ঢাকা , বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘আমার কাছে কাজ করতে হলে ঘুষ দিতেই হবে’ সড়ক ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা, রাতের মধ্যে শর্ত না মানলে কাল লংমার্চ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে সরকারের পরিণতি আ.লীগের মতো হবে: সারজিস এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ভুল, ৪ শিক্ষককে শোকজ গণভোটের রায় বাস্তবায়নে বিরোধী দলকে সংবিধান সংশোধন কমিটিতে আসতে হবে বন্যায় শিক্ষার্থীদের কথা ভেবে পরীক্ষা পেছানোর আহ্বান রিজভীর পরীক্ষায় শেখ মুজিবকে নিয়ে প্রশ্ন, সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পছন্দের রেফারি পেয়েছেন মেসি! চেয়ারম্যান প্রার্থীর কাছে টাকা চেয়ে দুই ভুয়া ডিজিএফআই সদস্য গ্রেপ্তার ইরানে আরও শক্তিশালী হামলা চালানো হবে: নেতানিয়াহু

চেয়ারম্যান প্রার্থীর কাছে টাকা চেয়ে দুই ভুয়া ডিজিএফআই সদস্য গ্রেপ্তার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:০২:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই’র সদস্য পরিচয়ে এক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) উপজেলার সকালে ছোট সাদিপুর এলাকার ‘পানাম ফুড পার্ক’ থেকে তাদের আটক করা হয়।

 

গ্রেপ্তাররা হলেন- শরীয়তপুরের সখিপুর উপজেলার মৃধাকান্দি গ্রামের দেলোয়ার হোসেন ওরফে মুন্না (৪৩) ও নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার নানাখি এলাকার বাসিন্দা আবিদ মাহমুদ আকাশ (২৯)।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মোগরাপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. আতাউর রহমানের কাছে এই চক্রটি মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে আসছিল।

 

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৩ জুলাই রাত পৌনে ৯টার দিকে অভিযুক্তরা আতাউর রহমানকে পানাম ফুড পার্কে ডেকে নেন। সেখানে তারা নিজেদের ডিজিএফআই সদস্য হিসেবে পরিচয় দিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থীকে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখাতে থাকেন। তারা তাকে ‘দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যু’ হিসেবে আখ্যায়িত করে ডিজিএফআই সদর দপ্তরে নেতিবাচক প্রতিবেদন দেওয়ার হুমকি দেন। এর বিনিময়ে তাদের ৫ লাখ টাকা চাঁদা দিতে বাধ্য করার চেষ্টা করেন তারা।

 

বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে চেয়ারম্যান প্রার্থী আতাউর রহমান তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি সোনারগাঁ থানা পুলিশকে অবহিত করেন। পরে পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে ওই দুই ব্যক্তিকে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা কোনো গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য নন বলে স্বীকারোক্তি দেন।

সোনারগাঁ থানার ওসি গোলাম সারোয়ার জানান, ভুয়া পরিচয় দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও চাঁদাবাজির অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘আমার কাছে কাজ করতে হলে ঘুষ দিতেই হবে’

চেয়ারম্যান প্রার্থীর কাছে টাকা চেয়ে দুই ভুয়া ডিজিএফআই সদস্য গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ১১:০২:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই’র সদস্য পরিচয়ে এক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) উপজেলার সকালে ছোট সাদিপুর এলাকার ‘পানাম ফুড পার্ক’ থেকে তাদের আটক করা হয়।

 

গ্রেপ্তাররা হলেন- শরীয়তপুরের সখিপুর উপজেলার মৃধাকান্দি গ্রামের দেলোয়ার হোসেন ওরফে মুন্না (৪৩) ও নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার নানাখি এলাকার বাসিন্দা আবিদ মাহমুদ আকাশ (২৯)।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মোগরাপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. আতাউর রহমানের কাছে এই চক্রটি মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে আসছিল।

 

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৩ জুলাই রাত পৌনে ৯টার দিকে অভিযুক্তরা আতাউর রহমানকে পানাম ফুড পার্কে ডেকে নেন। সেখানে তারা নিজেদের ডিজিএফআই সদস্য হিসেবে পরিচয় দিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থীকে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখাতে থাকেন। তারা তাকে ‘দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যু’ হিসেবে আখ্যায়িত করে ডিজিএফআই সদর দপ্তরে নেতিবাচক প্রতিবেদন দেওয়ার হুমকি দেন। এর বিনিময়ে তাদের ৫ লাখ টাকা চাঁদা দিতে বাধ্য করার চেষ্টা করেন তারা।

 

বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে চেয়ারম্যান প্রার্থী আতাউর রহমান তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি সোনারগাঁ থানা পুলিশকে অবহিত করেন। পরে পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে ওই দুই ব্যক্তিকে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা কোনো গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য নন বলে স্বীকারোক্তি দেন।

সোনারগাঁ থানার ওসি গোলাম সারোয়ার জানান, ভুয়া পরিচয় দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও চাঁদাবাজির অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।