সব জল্পনা–কল্পনার অবসান ঘটিয়ে নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি। শুক্রবার স্থানীয় সময় রাত ৯টায় তিনি শপথ নেবেন বলে প্রেসিডেন্ট দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি রামচন্দ্র পাউডেল, সেনাপ্রধান অশোক রাজ সিগদেল এবং জেন-জির আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার পর কার্কির নামেই সবার সম্মতি হয়। তার নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হবে এবং শপথের পরপরই প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেখান থেকে কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার প্রস্তাবও উত্থাপন করবেন তিনি।
কার্কির শপথের মধ্য দিয়েই নেপাল প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী পাচ্ছে। এর আগে তিনি ২০১৬ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত নেপালের প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। দুর্নীতিবিরোধী কঠোর অবস্থানের জন্য তিনি বিশেষ জনপ্রিয়তা পান, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধের প্রতিবাদে নেপালে আন্দোলন শুরু হয়। গত সোমবার পার্লামেন্ট ভবনে প্রবেশের চেষ্টা করলে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে কয়েকজন শিক্ষার্থী নিহত হন। এর পর আন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করে। আন্দোলনের চাপেই প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি পদত্যাগ করে গা ঢাকা দেন।
অলির পদত্যাগের পর নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়ে আন্দোলনকারীদের মধ্যে বিভক্তি দেখা দিলেও শেষ পর্যন্ত কার্কির নামেই ঐকমত্য গড়ে ওঠে। তবে আন্দোলনের একটি অংশ প্রকৌশলী কুলমান গিসিংকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চেয়েছিল।
সুশীলা কার্কি ভারতের বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা লাভ করেছেন। তার দৃঢ়তা এবং দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানই তাকে তরুণদের কাছে বিশেষ জনপ্রিয় করেছে।
সূত্র: এনডিটিভি

আন্তর্জাতিক ডেক্স 























