বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাড়ে তিন লাখ শিক্ষক বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতিতে রয়েছেন। রোববার থেকে ঢাকার রাজপথে অবস্থান করছেন তারা, যেখানে পুলিশের লাঠিপেটারেও শিকার হয়েছেন। শিক্ষা ক্যাডারের অসন্তোষও প্রকাশ পেয়েছে; গতকাল সব সরকারি কলেজে সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালিত হয়েছে, যার কারণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত হয়েছে।
এছাড়া দেশের সাড়ে ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ১১তম গ্রেডের দাবিতে শুক্রবার থেকে আমরণ অনশনের ঘোষণা দিয়েছেন। সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও কলেজের শিক্ষকদের আন্দোলনের কারণে সব শ্রেণিতে ক্লাস বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা সিলেবাস শেষ করতে পারছে না।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিক্ষকদের দাবি না মেনে বারবার আন্দোলনে নামায় শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ১৫ মাসেও শিক্ষা খাতে কোনো গতি দেখা যায়নি। প্রশাসনিক জটিলতা, সিদ্ধান্তহীনতা ও দুর্নীতির কারণে শিক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল অবস্থায় রয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 

























