ঢাকা , শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
১৩ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ, পূজা চেরির বাবা গ্রেপ্তার উচ্ছেদ হওয়া হকারদের দ্রুত পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর স্মার্টফোনের ন্যূনতম দাম ২৫০০ টাকার মধ্যে আনতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে ‘স্থায়ী শান্তি’ আসবে না: রাশিয়া হাজার চেষ্টা করলেও আ.লীগ হতে পারবেন না: বিএনপিকে জামায়াত আমির আজহারী ও জারার ছবি ব্যবহার করে যৌন উত্তেজক ওষুধের বিজ্ঞাপন, গ্রেপ্তার ১০ নিজেদের সক্ষমতার সামান্যই ব্যবহার করেছে ইরান, নিচ্ছে পাল্টা হামলার প্রস্তুতি জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নির্মূলে কাজ করতে হবে: মির্জা ফখরুল ৭২-এর সংবিধান মোতাবেক শেখ হাসিনা এখনও দেশের প্রধানমন্ত্রী: ব্যারিস্টার ফুয়াদ ‘যেই বিএনপির জন্ম হয়েছে গণভোটের মাধ্যমে, তারাই আজ গণভোটকে অস্বীকার করছে’

জামায়াত-আ. লীগের কর্মসূচি নির্বাচনকে অনিশ্চয়তার দিকে নিয়ে যাচ্ছে: জিল্লুর রহমান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৩৭:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৯৭ বার পড়া হয়েছে

এবার জামায়াত ও আওয়ামী লীগের কর্মসূচি ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে চরম অনিশ্চয়তার দিকে নিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও উপস্থাপক জিল্লুর রহমান। তিনি বলেছেন, ১১ নভেম্বর ঢাকায় জামায়াতের সমাবেশ। ১৩ তারিখ আওয়ামী লীগের লকডাউন কর্মসূচি। দুই দলের দুই কমসূচি ঘিরে কে কোন ঘটনা ঢাকায় ঘটাবে, কোনটার দায় কে কার উপরে চাপাবে— এগুলো জনমনে আশঙ্কা তৈরি করছে।

এই সংঘাত বা বিতর্ক বাংলাদেশকে যে জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে, সেটা মোটামুটিভাবে স্পষ্ট, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে চরম অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। নিজের ইউটিউব চ্যানলে দেওয়া এক ভিডিওতে এসব কথা বলেন তিনি। জিল্লুর রহমান বলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির কণ্ঠস্বর আগের মতো জোরালো নেই। তারা নির্বাচন নিয়ে নানা রকম মধ্যস্থার মধ্যে আছে। তবে এনসিপি একটা বিষয়ে এখন পর্যন্ত কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছে। সেটা হচ্ছে, জুলাই সনদের বাস্তবায়ন আদেশ তারা দেখতে চায়। সেই আদেশ স্বাক্ষর করতে হবে প্রধান উপদেষ্টাকে।

তিনি আরো বলেন, জামায়াত পিআর নিয়ে অনড়। এর চেয়ে বেশি অনড় গণভোটের দাবি নিয়ে। এই জুলাই সনদ দেশের মানুষ অনুমোদন করে কিনা, সেটার জন্য তারা একটা গণভোট চাইছে। যদিও এর টেকনিক্যাল বা সাইন্টিফিক দিক নিয়ে বিতর্ক করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। এই উপস্থাপক বলেন, যে গণভোটের কথা বলা হয়েছে, সেটায় বিএনপিও রাজি। যদি সেটা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনে হয়।

কিন্তু জামায়াত তো আগেই চাইছে। বিএনপি কোনো অবস্থাতেই আগে গণভোট মেনে নেবে না সেটা তাদের বক্তব্য পরিষ্কার। জামায়াত আবার নানা রকমের কথা বলছে। আঙ্গুল বাকা করার কথা বলছে। বিএনপিও বলছে— আন্দোলনের হুমকি দেখিয়ে লাভ নেই। তাদের সামর্থ্য বা শক্তি সেটাও কম নয়। কেউ যদি নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করে তারা রুখে দেওয়ার চেষ্টা করবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

১৩ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ, পূজা চেরির বাবা গ্রেপ্তার

জামায়াত-আ. লীগের কর্মসূচি নির্বাচনকে অনিশ্চয়তার দিকে নিয়ে যাচ্ছে: জিল্লুর রহমান

আপডেট সময় ১২:৩৭:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

এবার জামায়াত ও আওয়ামী লীগের কর্মসূচি ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে চরম অনিশ্চয়তার দিকে নিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও উপস্থাপক জিল্লুর রহমান। তিনি বলেছেন, ১১ নভেম্বর ঢাকায় জামায়াতের সমাবেশ। ১৩ তারিখ আওয়ামী লীগের লকডাউন কর্মসূচি। দুই দলের দুই কমসূচি ঘিরে কে কোন ঘটনা ঢাকায় ঘটাবে, কোনটার দায় কে কার উপরে চাপাবে— এগুলো জনমনে আশঙ্কা তৈরি করছে।

এই সংঘাত বা বিতর্ক বাংলাদেশকে যে জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে, সেটা মোটামুটিভাবে স্পষ্ট, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে চরম অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। নিজের ইউটিউব চ্যানলে দেওয়া এক ভিডিওতে এসব কথা বলেন তিনি। জিল্লুর রহমান বলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির কণ্ঠস্বর আগের মতো জোরালো নেই। তারা নির্বাচন নিয়ে নানা রকম মধ্যস্থার মধ্যে আছে। তবে এনসিপি একটা বিষয়ে এখন পর্যন্ত কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছে। সেটা হচ্ছে, জুলাই সনদের বাস্তবায়ন আদেশ তারা দেখতে চায়। সেই আদেশ স্বাক্ষর করতে হবে প্রধান উপদেষ্টাকে।

তিনি আরো বলেন, জামায়াত পিআর নিয়ে অনড়। এর চেয়ে বেশি অনড় গণভোটের দাবি নিয়ে। এই জুলাই সনদ দেশের মানুষ অনুমোদন করে কিনা, সেটার জন্য তারা একটা গণভোট চাইছে। যদিও এর টেকনিক্যাল বা সাইন্টিফিক দিক নিয়ে বিতর্ক করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। এই উপস্থাপক বলেন, যে গণভোটের কথা বলা হয়েছে, সেটায় বিএনপিও রাজি। যদি সেটা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনে হয়।

কিন্তু জামায়াত তো আগেই চাইছে। বিএনপি কোনো অবস্থাতেই আগে গণভোট মেনে নেবে না সেটা তাদের বক্তব্য পরিষ্কার। জামায়াত আবার নানা রকমের কথা বলছে। আঙ্গুল বাকা করার কথা বলছে। বিএনপিও বলছে— আন্দোলনের হুমকি দেখিয়ে লাভ নেই। তাদের সামর্থ্য বা শক্তি সেটাও কম নয়। কেউ যদি নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করে তারা রুখে দেওয়ার চেষ্টা করবে।