ঢাকা , শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
স্মার্টফোনের ন্যূনতম দাম ২৫০০ টাকার মধ্যে আনতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে ‘স্থায়ী শান্তি’ আসবে না: রাশিয়া হাজার চেষ্টা করলেও আ.লীগ হতে পারবেন না: বিএনপিকে জামায়াত আমির আজহারী ও জারার ছবি ব্যবহার করে যৌন উত্তেজক ওষুধের বিজ্ঞাপন, গ্রেপ্তার ১০ নিজেদের সক্ষমতার সামান্যই ব্যবহার করেছে ইরান, নিচ্ছে পাল্টা হামলার প্রস্তুতি জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নির্মূলে কাজ করতে হবে: মির্জা ফখরুল ৭২-এর সংবিধান মোতাবেক শেখ হাসিনা এখনও দেশের প্রধানমন্ত্রী: ব্যারিস্টার ফুয়াদ ‘যেই বিএনপির জন্ম হয়েছে গণভোটের মাধ্যমে, তারাই আজ গণভোটকে অস্বীকার করছে’ কোনো আদুভাই, দাদুভাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে মেনে নেবো না: জামায়াত আমির আগামী দিনে বিএনপি রাজনীতিতে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে চিহ্নিত হবে: বুলবুল

যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবার ভোট দিচ্ছে গাজাবাসী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৪৮:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবার পৌরসভা নির্বাচনের ভোটে অংশ নিয়েছে ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর ও গাজার কিছু অংশের বাসিন্দারা। স্থানীয় সময় শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ৭টায় পশ্চিম তীর এবং গাজার কেন্দ্রীয় অঞ্চল দেইর আলবালাহর বাসিন্দারা ভোটপ্রদান শুরু করেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই দশকেরও বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন দেইর আলবালাহ শহরের ভোটাররা। ২০০৭ সালে হামাস গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর থেকে এখানকার বাসিন্দারা নিজেদের স্থানীয় প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ পাননি।

পশ্চিম তীরে অবস্থিত ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ বলছে, গাজার দেইর আলবালাহ শহরকে প্রতীকীভাবে অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে যুদ্ধবিধ্বস্ত এই অঞ্চলের ওপর তাদের কর্তৃত্বের দাবি আরও জোরালো হবে। ২০০৭ সালে হামাস তাদের সেখান থেকে ক্ষমতাচ্যুত করেছিল। ধ্বংসস্তূপে পরিণত গাজায় এখনো মৌলিক চাহিদা পূরণে সংগ্রামরত বাসিন্দারা ভোট দেয়ার সুযোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।

দীর্ঘদিন ধরে গাজা শাসন করা হামাস নিজেই সিটি কাউন্সিল সদস্য নিয়োগ দিয়ে আসছিল এবং নিয়মিতভাবে স্থানীয়ভাবে নির্বাচন আয়োজন বন্ধ রেখেছিল। যদিও এবারের নির্বাচনের ফলাফল হামাস মেনে নেবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। রামাল্লাভিত্তিক কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, অধিকৃত পশ্চিম তীরে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ এবং গাজার দেইর আলবালাহ এলাকায় ৭০ হাজার মানুষ ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন।

ইসরাইলের চলমান হামলার মধ্যে গাজার বেশিরভাগ মানুষ এখনও তাদের মৌলিক চাহিদা মেটাতে সংগ্রাম করছেন। এই যুদ্ধে উপত্যকায় অন্তত ৭২ হাজার ৫৬৮ জন নিহত এবং ১ লাখ ৭২ হাজার ৩৩৮ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন। ২০২৩ সালের অক্টোবরে ইসরাইলের যুদ্ধ শুরু করার পর এটিই প্রথম ফিলিস্তিনি নির্বাচন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

স্মার্টফোনের ন্যূনতম দাম ২৫০০ টাকার মধ্যে আনতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবার ভোট দিচ্ছে গাজাবাসী

আপডেট সময় ০১:৪৮:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবার পৌরসভা নির্বাচনের ভোটে অংশ নিয়েছে ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর ও গাজার কিছু অংশের বাসিন্দারা। স্থানীয় সময় শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ৭টায় পশ্চিম তীর এবং গাজার কেন্দ্রীয় অঞ্চল দেইর আলবালাহর বাসিন্দারা ভোটপ্রদান শুরু করেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই দশকেরও বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন দেইর আলবালাহ শহরের ভোটাররা। ২০০৭ সালে হামাস গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর থেকে এখানকার বাসিন্দারা নিজেদের স্থানীয় প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ পাননি।

পশ্চিম তীরে অবস্থিত ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ বলছে, গাজার দেইর আলবালাহ শহরকে প্রতীকীভাবে অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে যুদ্ধবিধ্বস্ত এই অঞ্চলের ওপর তাদের কর্তৃত্বের দাবি আরও জোরালো হবে। ২০০৭ সালে হামাস তাদের সেখান থেকে ক্ষমতাচ্যুত করেছিল। ধ্বংসস্তূপে পরিণত গাজায় এখনো মৌলিক চাহিদা পূরণে সংগ্রামরত বাসিন্দারা ভোট দেয়ার সুযোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।

দীর্ঘদিন ধরে গাজা শাসন করা হামাস নিজেই সিটি কাউন্সিল সদস্য নিয়োগ দিয়ে আসছিল এবং নিয়মিতভাবে স্থানীয়ভাবে নির্বাচন আয়োজন বন্ধ রেখেছিল। যদিও এবারের নির্বাচনের ফলাফল হামাস মেনে নেবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। রামাল্লাভিত্তিক কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, অধিকৃত পশ্চিম তীরে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ এবং গাজার দেইর আলবালাহ এলাকায় ৭০ হাজার মানুষ ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন।

ইসরাইলের চলমান হামলার মধ্যে গাজার বেশিরভাগ মানুষ এখনও তাদের মৌলিক চাহিদা মেটাতে সংগ্রাম করছেন। এই যুদ্ধে উপত্যকায় অন্তত ৭২ হাজার ৫৬৮ জন নিহত এবং ১ লাখ ৭২ হাজার ৩৩৮ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন। ২০২৩ সালের অক্টোবরে ইসরাইলের যুদ্ধ শুরু করার পর এটিই প্রথম ফিলিস্তিনি নির্বাচন।