ঢাকা , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সালমান শাহর দেহাবশেষ উত্তোলনের অনুমতি আদালতের ‘পুলিশ হত্যা করেছি’ ঘোষণা দেওয়া সেই মাহাদী এবার প্রাণ বাঁচাতে আশ্রয় নিলেন থানায় প্রাথমিকে যুক্ত হচ্ছে সংগীত-নাট্যকলা-নৃত্যকলা-চারু ও কারুকলা মহাসড়কে ‘জয়বাংলা স্লোগান’ নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা-গাড়ি ভাঙচুর, আটক ১৯ ভোটের দায়িত্ব পালনকালে মৃত্যু হলে ১০ লাখ টাকা পাবে পরিবার: নির্বাচন কমিশন ১৭ বছর ভুয়া লাইসেন্সে ৯০০ ফ্লাইট চালানোর পর ধরা পড়ল পাইলট স্ত্রীর নামে এনজিও থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ তুলে আর্জেন্টিনার পতাকা-ব্যানারে রাঙালেন ভ্যানচালক আল আকসার ঐতিহাসিক নিদর্শন সরানোর চেষ্টা ইসরাইলের, সতর্ক করলো হামাস পুশ-ইন ও সীমান্ত হত্যা ইস্যুতে মাঠে নামছে জামায়াতের ১১ দলীয় ঐক্য নিজের ৩০ শতক জমি বিক্রি করে সাড়ে ৭ কিমি. দীর্ঘ জার্মান পতাকা বানালেন আমজাদ

শতভাগ পাস, তবু ৪০ বছরেও জোটেনি ভবন: টিনশেডে চলছে পাঁচ ভুলাট দাখিল মাদ্রাসা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:০৯:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • ১০৭ বার পড়া হয়েছে

ফলাফলে ধারাবাহিক সাফল্য থাকলেও চার দশকেও একটি সরকারি ভবন পায়নি যশোরের শার্শা উপজেলার সীমান্তবর্তী পাঁচ ভুলাট দাখিল মাদ্রাসা। জরাজীর্ণ টিনশেড ঘরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে পাঠদান। বৃষ্টি নামলেই ছুটি, আর গ্রীষ্মে তীব্র গরমে শিক্ষার্থীদের অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনা এখন নিত্যদিনের বাস্তবতা।

শার্শা উপজেলার ৬ নম্বর গোগা ইউনিয়নে অবস্থিত মাদ্রাসাটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং প্রায় তিন যুগ আগে এমপিওভুক্ত হয়। বর্তমানে ইবতেদায়ি থেকে দাখিল পর্যন্ত এখানে ৫৯২ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। প্রতিবছর দাখিল পরীক্ষায় শতভাগ পাসের সাফল্য ধরে রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি। এই মাদ্রাসার সাবেক শিক্ষার্থীদের অনেকে বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করছেন এবং সরকারি-বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত রয়েছেন।

তবে অবকাঠামোগত সংকটে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের। পাকা ভবন না থাকায় পুরোনো টিনশেড কক্ষেই চলছে পাঠদান। বর্ষাকালে চাল দিয়ে পানি পড়ায় বই-খাতা ও পোশাক ভিজে যাওয়ার আশঙ্কায় মেঘ দেখলেই ছুটির ঘণ্টা বাজাতে হয়। অন্যদিকে গ্রীষ্মকালে টিনের ঘরে অসহনীয় তাপে ক্লাস নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। অনেক শিক্ষার্থী গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ায় বাধ্য হয়ে ‘মর্নিং ক্লাস’ চালু করেছে কর্তৃপক্ষ।

মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী তাসলিমা খাতুন ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী মারুফ হাসান জানায়, জরাজীর্ণ পরিবেশে পড়াশোনা করতে গিয়ে তারা প্রতিনিয়ত কষ্টের মুখোমুখি হচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষাকালে ভিজে যাওয়ার ভয়ে অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত ক্লাসে আসতে চায় না। দ্রুত একটি চারতলা ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছে তারা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সালমান শাহর দেহাবশেষ উত্তোলনের অনুমতি আদালতের

শতভাগ পাস, তবু ৪০ বছরেও জোটেনি ভবন: টিনশেডে চলছে পাঁচ ভুলাট দাখিল মাদ্রাসা

আপডেট সময় ০১:০৯:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

ফলাফলে ধারাবাহিক সাফল্য থাকলেও চার দশকেও একটি সরকারি ভবন পায়নি যশোরের শার্শা উপজেলার সীমান্তবর্তী পাঁচ ভুলাট দাখিল মাদ্রাসা। জরাজীর্ণ টিনশেড ঘরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে পাঠদান। বৃষ্টি নামলেই ছুটি, আর গ্রীষ্মে তীব্র গরমে শিক্ষার্থীদের অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনা এখন নিত্যদিনের বাস্তবতা।

শার্শা উপজেলার ৬ নম্বর গোগা ইউনিয়নে অবস্থিত মাদ্রাসাটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং প্রায় তিন যুগ আগে এমপিওভুক্ত হয়। বর্তমানে ইবতেদায়ি থেকে দাখিল পর্যন্ত এখানে ৫৯২ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। প্রতিবছর দাখিল পরীক্ষায় শতভাগ পাসের সাফল্য ধরে রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি। এই মাদ্রাসার সাবেক শিক্ষার্থীদের অনেকে বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করছেন এবং সরকারি-বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত রয়েছেন।

তবে অবকাঠামোগত সংকটে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের। পাকা ভবন না থাকায় পুরোনো টিনশেড কক্ষেই চলছে পাঠদান। বর্ষাকালে চাল দিয়ে পানি পড়ায় বই-খাতা ও পোশাক ভিজে যাওয়ার আশঙ্কায় মেঘ দেখলেই ছুটির ঘণ্টা বাজাতে হয়। অন্যদিকে গ্রীষ্মকালে টিনের ঘরে অসহনীয় তাপে ক্লাস নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। অনেক শিক্ষার্থী গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ায় বাধ্য হয়ে ‘মর্নিং ক্লাস’ চালু করেছে কর্তৃপক্ষ।

মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী তাসলিমা খাতুন ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী মারুফ হাসান জানায়, জরাজীর্ণ পরিবেশে পড়াশোনা করতে গিয়ে তারা প্রতিনিয়ত কষ্টের মুখোমুখি হচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষাকালে ভিজে যাওয়ার ভয়ে অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত ক্লাসে আসতে চায় না। দ্রুত একটি চারতলা ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছে তারা।