ঢাকা , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::

উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের মন্তব্য: “আন্দোলনের নামে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছে”

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:৩৯:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫
  • ৭৬৮ বার পড়া হয়েছে

 

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেন, “আমি মনে করি, যারা জুলাই মাসের গণআন্দোলনের সঙ্গে প্রকৃতভাবে যুক্ত ছিলেন, তারা আমার উপর কোনো আক্রমণ করেননি। বরং যারা এই আন্দোলনের আড়ালে উদ্দেশ্যমূলকভাবে পরিস্থিতি গোলমেলে করার চেষ্টা করেছেন, তারাই এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছেন।”

তিনি আরও জানান, আন্দোলনের প্রধান প্রতিনিধিদের সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী বৈঠকের পরিকল্পনা ছিল—গতকাল রাত, আজ রাত ও আগামীকাল সকালে। কিন্তু তারা কোনো বৈঠকেই অংশ নেননি। বরং কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়া কিছু অংশ হঠাৎ করে পুরান ঢাকা থেকে কাকরাইল পর্যন্ত শোভাযাত্রা করে, যা ছিল সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত।

মাহফুজ আলম বলেন, “আজ থেকে আমরা কঠোর অবস্থান নেব। যথেষ্ট সহনশীলতা দেখানো হয়েছে। এই ধরণের কর্মকাণ্ড আর বরদাস্ত করা হবে না। যেসব ব্যক্তি গোপনে এই পরিস্থিতি তৈরি করেছে, শিক্ষার্থীদের উচিত তাদের আলাদা করে চিহ্নিত করা এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করা।”

তিনি দাবি করেন, “আমি আজ এখানে আসার পর লক্ষ্য করি, একটি নির্দিষ্ট অংশ আগে থেকেই বিভিন্ন স্থানে ঢুকে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করেছে। আমি কারও নাম বলছি না, তবে প্রশাসন ও সংবাদমাধ্যমের দায়িত্ব—তাদের রাজনৈতিক যোগসূত্র খুঁজে বের করা।”

তিনি বলেন, গত আট মাস ধরে একটি গোষ্ঠী তার বিরুদ্ধে নেতিবাচক মানসিকতা পোষণ করে আসছে, এবং আজকের ঘটনাও সেই ধারাবাহিকতার অংশ হতে পারে। “আমি কেবল সন্দেহ প্রকাশ করছি,” বলেন তিনি।

আন্দোলনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, “যখন শিক্ষক বা শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামেন, তখন প্রথমে তাদের সঙ্গে সংলাপের চেষ্টা করা উচিত। সরাসরি কোনো রকম চাপ প্রয়োগ করা উচিত নয়। এটি জাতীয়ভাবে একটি স্পর্শকাতর বিষয়।”

তিনি জানান, আজকের ঘটনায় কয়েকজন শিক্ষক আহত হয়েছেন, যা নিয়ে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, “আপনাদের দাবি যদি ন্যায্য হয়, সরকার শুনতে এবং কথা বলতে প্রস্তুত।”

তিনি বলেন, “আমি আজকে প্রায় ৩০ মিটার দূরত্বে গিয়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছি। কিন্তু তারা সেই সম্মান দেখাতে পারেনি। আমরা চাই, সরকার যেন প্রমাণ করতে পারে যে সে সবাইকে শোনার এবং যৌক্তিক সমাধানের চেষ্টা করে।”

আলোচনার পথ খোলা রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “শাহবাগ বা কাকরাইলের পথে নামার আগে যেন ছাত্ররা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সংলাপের পথে অগ্রাধিকার দেয়। আলোচনার মাধ্যমেই বহু জটিলতা দূর করা সম্ভব।”

সবশেষে মাহফুজ আলম জানান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সংকটের বিষয়টি ড. ম_হা_ম্ম_দ ইউ_নূ_সসহ সংশ্লিষ্ট মহলে জানানো হয়েছে। দ্বিতীয় ক্যাম্পাস স্থাপন দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আলোচনা চলবে।


এই রূপান্তরটি যথাসম্ভব পরিস্কার ও গ্রহণযোগ্য রাখার চেষ্টা করা হয়েছে যাতে তা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করা নিরাপদ হয়। চাইলে আমি এটি আরও সংক্ষিপ্ত বা আরও আনুষ্ঠানিক ভাষায় রূপান্তর করে দিতে পারি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দৌলতদিয়ায় বড় দুর্ঘটনা, পদ্মা নদীতে যাত্রীবাহী বাস

উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের মন্তব্য: “আন্দোলনের নামে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছে”

আপডেট সময় ০৫:৩৯:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫

 

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেন, “আমি মনে করি, যারা জুলাই মাসের গণআন্দোলনের সঙ্গে প্রকৃতভাবে যুক্ত ছিলেন, তারা আমার উপর কোনো আক্রমণ করেননি। বরং যারা এই আন্দোলনের আড়ালে উদ্দেশ্যমূলকভাবে পরিস্থিতি গোলমেলে করার চেষ্টা করেছেন, তারাই এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছেন।”

তিনি আরও জানান, আন্দোলনের প্রধান প্রতিনিধিদের সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী বৈঠকের পরিকল্পনা ছিল—গতকাল রাত, আজ রাত ও আগামীকাল সকালে। কিন্তু তারা কোনো বৈঠকেই অংশ নেননি। বরং কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়া কিছু অংশ হঠাৎ করে পুরান ঢাকা থেকে কাকরাইল পর্যন্ত শোভাযাত্রা করে, যা ছিল সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত।

মাহফুজ আলম বলেন, “আজ থেকে আমরা কঠোর অবস্থান নেব। যথেষ্ট সহনশীলতা দেখানো হয়েছে। এই ধরণের কর্মকাণ্ড আর বরদাস্ত করা হবে না। যেসব ব্যক্তি গোপনে এই পরিস্থিতি তৈরি করেছে, শিক্ষার্থীদের উচিত তাদের আলাদা করে চিহ্নিত করা এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করা।”

তিনি দাবি করেন, “আমি আজ এখানে আসার পর লক্ষ্য করি, একটি নির্দিষ্ট অংশ আগে থেকেই বিভিন্ন স্থানে ঢুকে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করেছে। আমি কারও নাম বলছি না, তবে প্রশাসন ও সংবাদমাধ্যমের দায়িত্ব—তাদের রাজনৈতিক যোগসূত্র খুঁজে বের করা।”

তিনি বলেন, গত আট মাস ধরে একটি গোষ্ঠী তার বিরুদ্ধে নেতিবাচক মানসিকতা পোষণ করে আসছে, এবং আজকের ঘটনাও সেই ধারাবাহিকতার অংশ হতে পারে। “আমি কেবল সন্দেহ প্রকাশ করছি,” বলেন তিনি।

আন্দোলনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, “যখন শিক্ষক বা শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামেন, তখন প্রথমে তাদের সঙ্গে সংলাপের চেষ্টা করা উচিত। সরাসরি কোনো রকম চাপ প্রয়োগ করা উচিত নয়। এটি জাতীয়ভাবে একটি স্পর্শকাতর বিষয়।”

তিনি জানান, আজকের ঘটনায় কয়েকজন শিক্ষক আহত হয়েছেন, যা নিয়ে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, “আপনাদের দাবি যদি ন্যায্য হয়, সরকার শুনতে এবং কথা বলতে প্রস্তুত।”

তিনি বলেন, “আমি আজকে প্রায় ৩০ মিটার দূরত্বে গিয়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছি। কিন্তু তারা সেই সম্মান দেখাতে পারেনি। আমরা চাই, সরকার যেন প্রমাণ করতে পারে যে সে সবাইকে শোনার এবং যৌক্তিক সমাধানের চেষ্টা করে।”

আলোচনার পথ খোলা রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “শাহবাগ বা কাকরাইলের পথে নামার আগে যেন ছাত্ররা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সংলাপের পথে অগ্রাধিকার দেয়। আলোচনার মাধ্যমেই বহু জটিলতা দূর করা সম্ভব।”

সবশেষে মাহফুজ আলম জানান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সংকটের বিষয়টি ড. ম_হা_ম্ম_দ ইউ_নূ_সসহ সংশ্লিষ্ট মহলে জানানো হয়েছে। দ্বিতীয় ক্যাম্পাস স্থাপন দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আলোচনা চলবে।


এই রূপান্তরটি যথাসম্ভব পরিস্কার ও গ্রহণযোগ্য রাখার চেষ্টা করা হয়েছে যাতে তা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করা নিরাপদ হয়। চাইলে আমি এটি আরও সংক্ষিপ্ত বা আরও আনুষ্ঠানিক ভাষায় রূপান্তর করে দিতে পারি।