ঢাকা , শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মেহেরপুরে বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছিল ‘ছুটির ঘণ্টা’ সিনেমা, বাথরুমে বন্দি ছাত্রীকে অবশেষে উদ্ধার অদক্ষ ব্যক্তিদের হাতে রাষ্ট্র পড়লে জনগণের অনেক ভোগান্তি হয়: স্পিকার ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে বলল চীন বাউফলের পাঁচ নবজাতকের অসহায় পরিবারে ড. মাসুদ এমপির মানবতার স্পর্শ সাবেক আইআরজিসি প্রধান কেন চান যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ‘স্থল আক্রমণ’ চালাক ম্যাচ হারের পর ভিনিসিউসকে বায়ার্নের মাঠে রেখেই চলে গেল রিয়ালের বাস মার্কিন যুদ্ধবিমানের নতুন আতঙ্ক, চীনের তৈরি ইরানের অত্যাধুনিক ম্যানপ্যাড গণভোটের রায় পূর্ণ বাস্তবায়নে দেশব্যাপী আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মামুনুল হক সন্ধ্যায় সাবেক অধিনায়কদের ক্যাপ্টেনস কার্ড দেবে বিসিবি আমার স্বামীকে হাত-পা বেঁধে পেট কেটে সিমেন্টের বস্তায় বেঁধে হত্যা করা হয়: বিডিআর সদস্যর স্ত্রী

মুসলমানরা ইসলামের সীমানার মধ্যে ভাষা-সংস্কৃতি ধারণ করবে, এইটাই সঠিক রাজনীতি: ড. মির্জা গালিব

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:১৬:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮৩ বার পড়া হয়েছে

এবার যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ড. মির্জা গালিব বলেছেন, ‘এই দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মুসলমান। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ এখন তার আইডেন্টিটি। বাংলাদেশের মুসলমানরা ইসলামের সীমানার মধ্যে বাংলা ভাষা এবং সংস্কৃতিকে ধারণ করবে, আত্মস্থ করবেএইটাই সঠিক রাজনীতি।মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রাতে সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

পোস্টে মির্জা গালিব লেখেন, ‘মানুষের সকল সমাজেই কালচার তৈরি হয়। কালচার আসে মানুষের ধর্ম থেকে, বিশ্বাস থেকে, ভাষা থেকে, পারিপার্শিকতা থেকে, পরিবেশপ্রতিবেশ থেকে। মানুষ সারাক্ষণ কঠিন কঠিন একাডেমিক আলাপআলোচনা আর কাজের মধ্যে থাকতে পারে না। তার শ্বাস ফেলতে হয়, বিশ্রাম নিতে হয়, বিনোদন লাগে। এগুলো খুবই স্বাভাবিক মানবিক প্রক্রিয়া।

ইসলামে উৎসব পালন নিয়ে গালিব বলেন, ‘কোন অনুষ্ঠান বা কালচার যদি অন্য ধর্মের ধর্মীয় ইবাদত বা উপাসনা না হয়, এবং তার উদযাপন প্রক্রিয়ার মধ্যে যদি ইসলামবিরোধী উপাদান না থাকে, তাহলে সেটা সাধারণত ইসলামের দিক থেকে অগ্রহণযোগ্য নয়। কাজেই, যেসব সাংস্কৃতিক উপলক্ষ বা উৎসব আমাদের সমাজে আছে, যদি ইতিহাসের দিক থেকে সেগুলো ইসলামবিরোধী না হয়ে থাকে, তাহলে সেগুলোর ইসলামবিরোধী উদযাপন প্রক্রিয়া বাদ দিয়ে পালন করার মধ্যে দোষের কিছু নেই

