ঢাকা , সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জামায়াতের এমপির গাড়িতে হামলা: বিএনপি-ছাত্রদলের ৩ নেতা বহিষ্কার পাকিস্তানের নিজস্ব প্রযুক্তির ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ চট্টগ্রামে যুবদল কর্মীকে গুলি কনটেন্ট ক্রিয়েটর হত্যা মামলায় বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার সমন্বয়কের কাছে চাঁদা দাবি ও জমি দখলের চেষ্টা হুইলচেয়ারে ট্রাইব্যুনালে এসে দীপু মনির সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন অসুস্থ স্বামী অখণ্ড ভারতের অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন এ কে ফজলুল হক: প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্পের নৈশভোজে গুলি: আটক সন্দেহভাজনের পরিচয় শনাক্ত মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়াতে পারে বাংলাদেশ, পূর্বাভাস আইএমএফ’র ফেসবুকে লেখালেখি নিয়ে কুড়িগ্রামে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষে আহত ৬

প্রতিটি জেলার আইনশৃঙ্খলা বৈঠকে একজন ধর্মীয় প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্তির ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:২৬:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
  • ৬৭ বার পড়া হয়েছে

এবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, কেউ মসজিদ কিংবা যার যার ধর্মীয় উপাসনালয়ে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজেদের বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে চাইলে তা বাস্তবায়নে সরকার সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। প্রতিটি জেলার আইনশৃঙ্খলা বৈঠকে একজন ইমাম খতিব বা ধর্মীয় প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা হবে। শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইমামমুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের মাঝে সম্মনী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মসজিদের ইমামমুয়াজ্জিন, খাদেম ও মন্দিরের পুরোহিতসহ বিভিন্ন স্কলার ও ধর্ম গুরুরা অংশ নেন। ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আজ সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে বসেছি, এক কাতারে রয়েছি। এটিই আমাদের আবহমানকালের ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশ। কেউ যেন আমাদের মধ্যে বিভেদবিরোধ সৃষ্টি করতে না পারে। মুসলমানহিন্দুবৌদ্ধ কিংবা খ্রিষ্টান, বিশ্বাসীঅবিশ্বাসী কিংবা সংশয়বাদী, আমরা সবাই মিলে ভালো থাকবো। সবার জন্য গড়ে তুলবো একটি নিরাপদ রাষ্ট্র ও সমাজ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি শ্রেণিপেশার মানুষ তথা প্রতিটি নাগরিকের আর্থিকসামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার রাষ্ট্রীয় সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করবে। তবে নাগরিকদেরও কিন্তু রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতি কিছু দায়দায়িত্ব রয়েছে। নাগরিক হিসেবে যে যার অবস্থান থেকে রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতি দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারলে আশা করি, আগামী ১০ বছরের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিকভাবে আমরা একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ দেখতে পারবো।

ধর্মীয় নেতাদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, দুনিয়ার কল্যাণের পাশাপাশি আখেরাতের কল্যাণের জন্য প্রার্থনার কথা পবিত্র কোরআনে রয়েছে। ইহকালীন ও পরকালীন কল্যাণ বিষয়ক নির্দেশনা নিঃসন্দেহে অন্য ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় বিধিবিধান অনুযায়ীও নির্দেশিত রয়েছে। তাই ধর্মীয় বিধিবিধানের আলোকেই আপনারা আপনাদের শিক্ষাদীক্ষা, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতাকে কীভাবে আরও বেশি করে দেশ এবং জনগণের কল্যাণে কাজে লাগাতে পারেন, সেই চিন্তা এবং চেষ্টা অব্যাহত রাখাও জরুরি। তিনি বলেন, অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ রাষ্ট্র মানুষের জীবনে হয়তো আর্থিক স্বাচ্ছন্দ নিশ্চিত করে। কিন্তু ধৈর্য্য, সততা, কৃতজ্ঞতাবোধ, শ্রদ্ধা, আনুগত্য, সংহতি, সহনশীলতা, উদারতা, বন্ধুত্ব, বিনয়, দায় কিংবা দয়া এই সমস্ত বৈশিষ্ট অর্জন ছাড়া একজন ব্যক্তি মানবিক গুণাবলী সম্পন্ন হয়ে উঠতে পারে না। এ ধরনের মানবিক বৈশিষ্টগুলো অর্জনের জন্য ধর্মীয় ও সামাজিক নৈতিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত হওয়া জরুরি বলে আমি মনে করি। তিনি আরও বলেন, আমার বিশ্বাস, রাষ্ট্রসমাজ এবং পরিবেশপ্রতিবেশ থেকে অর্জিত আচরণ থেকেই মানুষ তার শুদ্ধ জীবন এবং সুস্থ চিন্তার মানসিক নির্দেশনা পায়।

হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যার আমানতদারি নেই, যার কাছে নিরাপত্তা নেই, সে প্রকৃত ইমানদার নয়। যার ওয়াদা ঠিক নেই, তার কোনও ধর্মই নেই। প্রতিহিংসা এবং সহিংসতামুক্ত একটি নিরাপদ সমাজ বিনির্মাণে ক্ষেত্রে ধর্মের এই উদারনৈতিক শিক্ষণীয় বক্তব্যগুলো অতুলনীয়। আমার বিশ্বাস, একটি নৈতিকতা সমৃদ্ধ মানবসমাজ গঠনের জন্য প্রতিটি ধর্মেই এ ধরণের ইতিবাচক বার্তা রয়েছে। একটি ধর্মীয় সামাজিক নৈতিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ মানসিকতা তৈরির ক্ষেত্রে আপনাদের মতো ধর্মীয় জ্ঞান সম্পন্ন মানুষদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ মসজিদ রয়েছে। আমরা সারা দেশের এই মসজিদগুলোকে ধর্মীয় সামাজিক এবং নৈতিক শিক্ষা কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে পারি। স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের সরকারের সময় দেশে প্রথমবারের মতো ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি চালু করেছিলেন।

১৯৯৩ সালে বেগম খালেদা জিয়া সরকারের সময় দেশে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম চালু হয়। বর্তমান সরকারও ইমামমুয়াজ্জিনদের একটি নির্দিষ্ট হারে সম্মানী ভাতা প্রদানের পাশাপাশি আপনাদের যোগ্যতাকে আরও কীভাবে রাষ্ট্রীয় উন্নয়নে কাজে লাগানো যায় সেই পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতা দেওয়ার যে কর্মসূচি সরকার চালু করেছে, এই কর্মসূচির অধীনে প্রথম পর্যায়ে পাইলটিং স্কিমের আওতায় মোট ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির এবং ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহারের মোট ১৬ হাজার ৯৯২ জন মাসিক সম্মানী পাচ্ছেন। সবাইকেই পর্যায়ক্রমে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের জন্য সরকারের এসব অর্থনৈতিক কর্মসূচি উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো নাগরিকদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াতের এমপির গাড়িতে হামলা: বিএনপি-ছাত্রদলের ৩ নেতা বহিষ্কার

প্রতিটি জেলার আইনশৃঙ্খলা বৈঠকে একজন ধর্মীয় প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্তির ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় ০২:২৬:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

এবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, কেউ মসজিদ কিংবা যার যার ধর্মীয় উপাসনালয়ে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজেদের বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে চাইলে তা বাস্তবায়নে সরকার সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। প্রতিটি জেলার আইনশৃঙ্খলা বৈঠকে একজন ইমাম খতিব বা ধর্মীয় প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা হবে। শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইমামমুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের মাঝে সম্মনী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মসজিদের ইমামমুয়াজ্জিন, খাদেম ও মন্দিরের পুরোহিতসহ বিভিন্ন স্কলার ও ধর্ম গুরুরা অংশ নেন। ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আজ সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে বসেছি, এক কাতারে রয়েছি। এটিই আমাদের আবহমানকালের ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশ। কেউ যেন আমাদের মধ্যে বিভেদবিরোধ সৃষ্টি করতে না পারে। মুসলমানহিন্দুবৌদ্ধ কিংবা খ্রিষ্টান, বিশ্বাসীঅবিশ্বাসী কিংবা সংশয়বাদী, আমরা সবাই মিলে ভালো থাকবো। সবার জন্য গড়ে তুলবো একটি নিরাপদ রাষ্ট্র ও সমাজ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি শ্রেণিপেশার মানুষ তথা প্রতিটি নাগরিকের আর্থিকসামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার রাষ্ট্রীয় সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করবে। তবে নাগরিকদেরও কিন্তু রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতি কিছু দায়দায়িত্ব রয়েছে। নাগরিক হিসেবে যে যার অবস্থান থেকে রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতি দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারলে আশা করি, আগামী ১০ বছরের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিকভাবে আমরা একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ দেখতে পারবো।

