ঢাকা , শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বকাপের মাঝেই মারা গেলেন বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া তরুণ ফুটবলার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:২৮:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বকাপের মঞ্চে দেশের হয়ে খেলার স্বপ্ন পূরণ করেছিলেন মাত্র ১৬ দিন আগে। কিন্তু সেই স্বপ্নের রেশ কাটতে না কাটতেই না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন দক্ষিণ আফ্রিকার তরুণ মিডফিল্ডার জেডেন অ্যাডামস। মাত্র ২৫ বছর বয়সে তার মৃত্যুতে দক্ষিণ আফ্রিকার ফুটবল অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোক।

চলমান বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে তিনটি গ্রুপ ম্যাচেই মাঠে নেমেছিলেন মেমেলোদি সানডাউন্সের এই মিডফিল্ডার। উদ্বোধনী ম্যাচে মেক্সিকোর বিপক্ষে ২-০ গোলের পরাজয়ের ম্যাচে শুরুর একাদশে ছিলেন তিনি। এরপর চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচেও প্রথম একাদশে জায়গা পান। সবশেষ ২৫ জুন দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ১-০ গোলের জয়ের ম্যাচে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন অ্যাডামস।

তবে শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে কানাডার বিপক্ষে ১-০ গোলের হারের ম্যাচে খেলার সুযোগ পাননি তিনি। বিশ্বকাপে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার মাত্র ১৬ দিনের মাথায় তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে শোকের ছায়া নেমে আসে পুরো ফুটবল অঙ্গনে।

 

জেডেন অ্যাডামসের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রীড়ামন্ত্রী গেইটন ম্যাকেঞ্জি। এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার ফুটবল সম্ভাবনাময় এক উজ্জ্বল তরুণ প্রতিভাকে হারিয়েছে। তার অকাল মৃত্যু পরিবার, সতীর্থ, সমর্থক এবং দেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

দক্ষিণ আফ্রিকা ফুটবল খেলোয়াড় ইউনিয়নও এক বিবৃতিতে জানায়, ২০২৬ বিশ্বকাপে দেশের প্রতিনিধিত্ব করে জেডেন অ্যাডামস গর্ব, সাহস ও মর্যাদার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তার মৃত্যু শুধু পরিবারের নয়, পুরো দেশের ফুটবল অঙ্গনের জন্যই এক বড় ক্ষতি।

স্টেলেনবোশের যুব একাডেমি থেকেই ফুটবল ক্যারিয়ার শুরু করেন অ্যাডামস। ক্লাবটির একাডেমি থেকে উঠে এসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে পেশাদার চুক্তি স্বাক্ষর করেন তিনি। স্টেলেনবোশের জার্সিতে ১৩৯টি ম্যাচ খেলেন এবং ২০২৩ সালে কার্লিং নকআউট শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এরপর ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে যোগ দেন মেমেলোদি সানডাউন্সে।

মাত্র ২৫ বছর বয়সে সম্ভাবনাময় এই ফুটবলারের অকাল মৃত্যু দক্ষিণ আফ্রিকার ফুটবলের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপের মাঝেই মারা গেলেন বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া তরুণ ফুটবলার

আপডেট সময় ১১:২৮:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপের মঞ্চে দেশের হয়ে খেলার স্বপ্ন পূরণ করেছিলেন মাত্র ১৬ দিন আগে। কিন্তু সেই স্বপ্নের রেশ কাটতে না কাটতেই না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন দক্ষিণ আফ্রিকার তরুণ মিডফিল্ডার জেডেন অ্যাডামস। মাত্র ২৫ বছর বয়সে তার মৃত্যুতে দক্ষিণ আফ্রিকার ফুটবল অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোক।

চলমান বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে তিনটি গ্রুপ ম্যাচেই মাঠে নেমেছিলেন মেমেলোদি সানডাউন্সের এই মিডফিল্ডার। উদ্বোধনী ম্যাচে মেক্সিকোর বিপক্ষে ২-০ গোলের পরাজয়ের ম্যাচে শুরুর একাদশে ছিলেন তিনি। এরপর চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচেও প্রথম একাদশে জায়গা পান। সবশেষ ২৫ জুন দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ১-০ গোলের জয়ের ম্যাচে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন অ্যাডামস।

তবে শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে কানাডার বিপক্ষে ১-০ গোলের হারের ম্যাচে খেলার সুযোগ পাননি তিনি। বিশ্বকাপে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার মাত্র ১৬ দিনের মাথায় তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে শোকের ছায়া নেমে আসে পুরো ফুটবল অঙ্গনে।

 

জেডেন অ্যাডামসের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রীড়ামন্ত্রী গেইটন ম্যাকেঞ্জি। এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার ফুটবল সম্ভাবনাময় এক উজ্জ্বল তরুণ প্রতিভাকে হারিয়েছে। তার অকাল মৃত্যু পরিবার, সতীর্থ, সমর্থক এবং দেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

দক্ষিণ আফ্রিকা ফুটবল খেলোয়াড় ইউনিয়নও এক বিবৃতিতে জানায়, ২০২৬ বিশ্বকাপে দেশের প্রতিনিধিত্ব করে জেডেন অ্যাডামস গর্ব, সাহস ও মর্যাদার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তার মৃত্যু শুধু পরিবারের নয়, পুরো দেশের ফুটবল অঙ্গনের জন্যই এক বড় ক্ষতি।

স্টেলেনবোশের যুব একাডেমি থেকেই ফুটবল ক্যারিয়ার শুরু করেন অ্যাডামস। ক্লাবটির একাডেমি থেকে উঠে এসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে পেশাদার চুক্তি স্বাক্ষর করেন তিনি। স্টেলেনবোশের জার্সিতে ১৩৯টি ম্যাচ খেলেন এবং ২০২৩ সালে কার্লিং নকআউট শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এরপর ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে যোগ দেন মেমেলোদি সানডাউন্সে।

মাত্র ২৫ বছর বয়সে সম্ভাবনাময় এই ফুটবলারের অকাল মৃত্যু দক্ষিণ আফ্রিকার ফুটবলের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।