ঢাকা , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আর্জেন্টিনার জার্সি পরে এলে ফি অর্ধেক নেওয়ার ঘোষণা দিলেন চিকিৎসক তিন দিনের সফরে ঢাকায় তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সরকার পতনের পর আ. লীগ নেতাদের সঙ্গে কয়েক ধাপে মিটিং হান্নান মাসউদের সিআইডি প্রধানের দায়িত্ব পাওয়ার তিন দিনের মাথায় অবসরের আবেদন কারাগারে গান-কবিতার আড্ডা, আইভীর কবিতায় সুর দেন মমতাজ আম কুড়াতে গিয়ে বজ্রাঘাতে নিহত ৬, শোকের ছায়া চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘জনগণ ভাবছে সরকার ভোট নয়, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে নির্বাচিত’ যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর, হামলা অব্যাহত ইসরায়েলের ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের মশাল মিছিল নিখোঁজের ৬ দিন পর এভারেস্টে জীবিত উদ্ধার নেপালি শেরপা

‘কিসাসই’ এসব কসাইয়ের জন্য সমাধান: শায়খ আহমাদুল্লাহ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৪২:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫
  • ৪৩৩ বার পড়া হয়েছে

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া চাঞ্চল্যকর সহিংসতার ঘটনায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশের খ্যাতনামা ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ। শুক্রবার (১১ জুলাই) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে তিনি ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। যদিও তিনি নির্দিষ্ট কোনো ঘটনার নাম উল্লেখ করেননি, তবে স্ট্যাটাসের ভাষা দেখে অনেকেই মনে করছেন, তিনি ইঙ্গিত করেছেন রাজধানীর পুরান ঢাকায় ব্যবসায়ী চাঁদ মিয়া ওরফে সোহাগ হত্যাকাণ্ড এবং চাঁদপুরে এক ইমামের উপর চাপাতি হামলার দিকে।

শায়খ আহমাদুল্লাহ তার ভেরিফায়াড ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘কিসাসই এসব কসাইয়ের সমাধান।’ স্ট্যাটাসের কমেন্ট বক্সে আরও লেখেন, ‘কিসাস অর্থ সমপরিমাণ শাস্তি। যেভাবে যতটুকু জুলুম হবে, ঠিক সেভাবে ততটুকু প্রতিকার করা হলো কিসাস। কেন কুরআনে কিসাসের কথা বলেছে, তা আমরা দেয়ালে পিঠ ঠেকলে উপলব্ধি করতে পারি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ ধরণের চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের বিচার যদি সর্বোচ্চ দুই মাসের মধ্যে শেষ করা যায়, তবে অপরাধপ্রবণতা কমবে। কিন্তু প্রচলিত বিচার পদ্ধতিতে বছরের পর বছর মামলা চললে এবং আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে অপরাধীরা পার পেয়ে গেলে এই ধরণের অপরাধ কখনো কমবে না।’ প্রসঙ্গত, সম্প্রতি রাজধানীর পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে চাঁদ মিয়া ওরফে সোহাগ (৩৫) নামের এক ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্যে পাথর মেরে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।

এছাড়া শুক্রবার (১১ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে চাঁদপুর শহরের প্রফেসর পাড়ায় মোল্লা বাড়ি জামে মসজিদে জুমার নামাজের পর ইমাম মাওলানা আ. ন. ম. নূরুর রহমান মাদানীকে (৬০) চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন বিল্লাল হোসেন নামে এক মুসল্লি। জানা যায়, ইমামের জুমার খুতবা পছন্দ না হওয়ায় নামাজ শেষে ওই মুসল্লি এই বর্বর হামলা চালান।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আর্জেন্টিনার জার্সি পরে এলে ফি অর্ধেক নেওয়ার ঘোষণা দিলেন চিকিৎসক

‘কিসাসই’ এসব কসাইয়ের জন্য সমাধান: শায়খ আহমাদুল্লাহ

আপডেট সময় ১০:৪২:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া চাঞ্চল্যকর সহিংসতার ঘটনায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশের খ্যাতনামা ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ। শুক্রবার (১১ জুলাই) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে তিনি ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। যদিও তিনি নির্দিষ্ট কোনো ঘটনার নাম উল্লেখ করেননি, তবে স্ট্যাটাসের ভাষা দেখে অনেকেই মনে করছেন, তিনি ইঙ্গিত করেছেন রাজধানীর পুরান ঢাকায় ব্যবসায়ী চাঁদ মিয়া ওরফে সোহাগ হত্যাকাণ্ড এবং চাঁদপুরে এক ইমামের উপর চাপাতি হামলার দিকে।

শায়খ আহমাদুল্লাহ তার ভেরিফায়াড ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘কিসাসই এসব কসাইয়ের সমাধান।’ স্ট্যাটাসের কমেন্ট বক্সে আরও লেখেন, ‘কিসাস অর্থ সমপরিমাণ শাস্তি। যেভাবে যতটুকু জুলুম হবে, ঠিক সেভাবে ততটুকু প্রতিকার করা হলো কিসাস। কেন কুরআনে কিসাসের কথা বলেছে, তা আমরা দেয়ালে পিঠ ঠেকলে উপলব্ধি করতে পারি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ ধরণের চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের বিচার যদি সর্বোচ্চ দুই মাসের মধ্যে শেষ করা যায়, তবে অপরাধপ্রবণতা কমবে। কিন্তু প্রচলিত বিচার পদ্ধতিতে বছরের পর বছর মামলা চললে এবং আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে অপরাধীরা পার পেয়ে গেলে এই ধরণের অপরাধ কখনো কমবে না।’ প্রসঙ্গত, সম্প্রতি রাজধানীর পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে চাঁদ মিয়া ওরফে সোহাগ (৩৫) নামের এক ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্যে পাথর মেরে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।

এছাড়া শুক্রবার (১১ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে চাঁদপুর শহরের প্রফেসর পাড়ায় মোল্লা বাড়ি জামে মসজিদে জুমার নামাজের পর ইমাম মাওলানা আ. ন. ম. নূরুর রহমান মাদানীকে (৬০) চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন বিল্লাল হোসেন নামে এক মুসল্লি। জানা যায়, ইমামের জুমার খুতবা পছন্দ না হওয়ায় নামাজ শেষে ওই মুসল্লি এই বর্বর হামলা চালান।