ঢাকা , শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শেষ আবদার পূরণ হলো না: পিআইসিইউতে বাবার সামনে পানির জন্য কাঁদতে কাঁদতেই নিভে গেল আকিরা বাউফলে তিনটি বসতঘর পুড়ে ছাই, প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি ইরানের হরমুজ নিয়ন্ত্রণ: ক্রিপ্টোতে টোল আদায়, ব্যারেল প্রতি গুনতে হবে ১ ডলার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, ফের খুলছে শ্রমবাজার আবু সাঈদের মরদেহে গুলির অস্তিত্ব প্রমাণ হয়নি: আসামিপক্ষের আইনজীবী হেলিকপ্টারে গিয়ে নয়, নিজ কক্ষে বসেই দেখব কোন স্কুলে কী হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী ভোট বর্জন করলেন শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করতে রাশিয়ান দূতাবাসে মাওলানা মামুনুল হক এই সরকারের অধীনে প্রথম নির্বাচনেই কারচুপি-অনিয়ম ঘটছে: পরওয়ার ‘জঙ্গি এমপি’ অপবাদে খেলাফত মজলিসের সংসদ সদস্যের বিশেষ অধিকারের নোটিশ

খার্গ দ্বীপে হামলার প্রতিশোধ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংসের হুঁশিয়ারি ইরানের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:২২:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
  • ৫০ বার পড়া হয়েছে

এবার ইরানের তেল ও জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর কোনো হামলা হলে অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রসংশ্লিষ্ট তেল কোম্পানিগুলোর জ্বালানি অবকাঠামোতে পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর ইউনিফায়েড কমব্যাট্যান্ট কমান্ড। ইরানি গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। ইরানের সামরিক বাহিনীর খাতাম আলআনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তেল কোম্পানিগুলোর মালিকানাধীন তেল ও জ্বালানি অবকাঠামোতাৎক্ষণিকভাবে ধ্বংস করে ছাইয়ের স্তূপে পরিণত করা হবে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের জ্বালানি শিল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপে সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংসের ঘোষণা দেয়ার পরই এ হুমকি দেয়া হয়। খার্গ দ্বীপটি ইরানের তেল রপ্তানির একটি প্রধান টার্মিনাল, যেখান থেকে দেশটির প্রায় ৯০ শতাংশ তেল রপ্তানি করা হয়। এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালএ দেয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, খার্গ দ্বীপে থাকা সব সামরিক লক্ষ্যবস্তুসম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দিয়েছেযুক্তরাষ্ট্র।

তবে তিনি বলেন, দ্বীপটির তেল অবকাঠামো ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। একই সঙ্গে সতর্ক করে দিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘তবে যদি ইরান বা অন্য কেউ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের স্বাধীন ও নিরাপদ পথ ব্যাহত করার চেষ্টা করে, তাহলে আমি এই সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে পুনর্বিবেচনা করব।এর আগে অবশ্য ইরানের জ্বালানি সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় হামলার ক্ষেত্রে অনীহা দেখিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এমনকি যুদ্ধ শুরুর কয়েকদিনের মাথায় যখন ইসরায়েল তেহরানের একটি বড় তেলের ডিপোতে হামলা চালায়, তখন পরোক্ষভাবে সে হামলার নিন্দা জানিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। সূত্র: গার্ডিয়ান

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শেষ আবদার পূরণ হলো না: পিআইসিইউতে বাবার সামনে পানির জন্য কাঁদতে কাঁদতেই নিভে গেল আকিরা

খার্গ দ্বীপে হামলার প্রতিশোধ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংসের হুঁশিয়ারি ইরানের

আপডেট সময় ১০:২২:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

এবার ইরানের তেল ও জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর কোনো হামলা হলে অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রসংশ্লিষ্ট তেল কোম্পানিগুলোর জ্বালানি অবকাঠামোতে পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর ইউনিফায়েড কমব্যাট্যান্ট কমান্ড। ইরানি গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। ইরানের সামরিক বাহিনীর খাতাম আলআনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তেল কোম্পানিগুলোর মালিকানাধীন তেল ও জ্বালানি অবকাঠামোতাৎক্ষণিকভাবে ধ্বংস করে ছাইয়ের স্তূপে পরিণত করা হবে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের জ্বালানি শিল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপে সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংসের ঘোষণা দেয়ার পরই এ হুমকি দেয়া হয়। খার্গ দ্বীপটি ইরানের তেল রপ্তানির একটি প্রধান টার্মিনাল, যেখান থেকে দেশটির প্রায় ৯০ শতাংশ তেল রপ্তানি করা হয়। এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালএ দেয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, খার্গ দ্বীপে থাকা সব সামরিক লক্ষ্যবস্তুসম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দিয়েছেযুক্তরাষ্ট্র।

তবে তিনি বলেন, দ্বীপটির তেল অবকাঠামো ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। একই সঙ্গে সতর্ক করে দিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘তবে যদি ইরান বা অন্য কেউ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের স্বাধীন ও নিরাপদ পথ ব্যাহত করার চেষ্টা করে, তাহলে আমি এই সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে পুনর্বিবেচনা করব।এর আগে অবশ্য ইরানের জ্বালানি সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় হামলার ক্ষেত্রে অনীহা দেখিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এমনকি যুদ্ধ শুরুর কয়েকদিনের মাথায় যখন ইসরায়েল তেহরানের একটি বড় তেলের ডিপোতে হামলা চালায়, তখন পরোক্ষভাবে সে হামলার নিন্দা জানিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। সূত্র: গার্ডিয়ান