ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
২০২৭ সালের মধ্যে বসিলা ও রায়েরবাজারে হবে আলাদা থানা: ববি হাজ্জাজ অতিরিক্ত যাত্রী, বড় ঢেউ; জিম্বাবুয়েতে ফেরি দুর্ঘটনায় নিহত ৪৪ বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা নারী, যুবলীগ কর্মী গ্রেফতার বিএনপির পতন হলে আপনারা সরকার চালাতে পারবেন?-প্রশ্ন রাশেদ খানের বালুর ঘাটে ইজারাদারের কর্মীকে ইউএনওর মারধর তুরস্কে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত অন্যতম শীর্ষ অনলাইন ক্যাসিনো এজেন্ট লিপুর বাগানবাড়িতে ডিবির অভিযান সরকারের অপরিকল্পিত সিদ্ধান্ত দেশকে সংকটে ফেলেছে, ১৫ দফা প্রস্তাব নাহিদের সকল প্রশংসা আল্লাহর, মধ্যপ্রাচ্যের অত্যাচারী ইরান আর নেই: ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘ ১০ বছরের প্রেমের পর অবশেষে বিয়ের বন্ধনে রোনালদো-জর্জিনা

‘বাবা বিএনপি করতেন, তবু প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার পেয়ে কেঁদে ফেলল লিসা’— গণশিক্ষামন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:১৫:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
  • ১০৬ বার পড়া হয়েছে

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে এক শিক্ষার্থীর আবেগঘন অভিজ্ঞতা তাকে নাড়া দিয়েছে। তিনি জানান, ‘লিসা’ নামে এক শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে।

বুধবার (১৫ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ ঘটনা তুলে ধরেন।

মন্ত্রী বলেন, “সুন্দর পরিবেশে আমরা পুরস্কার বিতরণ করছিলাম। হঠাৎ একটি ছোট্ট মেয়ে এলো, নাম লিসা। সে এসে বলল, ‘প্রধানমন্ত্রী, আপনাকে দেখার ইচ্ছে আমার অনেক ছোটবেলা থেকেই। আজ সেই দিন এসেছে, আমি খুব খুশি।’ এরপরই সে কান্না শুরু করে দেয়।”

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী মেয়েটিকে কান্নার কারণ জিজ্ঞাসা করলে লিসা জানায়, “আমার আব্বা বিএনপি করতেন, সেই কারণে অত্যাচারিত হয়েছেন। যার কারণে আমরা অত্যাচারিত হয়েছি, আজ তার কাছ থেকেই আমি পুরস্কার পেলাম।”

এ ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, অতীতের বিভাজন ভুলে নতুন প্রজন্মকে সঙ্গে নিয়ে আগামীর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। তিনি দাবি করেন, এ লক্ষ্যেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন প্রজন্মের শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে নানা উদ্যোগ নিয়েছেন।

মন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় ‘নতুন কুঁড়ি’, শিশু পার্ক, একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদকের মতো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। পরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময়ও গুণীজনদের সম্মান জানানোর ধারা অব্যাহত ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এছাড়া শিক্ষাখাতে বাজেট বৃদ্ধি, ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি এবং মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালুর উদ্যোগের কথাও তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে যুগোপযোগী শিক্ষা দিয়ে দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৭ সালের মধ্যে বসিলা ও রায়েরবাজারে হবে আলাদা থানা: ববি হাজ্জাজ

‘বাবা বিএনপি করতেন, তবু প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার পেয়ে কেঁদে ফেলল লিসা’— গণশিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:১৫:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে এক শিক্ষার্থীর আবেগঘন অভিজ্ঞতা তাকে নাড়া দিয়েছে। তিনি জানান, ‘লিসা’ নামে এক শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে।

বুধবার (১৫ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ ঘটনা তুলে ধরেন।

মন্ত্রী বলেন, “সুন্দর পরিবেশে আমরা পুরস্কার বিতরণ করছিলাম। হঠাৎ একটি ছোট্ট মেয়ে এলো, নাম লিসা। সে এসে বলল, ‘প্রধানমন্ত্রী, আপনাকে দেখার ইচ্ছে আমার অনেক ছোটবেলা থেকেই। আজ সেই দিন এসেছে, আমি খুব খুশি।’ এরপরই সে কান্না শুরু করে দেয়।”

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী মেয়েটিকে কান্নার কারণ জিজ্ঞাসা করলে লিসা জানায়, “আমার আব্বা বিএনপি করতেন, সেই কারণে অত্যাচারিত হয়েছেন। যার কারণে আমরা অত্যাচারিত হয়েছি, আজ তার কাছ থেকেই আমি পুরস্কার পেলাম।”

এ ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, অতীতের বিভাজন ভুলে নতুন প্রজন্মকে সঙ্গে নিয়ে আগামীর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। তিনি দাবি করেন, এ লক্ষ্যেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন প্রজন্মের শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে নানা উদ্যোগ নিয়েছেন।

মন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় ‘নতুন কুঁড়ি’, শিশু পার্ক, একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদকের মতো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। পরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময়ও গুণীজনদের সম্মান জানানোর ধারা অব্যাহত ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এছাড়া শিক্ষাখাতে বাজেট বৃদ্ধি, ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি এবং মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালুর উদ্যোগের কথাও তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে যুগোপযোগী শিক্ষা দিয়ে দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।