একজন শিক্ষক তার ছাত্রদের দুই দলে ভাগ করেছিলেন—মনোযোগী ও উদাসীন। সব ছাত্র একসঙ্গে বসানো হলে মনোযোগী ছাত্রদের পড়াশোনার একাগ্রতা ভেঙে যায়। এই সাধারণ ঘটনার মধ্যেই নিহিত আছে ইসলামের এক গভীর শিক্ষা: মানুষের চরিত্র ও আমল অনেকাংশেই তার সঙ্গ ও পরিবেশের ওপর নির্ভর করে।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
“মানুষ তার বন্ধুর আদর্শে গড়ে উঠে। তাই বন্ধু নির্বাচন করতে সাবধান হতে হবে।” (তিরমিজি ২৩৭৮)
নবী (সা.) আরও বলেছেন:
“মুমিন ছাড়া অন্য কাউকে বন্ধু বানাবে না এবং তোমার খাদ্য আল্লাহভীরু লোক ছাড়া যেন অন্য কেউ না খায়।” (তিরমিজি ২৩৯৫)
এছাড়া, বন্ধুত্বের আগে পরিচয় জানার গুরুত্বও হাদিসে উল্লেখ আছে।
“যখন কোনো মানুষ ভ্রাতৃত্ব স্থাপন করে, সে যেন তার নাম, পিতার নাম এবং গোত্র সম্পর্কে জেনে নেয়।” (তিরমিজি, মিশকাত ৫০২০)
সুগন্ধি বা পোড়া গন্ধের মতোই, ভালো বা খারাপ সঙ্গ ধীরে ধীরে মানুষের চরিত্রে প্রভাব ফেলে। তাই ইসলাম শিক্ষা দেয়—
- ভালো মানুষদের সঙ্গে চলাফেরা করতে
- নেক পরিবেশে নিজেকে রাখতে
- ঈমান ও চরিত্র দুর্বল করে এমন সঙ্গ থেকে দূরে থাকতে
যেমন আল্লাহ তাআলা বলেন:
“যারা তাদের রবকে ডাকে— তাদের সঙ্গেই নিজেকে ধরে রাখো।” (সুরা কাহফ: আয়াত ২৮)
উপসংহার: ভালো থাকা শুধু যথেষ্ট নয়; ভালো থাকতে হলে সচেতনভাবে ভালো পরিবেশ ও ভালো সঙ্গ বেছে নিতে হয়।

ডেস্ক রিপোর্ট 



















