ঢাকা , সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছাত্ররাজনীতির মডেল দেখিয়েছে শিবির: ভিপি সাদিক কায়েম

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৬:১১:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫
  • ৩৩৫ বার পড়া হয়েছে

এবার বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক ও ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বলেছেন, ‘শিবির পরিচয়কে ক্রিমিনালাইজড করা হয়েছিল। একক সংগঠন হিসেবে সবচেয়ে বেশি নির্যাতনের শিকার শিবির। আমাদের ৬ জন ভাইয়ের খোঁজ এখনো পাওয়া যায়নি। ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতির মডেল কেমন হবে? তা ছাত্রশিবির গত এক বছরে করে দেখিয়েছে।’

আজ সোমবার (১৩ অক্টোবর) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির আয়োজিত শহীদ সাজিদ স্মৃতি আন্তবিভাগ বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সাদিক কায়েম বলেন, ‘সুষ্ঠু রাজনীতির যে চিন্তা, তার সব কিছু আমরা সৃজনশীলতার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে চাই। শিবির সব সময় সৃজনশীলতাকে প্রমোট করে, কারণ সুন্দর সমাজ, সুন্দর ক্যাম্পাস ও সুন্দর দেশ গঠনে এর ভূমিকা অপরিসীম।’

তিনি বলেন, ‘যৌক্তিক সমাজ গঠনের জন্য বিতর্কের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা বিতর্কের মাধ্যমে সমাজের সমস্যাগুলোকে সামনে আনতে চাই। এতে যুক্তিনির্ভর চিন্তার বিকাশ ঘটে এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের সুযোগ সৃষ্টি হয়। এই লক্ষ্যে পৌঁছাতে গিয়ে আমরা দল-মত-নির্বিশেষে একসঙ্গে কাজ করতে চাই। গত ১৬ বছর আমরা মুক্তির জন্য লড়াই করেছি।’

তিনি অভিযোগ করেন, ‘গণমাধ্যম, সিভিল সমাজ ও কিছু ব্যবসায়ী সমাজকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। মুখে মুক্তির কথা বলা হলেও প্রকৃতপক্ষে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ওপর নির্যাতন চালানোর বৈধতা দেওয়া হয়েছিল। তথাকথিত কিছু বুদ্ধিজীবীও এতে ভূমিকা রেখেছিলেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা আজ স্বাধীনতা অর্জন করেছি। ৫ আগস্টের পর সবাই বাকস্বাধীনতা ফিরে পেয়েছে। কিন্তু এর আগে এমন পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল যে, কেউ যদি শিবির করে, তার কোনো অধিকার থাকবে না।’ গুম কমিশনের তথ্য উদ্ধৃত করে তিনি দাবি করেন, ‘সবচেয়ে বেশি জুলুমের শিকার হয়েছে জামায়াত ও শিবির। একক সংগঠন হিসেবে বিএনপির পরই শিবিরের অবস্থান।’

শিক্ষাঙ্গনে রাজনীতি বিষয়ে তিনি বলেন, ‘‘আমাদের প্রথম দাবি ছিল প্রতিটি ক্যাম্পাসে ছাত্রসংসদ নির্বাচন। কারণ বিশ্ববিদ্যালয় হলো জ্ঞানের আতুরঘর। এখানে জ্ঞানচর্চা ও জ্ঞানউৎপাদন হবে—যা সমগ্র সমাজের উন্নয়নে ‘হাব’ হিসেবে কাজ করবে।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে ব্রাজিলকে বিদায়

ছাত্ররাজনীতির মডেল দেখিয়েছে শিবির: ভিপি সাদিক কায়েম

আপডেট সময় ০৬:১১:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫

এবার বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক ও ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বলেছেন, ‘শিবির পরিচয়কে ক্রিমিনালাইজড করা হয়েছিল। একক সংগঠন হিসেবে সবচেয়ে বেশি নির্যাতনের শিকার শিবির। আমাদের ৬ জন ভাইয়ের খোঁজ এখনো পাওয়া যায়নি। ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতির মডেল কেমন হবে? তা ছাত্রশিবির গত এক বছরে করে দেখিয়েছে।’

আজ সোমবার (১৩ অক্টোবর) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির আয়োজিত শহীদ সাজিদ স্মৃতি আন্তবিভাগ বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সাদিক কায়েম বলেন, ‘সুষ্ঠু রাজনীতির যে চিন্তা, তার সব কিছু আমরা সৃজনশীলতার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে চাই। শিবির সব সময় সৃজনশীলতাকে প্রমোট করে, কারণ সুন্দর সমাজ, সুন্দর ক্যাম্পাস ও সুন্দর দেশ গঠনে এর ভূমিকা অপরিসীম।’

তিনি বলেন, ‘যৌক্তিক সমাজ গঠনের জন্য বিতর্কের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা বিতর্কের মাধ্যমে সমাজের সমস্যাগুলোকে সামনে আনতে চাই। এতে যুক্তিনির্ভর চিন্তার বিকাশ ঘটে এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের সুযোগ সৃষ্টি হয়। এই লক্ষ্যে পৌঁছাতে গিয়ে আমরা দল-মত-নির্বিশেষে একসঙ্গে কাজ করতে চাই। গত ১৬ বছর আমরা মুক্তির জন্য লড়াই করেছি।’

তিনি অভিযোগ করেন, ‘গণমাধ্যম, সিভিল সমাজ ও কিছু ব্যবসায়ী সমাজকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। মুখে মুক্তির কথা বলা হলেও প্রকৃতপক্ষে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ওপর নির্যাতন চালানোর বৈধতা দেওয়া হয়েছিল। তথাকথিত কিছু বুদ্ধিজীবীও এতে ভূমিকা রেখেছিলেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা আজ স্বাধীনতা অর্জন করেছি। ৫ আগস্টের পর সবাই বাকস্বাধীনতা ফিরে পেয়েছে। কিন্তু এর আগে এমন পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল যে, কেউ যদি শিবির করে, তার কোনো অধিকার থাকবে না।’ গুম কমিশনের তথ্য উদ্ধৃত করে তিনি দাবি করেন, ‘সবচেয়ে বেশি জুলুমের শিকার হয়েছে জামায়াত ও শিবির। একক সংগঠন হিসেবে বিএনপির পরই শিবিরের অবস্থান।’

শিক্ষাঙ্গনে রাজনীতি বিষয়ে তিনি বলেন, ‘‘আমাদের প্রথম দাবি ছিল প্রতিটি ক্যাম্পাসে ছাত্রসংসদ নির্বাচন। কারণ বিশ্ববিদ্যালয় হলো জ্ঞানের আতুরঘর। এখানে জ্ঞানচর্চা ও জ্ঞানউৎপাদন হবে—যা সমগ্র সমাজের উন্নয়নে ‘হাব’ হিসেবে কাজ করবে।’