ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মার্কিন কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পরাজয় নিশ্চিত জেনেও রাষ্ট্রপতি প্রার্থী অলি আহমদ, জানালেন ২ কারণ মাদরাসার সবাই অকৃতকার্য, অধ্যক্ষ বললেন- ভালো ছাত্রীদের বিয়ে হয়ে গেছে ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভন দেখিয়ে ‘শতাধিক নারী’ থেকে টাকা নেন মহিলা দলের নেত্রী কাবা শরীফে দিকে তাকিয়ে আল্লাহু আকবর বলার পরই মৃত্যু পলক যথাযথ চিকিৎসা পাচ্ছেন না: অভিযোগ আইনজীবীর লেবানন নিয়ে ইসরাইলের পরিকল্পনার বিরো/ধিতা যুক্তরাষ্ট্রের গণিত অলিম্পিয়াড বিজয়ীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ ভুয়া খবরের চেয়েও ক্ষতিকর ভুয়া গোয়েন্দা তথ্য: ট্রাম্পকে খোঁচা আরাগচির পলক যথাযথ চিকিৎসা পাচ্ছেন না: অভিযোগ আইনজীবীর

ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভন দেখিয়ে ‘শতাধিক নারী’ থেকে টাকা নেন মহিলা দলের নেত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:২৬:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

ধামরাইয়ে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে শতাধিক অসহায় ও হতদরিদ্র নারীর কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জাকির হোসেনের স্ত্রী নাছিমা আক্তারের মাধ্যমে সোমভাগ ইউনিয়নের কালিদাসপট্টি, বানেশ্বর এবং সূতিপাড়া ইউনিয়নের সিন্ধুলিয়া এলাকার শতাধিক নারীর কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী বানেশ্বর গ্রামের শিরিন আক্তার ও রূপবান অভিযোগ করে বলেন, নাছিমার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ তারা ১০০ টাকা করে জমা দিয়েছেন। তাদের দাবি, শুধু তাদের এলাকাতেই প্রায় অর্ধশত পরিবারের কাছ থেকে এভাবে টাকা নেওয়া হয়েছে।

সোমভাগ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচ এম রুস্তম বলেন, বিষয়টি জানতে পেরে তিনি আগেই স্থানীয়দের টাকা দিতে নিষেধ করেছিলেন। পরে জানতে পারেন, কালিদাসপট্টি এলাকায় একটি বৈঠকে ফরিদা ইয়াসমিন দাবি করেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য তাকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার দায়িত্ব দিয়েছেন।

রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে অসহায় মানুষের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগকে দলের জন্য লজ্জাজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন। তিনি দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। ভুক্তভোগীদের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অবশ্য তিনি বিস্তারিত কিছু না বলে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

এ বিষয়ে ধামরাই উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এস এম হাসান বলেন, ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার আশ্বাসে টাকা নেওয়ার অভিযোগের বিষয়টি তারা জানতে পেরেছেন। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। তদন্তের পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মামুন জানান, টাকা নেওয়ার অভিযোগের বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এসেছে। এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে লিখিত অভিযোগ না পেলেও বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, স্থানীয় সংসদ সদস্য বর্তমানে দেশের বাইরে রয়েছেন। তিনি দেশে ফিরলে তার সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মার্কিন কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভন দেখিয়ে ‘শতাধিক নারী’ থেকে টাকা নেন মহিলা দলের নেত্রী

আপডেট সময় ০৪:২৬:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

ধামরাইয়ে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে শতাধিক অসহায় ও হতদরিদ্র নারীর কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জাকির হোসেনের স্ত্রী নাছিমা আক্তারের মাধ্যমে সোমভাগ ইউনিয়নের কালিদাসপট্টি, বানেশ্বর এবং সূতিপাড়া ইউনিয়নের সিন্ধুলিয়া এলাকার শতাধিক নারীর কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী বানেশ্বর গ্রামের শিরিন আক্তার ও রূপবান অভিযোগ করে বলেন, নাছিমার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ তারা ১০০ টাকা করে জমা দিয়েছেন। তাদের দাবি, শুধু তাদের এলাকাতেই প্রায় অর্ধশত পরিবারের কাছ থেকে এভাবে টাকা নেওয়া হয়েছে।

সোমভাগ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচ এম রুস্তম বলেন, বিষয়টি জানতে পেরে তিনি আগেই স্থানীয়দের টাকা দিতে নিষেধ করেছিলেন। পরে জানতে পারেন, কালিদাসপট্টি এলাকায় একটি বৈঠকে ফরিদা ইয়াসমিন দাবি করেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য তাকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার দায়িত্ব দিয়েছেন।

রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে অসহায় মানুষের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগকে দলের জন্য লজ্জাজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন। তিনি দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। ভুক্তভোগীদের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অবশ্য তিনি বিস্তারিত কিছু না বলে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

এ বিষয়ে ধামরাই উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এস এম হাসান বলেন, ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার আশ্বাসে টাকা নেওয়ার অভিযোগের বিষয়টি তারা জানতে পেরেছেন। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। তদন্তের পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মামুন জানান, টাকা নেওয়ার অভিযোগের বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এসেছে। এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে লিখিত অভিযোগ না পেলেও বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, স্থানীয় সংসদ সদস্য বর্তমানে দেশের বাইরে রয়েছেন। তিনি দেশে ফিরলে তার সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।