ঢাকা , সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
১৯ ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ, দায়িত্ব পেলেন সরকারি কর্মকর্তারা রাজধানীতে এক লরি চাপা দিলো কয়েকটি গাড়িকে, নিহত ২ সরকার পতন চাই না, আমরা চাই সরকার যেন ফ্যাসিস্ট হয়ে না ওঠে: মামুনুল অনেকে ২৯ বছর বয়সেই রাষ্ট্রক্ষমতা দখলে ব্যাকুল: মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী সম্পত্তি ভাগের পর মায়ের ঠাঁই হলো জরাজীর্ণ ঘরে, পায়ে শিকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের প্রয়াত প্রতিমন্ত্রীর বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর ছাত্রীকে কুপ্রস্তাবের অভিযোগ, তোপের মুখে পুলিশি পাহারায় স্কুল ছাড়লেন প্রধান শিক্ষক দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী শিশু হত্যা মামলায় জামিনে বেরিয়ে গৃহকর্ত্রীকে খুন, কে এই লাইলী অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নে বাধা, ‘ভাইরাল মিজান’ গ্রেপ্তার

“জাতীয় নির্বাচনকে এক-এগারোর ষড়যন্ত্র দাবি রাশেদ খান, লন্ডনে তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের দাবি”

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:১৭:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫
  • ৪৮৪ বার পড়া হয়েছে

আগামী বছরের এপ্রিল মাসে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা নিয়ে গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি মন্তব্য করেছেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার যে ৪০ শতাংশ ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত করার শর্ত দিয়েছে, তা বাস্তবে অসম্ভব হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। গরমের সময় নির্বাচন হলে ভোটার উপস্থিতি কম থাকার জন্য অনেক আসনে ভোট পড়বে না, ফলে পুনরায় নির্বাচন হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। এ অবস্থায় অন্তর্বর্তী সরকার নিজেদের মেয়াদ স্বাভাবিকভাবেই বাড়িয়ে নেবে, যা এক ধরনের ‘এক-এগারো’ প্রতিষ্ঠার ষড়যন্ত্র বলে তিনি উল্লেখ করেন।

রাশেদ খান বলেন, “নির্বাচন সংস্কার কমিশনের শর্ত অনুযায়ী ৪০ শতাংশ ভোট না পড়লে ওই আসনে পুনঃনির্বাচন হতে হবে। এপ্রিলের গরমে এত ভোট পড়বে না বলে মনে হয়, তাই অন্তর্বর্তী সরকার তাদের মেয়াদ বাড়ানোর জন্য এই কৌশল নিয়ে কাজ করছে। এটা শুধুমাত্র এক-এগারোর প্রচেষ্টা নয়, বরং সরকারের এক ধরনের পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।”

তিনি আরও বলেন, “এই পরিস্থিতিতে লন্ডনে বিএনপির মহাসচিব তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচন রোডম্যাপ পরিবর্তনের দাবী করব। কিছু উপদেষ্টা আছে যারা এই ষড়যন্ত্রে জড়িত, যারা জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করছে।”

এছাড়া রাশেদ খান অন্তর্বর্তী সরকারের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, প্রতিমাসে কর্মকর্তারা তাদের সম্পদের হিসাব দেবেন। কিন্তু গত ১০ মাসে কেউ একবারও এমন হিসাব দেয়নি। কয়েকজন উপদেষ্টার এনআইডি লক করা হয়েছে, বিদেশে যেতে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে, কিন্তু তা শুধুই নাটক।”

রাশেদ খান আরও অভিযোগ করেন, “সরকারের একজন নারী উপদেষ্টার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও সরকার এখনো তদন্ত শুরু করেনি। এটা স্বচ্ছতা না করে কেবল ভিন্ন ভিন্ন নাটক।”

বক্তৃতা শেষে গণ অধিকার পরিষদের জেলা শাখার সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল জাহিদ রাজন, ছাত্র অধিকার পরিষদের জেলা সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাধারণ সম্পাদক রিহান হোসেন রায়হানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

১৯ ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ, দায়িত্ব পেলেন সরকারি কর্মকর্তারা

“জাতীয় নির্বাচনকে এক-এগারোর ষড়যন্ত্র দাবি রাশেদ খান, লন্ডনে তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের দাবি”

আপডেট সময় ০৮:১৭:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫

আগামী বছরের এপ্রিল মাসে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা নিয়ে গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি মন্তব্য করেছেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার যে ৪০ শতাংশ ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত করার শর্ত দিয়েছে, তা বাস্তবে অসম্ভব হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। গরমের সময় নির্বাচন হলে ভোটার উপস্থিতি কম থাকার জন্য অনেক আসনে ভোট পড়বে না, ফলে পুনরায় নির্বাচন হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। এ অবস্থায় অন্তর্বর্তী সরকার নিজেদের মেয়াদ স্বাভাবিকভাবেই বাড়িয়ে নেবে, যা এক ধরনের ‘এক-এগারো’ প্রতিষ্ঠার ষড়যন্ত্র বলে তিনি উল্লেখ করেন।

রাশেদ খান বলেন, “নির্বাচন সংস্কার কমিশনের শর্ত অনুযায়ী ৪০ শতাংশ ভোট না পড়লে ওই আসনে পুনঃনির্বাচন হতে হবে। এপ্রিলের গরমে এত ভোট পড়বে না বলে মনে হয়, তাই অন্তর্বর্তী সরকার তাদের মেয়াদ বাড়ানোর জন্য এই কৌশল নিয়ে কাজ করছে। এটা শুধুমাত্র এক-এগারোর প্রচেষ্টা নয়, বরং সরকারের এক ধরনের পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।”

তিনি আরও বলেন, “এই পরিস্থিতিতে লন্ডনে বিএনপির মহাসচিব তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচন রোডম্যাপ পরিবর্তনের দাবী করব। কিছু উপদেষ্টা আছে যারা এই ষড়যন্ত্রে জড়িত, যারা জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করছে।”

এছাড়া রাশেদ খান অন্তর্বর্তী সরকারের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, প্রতিমাসে কর্মকর্তারা তাদের সম্পদের হিসাব দেবেন। কিন্তু গত ১০ মাসে কেউ একবারও এমন হিসাব দেয়নি। কয়েকজন উপদেষ্টার এনআইডি লক করা হয়েছে, বিদেশে যেতে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে, কিন্তু তা শুধুই নাটক।”

রাশেদ খান আরও অভিযোগ করেন, “সরকারের একজন নারী উপদেষ্টার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও সরকার এখনো তদন্ত শুরু করেনি। এটা স্বচ্ছতা না করে কেবল ভিন্ন ভিন্ন নাটক।”

বক্তৃতা শেষে গণ অধিকার পরিষদের জেলা শাখার সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল জাহিদ রাজন, ছাত্র অধিকার পরিষদের জেলা সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাধারণ সম্পাদক রিহান হোসেন রায়হানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।