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলা ভাষা এবং সংস্কৃতি বাংলাদেশি মুসলমানেরও। মুসলমানদের হাতেই এই অঞ্চলের বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির বিকাশ হয়েছিল। শুধুমাত্র পাকিস্তান পিরিয়ডে বাংলা ভাষা এবং সংস্কৃতিকে ইসলাম থেকে অনেকটা বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল। এটি ছিল বাঙালি জাতীয়তাবাদী রাজনীতি। বাংলাদেশ এখন স্বাধীন দেশ। বাঙালি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির এখানে এখন আর কোনো প্রয়োজন নেই। এই দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মুসলমান। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ এখন তার আইডেন্টিটি। বাংলাদেশের মুসলমানরা ইসলামের সীমানার মধ্যে বাংলা ভাষা এবং সংস্কৃতিকে ধারণ করবে, আত্মস্থ করবেএইটাই সঠিক রাজনীতি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মেহেরপুরে বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছিল ‘ছুটির ঘণ্টা’ সিনেমা, বাথরুমে বন্দি ছাত্রীকে অবশেষে উদ্ধার

মুসলমানরা ইসলামের সীমানার মধ্যে ভাষা-সংস্কৃতি ধারণ করবে, এইটাই সঠিক রাজনীতি: ড. মির্জা গালিব

আপডেট সময় ১২:১৬:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

এবার যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ড. মির্জা গালিব বলেছেন, ‘এই দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মুসলমান। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ এখন তার আইডেন্টিটি। বাংলাদেশের মুসলমানরা ইসলামের সীমানার মধ্যে বাংলা ভাষা এবং সংস্কৃতিকে ধারণ করবে, আত্মস্থ করবেএইটাই সঠিক রাজনীতি।মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রাতে সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

পোস্টে মির্জা গালিব লেখেন, ‘মানুষের সকল সমাজেই কালচার তৈরি হয়। কালচার আসে মানুষের ধর্ম থেকে, বিশ্বাস থেকে, ভাষা থেকে, পারিপার্শিকতা থেকে, পরিবেশপ্রতিবেশ থেকে। মানুষ সারাক্ষণ কঠিন কঠিন একাডেমিক আলাপআলোচনা আর কাজের মধ্যে থাকতে পারে না। তার শ্বাস ফেলতে হয়, বিশ্রাম নিতে হয়, বিনোদন লাগে। এগুলো খুবই স্বাভাবিক মানবিক প্রক্রিয়া।

ইসলামে উৎসব পালন নিয়ে গালিব বলেন, ‘কোন অনুষ্ঠান বা কালচার যদি অন্য ধর্মের ধর্মীয় ইবাদত বা উপাসনা না হয়, এবং তার উদযাপন প্রক্রিয়ার মধ্যে যদি ইসলামবিরোধী উপাদান না থাকে, তাহলে সেটা সাধারণত ইসলামের দিক থেকে অগ্রহণযোগ্য নয়। কাজেই, যেসব সাংস্কৃতিক উপলক্ষ বা উৎসব আমাদের সমাজে আছে, যদি ইতিহাসের দিক থেকে সেগুলো ইসলামবিরোধী না হয়ে থাকে, তাহলে সেগুলোর ইসলামবিরোধী উদযাপন প্রক্রিয়া বাদ দিয়ে পালন করার মধ্যে দোষের কিছু নেই

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলা ভাষা এবং সংস্কৃতি বাংলাদেশি মুসলমানেরও। মুসলমানদের হাতেই এই অঞ্চলের বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির বিকাশ হয়েছিল। শুধুমাত্র পাকিস্তান পিরিয়ডে বাংলা ভাষা এবং সংস্কৃতিকে ইসলাম থেকে অনেকটা বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল। এটি ছিল বাঙালি জাতীয়তাবাদী রাজনীতি। বাংলাদেশ এখন স্বাধীন দেশ। বাঙালি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির এখানে এখন আর কোনো প্রয়োজন নেই। এই দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মুসলমান। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ এখন তার আইডেন্টিটি। বাংলাদেশের মুসলমানরা ইসলামের সীমানার মধ্যে বাংলা ভাষা এবং সংস্কৃতিকে ধারণ করবে, আত্মস্থ করবেএইটাই সঠিক রাজনীতি।