত একজনসহ ১০টি মৃতদেহ হাসপাতালে আনা হয়েছে। একই সময়ে আহত হয়েছেন আরও ছয়জন।

এদিকে পশ্চিম তীরেও পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। শনিবার ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা ফিলিস্তিনি কৃষক, স্বেচ্ছাসেবী, সাংবাদিক ও কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। মানবাধিকার সংস্থাগুলো অভিযোগ করেছে, পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূগর্ভস্থ ঘাঁটিতে আবারও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন শুরু করেছে ইরান

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৯ হাজার ছাড়াল, যুদ্ধবিরতির মধ্যেও চলছে মৃতদেহ বিনিময় ও সীমিত হামলা

আপডেট সময় ০৯:৫৯:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫

 

ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৯ হাজার ছাড়িয়ে গেছে বলে শনিবার (৮ নভেম্বর) জানিয়েছেন গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। চলমান যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে মৃতদেহ বিনিময় অব্যাহত রয়েছে।

খবরে বলা হয়, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে নতুন করে আরও মৃতদেহ উদ্ধার এবং অজ্ঞাত মৃতদের পরিচয় শনাক্ত হওয়ার ফলে নিহতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একইসঙ্গে যুদ্ধবিরতির মধ্যেও গাজায় সীমিত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল।

শনিবার ইসরায়েল গাজার একটি হাসপাতালে ১৫ ফিলিস্তিনির মৃতদেহ হস্তান্তর করে। এর আগের দিন হামাস এক ইসরায়েলি জিম্মির মরদেহ ফেরত দেয়। যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপে মৃতদেহ ফেরত দেওয়া ও গ্রহণের প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে বলে চুক্তিতে উল্লেখ রয়েছে।

যুদ্ধবিরতি চললেও গাজার ধ্বংসস্তূপে এখনো অসংখ্য মরদেহ চাপা পড়ে আছে। সীমিত সরঞ্জাম, জ্বালানি সংকট ও অবরোধের কারণে উদ্ধারকর্মীরা ধীরে ধীরে মৃতদেহগুলো উদ্ধার করছেন।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৯ হাজার ১৬৯ জনে। এর মধ্যে গত ৩১ অক্টোবর থেকে ৭ নভেম্বরের মধ্যে নতুনভাবে শনাক্ত হওয়া ২৮৪ জনের নাম যুক্ত হয়েছে।

মন্ত্রণালয় জানায়, যুদ্ধবিরতি শুরুর পর থেকে গাজায় ২৪১ জন নিহত হয়েছেন। গত তিন দিনে ধ্বংসস্তূপ থেকে নয়টি মৃতদেহ ও সাম্প্রতিক হামলায় নিহত একজনসহ ১০টি মৃতদেহ হাসপাতালে আনা হয়েছে। একই সময়ে আহত হয়েছেন আরও ছয়জন।

এদিকে পশ্চিম তীরেও পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। শনিবার ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা ফিলিস্তিনি কৃষক, স্বেচ্ছাসেবী, সাংবাদিক ও কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। মানবাধিকার সংস্থাগুলো অভিযোগ করেছে, পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে।