বিমানের টিকিটের নামে শত শত গ্রাহক ও সাব-এজেন্টের কাছ থেকে অগ্রিম অর্থ নিয়ে টিকিট সরবরাহ না করার অভিযোগে এবার বড় ধরনের আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ—সিআইডি।
সংস্থাটি জানিয়েছে, অনলাইনভিত্তিক ট্রাভেল প্রতিষ্ঠান ফ্লাইট এক্সপার্টের বিরুদ্ধে প্রায় ৩৫ কোটি টাকার মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে রাজধানীর মতিঝিল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইওসহ মোট সাতজনকে আসামি করা হয়েছে।
সিআইডির প্রাথমিক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, অস্বাভাবিক মূল্যছাড়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহক ও সাব-এজেন্টদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অগ্রিম অর্থ সংগ্রহ করলেও, অনেক ক্ষেত্রেই প্রতিশ্রুত বিমানের টিকিট সরবরাহ করা হয়নি। এমনকি একই টিকিটের বিপরীতে একাধিক উৎস থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে।
তদন্তে আরও জানা গেছে, প্রতারণার মাধ্যমে ৩৪ কোটি ৬৯ লাখ টাকার বেশি আত্মসাৎ করা হয়। পরে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সেই অর্থ স্থানান্তর, উত্তোলন ও রূপান্তর করে এর উৎস ও মালিকানা গোপনের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ সিআইডির।
সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সালমান বিন রশিদ শাহ সায়েম গত বছরের আগস্টে দেশত্যাগ করেন। এরপরও প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন পরিচালক ও অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব থেকে উল্লেখযোগ্য অঙ্কের অর্থ স্থানান্তর ও উত্তোলন করেছেন বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।
মামলার তদন্ত ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। সিআইডি বলছে, অর্থপাচারের পুরো নেটওয়ার্ক উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত থাকবে।

ডেস্ক রিপোর্ট 

























