শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে এক শিক্ষার্থীর আবেগঘন অভিজ্ঞতা তাকে নাড়া দিয়েছে। তিনি জানান, ‘লিসা’ নামে এক শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে।
বুধবার (১৫ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ ঘটনা তুলে ধরেন।
মন্ত্রী বলেন, “সুন্দর পরিবেশে আমরা পুরস্কার বিতরণ করছিলাম। হঠাৎ একটি ছোট্ট মেয়ে এলো, নাম লিসা। সে এসে বলল, ‘প্রধানমন্ত্রী, আপনাকে দেখার ইচ্ছে আমার অনেক ছোটবেলা থেকেই। আজ সেই দিন এসেছে, আমি খুব খুশি।’ এরপরই সে কান্না শুরু করে দেয়।”
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী মেয়েটিকে কান্নার কারণ জিজ্ঞাসা করলে লিসা জানায়, “আমার আব্বা বিএনপি করতেন, সেই কারণে অত্যাচারিত হয়েছেন। যার কারণে আমরা অত্যাচারিত হয়েছি, আজ তার কাছ থেকেই আমি পুরস্কার পেলাম।”
এ ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, অতীতের বিভাজন ভুলে নতুন প্রজন্মকে সঙ্গে নিয়ে আগামীর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। তিনি দাবি করেন, এ লক্ষ্যেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন প্রজন্মের শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে নানা উদ্যোগ নিয়েছেন।
মন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় ‘নতুন কুঁড়ি’, শিশু পার্ক, একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদকের মতো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। পরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময়ও গুণীজনদের সম্মান জানানোর ধারা অব্যাহত ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এছাড়া শিক্ষাখাতে বাজেট বৃদ্ধি, ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি এবং মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালুর উদ্যোগের কথাও তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে যুগোপযোগী শিক্ষা দিয়ে দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।

ডেস্ক রিপোর্ট 

