ধর্মীয় নেতাদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, দুনিয়ার কল্যাণের পাশাপাশি আখেরাতের কল্যাণের জন্য প্রার্থনার কথা পবিত্র কোরআনে রয়েছে। ইহকালীন ও পরকালীন কল্যাণ বিষয়ক নির্দেশনা নিঃসন্দেহে অন্য ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় বিধিবিধান অনুযায়ীও নির্দেশিত রয়েছে। তাই ধর্মীয় বিধিবিধানের আলোকেই আপনারা আপনাদের শিক্ষাদীক্ষা, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতাকে কীভাবে আরও বেশি করে দেশ এবং জনগণের কল্যাণে কাজে লাগাতে পারেন, সেই চিন্তা এবং চেষ্টা অব্যাহত রাখাও জরুরি। তিনি বলেন, অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ রাষ্ট্র মানুষের জীবনে হয়তো আর্থিক স্বাচ্ছন্দ নিশ্চিত করে। কিন্তু ধৈর্য্য, সততা, কৃতজ্ঞতাবোধ, শ্রদ্ধা, আনুগত্য, সংহতি, সহনশীলতা, উদারতা, বন্ধুত্ব, বিনয়, দায় কিংবা দয়া এই সমস্ত বৈশিষ্ট অর্জন ছাড়া একজন ব্যক্তি মানবিক গুণাবলী সম্পন্ন হয়ে উঠতে পারে না। এ ধরনের মানবিক বৈশিষ্টগুলো অর্জনের জন্য ধর্মীয় ও সামাজিক নৈতিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত হওয়া জরুরি বলে আমি মনে করি। তিনি আরও বলেন, আমার বিশ্বাস, রাষ্ট্রসমাজ এবং পরিবেশপ্রতিবেশ থেকে অর্জিত আচরণ থেকেই মানুষ তার শুদ্ধ জীবন এবং সুস্থ চিন্তার মানসিক নির্দেশনা পায়।

হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যার আমানতদারি নেই, যার কাছে নিরাপত্তা নেই, সে প্রকৃত ইমানদার নয়। যার ওয়াদা ঠিক নেই, তার কোনও ধর্মই নেই। প্রতিহিংসা এবং সহিংসতামুক্ত একটি নিরাপদ সমাজ বিনির্মাণে ক্ষেত্রে ধর্মের এই উদারনৈতিক শিক্ষণীয় বক্তব্যগুলো অতুলনীয়। আমার বিশ্বাস, একটি নৈতিকতা সমৃদ্ধ মানবসমাজ গঠনের জন্য প্রতিটি ধর্মেই এ ধরণের ইতিবাচক বার্তা রয়েছে। একটি ধর্মীয় সামাজিক নৈতিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ মানসিকতা তৈরির ক্ষেত্রে আপনাদের মতো ধর্মীয় জ্ঞান সম্পন্ন মানুষদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ মসজিদ রয়েছে। আমরা সারা দেশের এই মসজিদগুলোকে ধর্মীয় সামাজিক এবং নৈতিক শিক্ষা কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে পারি। স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের সরকারের সময় দেশে প্রথমবারের মতো ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি চালু করেছিলেন।

১৯৯৩ সালে বেগম খালেদা জিয়া সরকারের সময় দেশে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম চালু হয়। বর্তমান সরকারও ইমামমুয়াজ্জিনদের একটি নির্দিষ্ট হারে সম্মানী ভাতা প্রদানের পাশাপাশি আপনাদের যোগ্যতাকে আরও কীভাবে রাষ্ট্রীয় উন্নয়নে কাজে লাগানো যায় সেই পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতা দেওয়ার যে কর্মসূচি সরকার চালু করেছে, এই কর্মসূচির অধীনে প্রথম পর্যায়ে পাইলটিং স্কিমের আওতায় মোট ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির এবং ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহারের মোট ১৬ হাজার ৯৯২ জন মাসিক সম্মানী পাচ্ছেন। সবাইকেই পর্যায়ক্রমে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের জন্য সরকারের এসব অর্থনৈতিক কর্মসূচি উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো নাগরিকদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা।