ঢাকা , শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শেষ আবদার পূরণ হলো না: পিআইসিইউতে বাবার সামনে পানির জন্য কাঁদতে কাঁদতেই নিভে গেল আকিরা বাউফলে তিনটি বসতঘর পুড়ে ছাই, প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি ইরানের হরমুজ নিয়ন্ত্রণ: ক্রিপ্টোতে টোল আদায়, ব্যারেল প্রতি গুনতে হবে ১ ডলার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, ফের খুলছে শ্রমবাজার আবু সাঈদের মরদেহে গুলির অস্তিত্ব প্রমাণ হয়নি: আসামিপক্ষের আইনজীবী হেলিকপ্টারে গিয়ে নয়, নিজ কক্ষে বসেই দেখব কোন স্কুলে কী হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী ভোট বর্জন করলেন শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করতে রাশিয়ান দূতাবাসে মাওলানা মামুনুল হক এই সরকারের অধীনে প্রথম নির্বাচনেই কারচুপি-অনিয়ম ঘটছে: পরওয়ার ‘জঙ্গি এমপি’ অপবাদে খেলাফত মজলিসের সংসদ সদস্যের বিশেষ অধিকারের নোটিশ

ইরানে হামলা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন: ফ্রান্স

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৩২:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
  • ২৫ বার পড়া হয়েছে

এবার ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলাকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছে ফ্রান্স। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁনোয়েল বারো বলেছেন, এই হামলার স্পষ্ট কোনো কৌশলগত লক্ষ্যও নেই। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ফরাসি টেলিভিশন ফ্রান্সএ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বারো বলেন, আমরা এই যুদ্ধকে সমর্থন করি না এবং এতে অংশও নিচ্ছি না।

জঁনোয়েল বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা আন্তর্জাতিক আইনের মানদণ্ড অনুসরণ করছে না এবং এর উদ্দেশ্যও স্পষ্টভাবে নির্ধারিত নয়। খবর আনাদোলুর। ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুত উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি ইরানকে আঞ্চলিক নীতিতে পরিবর্তন আনার আহ্বান জানান।

বারো বলেন, আমরা আশা করি ইরান অস্থিতিশীল ও বিপজ্জনক শক্তি হিসেবে আচরণ করা থেকে সরে আসবে। ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য তেহরানকে তাদের অবস্থানে মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে এবং গুরুত্বপূর্ণ ছাড় দিতে হবে। এদিকে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ যে উদ্যোগের কথা বলেছেন, সেই অনুযায়ী হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষামূলক মিশনে অংশ নেওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছে কয়েকটি দেশ। বারো জানান, সম্ভাব্য এই মিশনে ইউরোপের কিছু দেশ ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ অংশ নিতে পারে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে, যার নাম দেওয়া হয়েছেঅপারেশন এপিক ফিউরি ওই হামলায় ১২০০ জনের বেশি মানুষ নিহত এবং প্রায় ১০ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। এর জবাবে ইরান ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শেষ আবদার পূরণ হলো না: পিআইসিইউতে বাবার সামনে পানির জন্য কাঁদতে কাঁদতেই নিভে গেল আকিরা

ইরানে হামলা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন: ফ্রান্স

আপডেট সময় ০৩:৩২:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

এবার ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলাকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছে ফ্রান্স। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁনোয়েল বারো বলেছেন, এই হামলার স্পষ্ট কোনো কৌশলগত লক্ষ্যও নেই। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ফরাসি টেলিভিশন ফ্রান্সএ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বারো বলেন, আমরা এই যুদ্ধকে সমর্থন করি না এবং এতে অংশও নিচ্ছি না।

জঁনোয়েল বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা আন্তর্জাতিক আইনের মানদণ্ড অনুসরণ করছে না এবং এর উদ্দেশ্যও স্পষ্টভাবে নির্ধারিত নয়। খবর আনাদোলুর। ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুত উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি ইরানকে আঞ্চলিক নীতিতে পরিবর্তন আনার আহ্বান জানান।

বারো বলেন, আমরা আশা করি ইরান অস্থিতিশীল ও বিপজ্জনক শক্তি হিসেবে আচরণ করা থেকে সরে আসবে। ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য তেহরানকে তাদের অবস্থানে মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে এবং গুরুত্বপূর্ণ ছাড় দিতে হবে। এদিকে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ যে উদ্যোগের কথা বলেছেন, সেই অনুযায়ী হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষামূলক মিশনে অংশ নেওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছে কয়েকটি দেশ। বারো জানান, সম্ভাব্য এই মিশনে ইউরোপের কিছু দেশ ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ অংশ নিতে পারে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে, যার নাম দেওয়া হয়েছেঅপারেশন এপিক ফিউরি ওই হামলায় ১২০০ জনের বেশি মানুষ নিহত এবং প্রায় ১০ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। এর জবাবে ইরান ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।