ঢাকা , শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ভিআইপি গ্যালারিতে থাকছেন ট্রাম্প, আর্জেন্টিনা-স্পেনের প্রধানরা থাকছেন কি? ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ বললেন যুক্তরাজ্যের হবু প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম ক্যান্টনমেন্টের স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পেয়ে নাহিদ এক দফার ঘোষণা করেছিল: রাশেদ খান আইনমন্ত্রীর পরিচয়ে প্রতারণা করতেন আতিয়ার দাবানলের ধোঁয়ায় ফাইনালের আগে নিউইয়র্কে বায়ুদূষণ সতর্কতা ভারতের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্পর্শকাতর তথ্য ডার্ক ওয়েবে ফাস চুয়াডাঙ্গায় বাল্যবিয়ের আয়োজনে প্রশাসনের হানা, কনের মাকে জরিমানা লেবার পার্টির নেতা নির্বাচিত হলেন যুক্তরাজ্যের হবু প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোজাফফরের বিচার অন্য আসামিদের মতোই হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেক্সিকোতে ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা

জামায়াত-বিএনপির সঙ্গ ছাড়তে হেফাজতের আল্টিমেটাম

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:০০:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
  • ৮৩ বার পড়া হয়েছে

কওমি ঘরানার রাজনৈতিক দলগুলোকে এক প্ল্যাটফর্মে আনার উদ্যোগ নিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে আগামী ৩ আগস্টের মধ্যে দলগুলোর বর্তমান অবস্থান ও ভবিষ্যৎ করণীয় বিষয়ে লিখিত মতামত জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির জামেয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজত আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠকে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, নেজামে ইসলাম পার্টি, ইসলামী ঐক্যজোট, খেলাফত আন্দোলন, খেলাফত মজলিস ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শীর্ষ নেতারা অংশ নেন। সভায় কওমি ধারার দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার বিষয়ে নীতিগত ঐকমত্য হয়।

হেফাজত-সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, নির্বাচনে কওমি ঘরানার দলগুলো জামায়াত, বিএনপি ও স্বতন্ত্র— বিভিন্ন বলয়ে বিভক্ত হওয়ায় সংগঠনের মধ্যে বিভাজন তৈরি হয়েছে। সেই বিভাজন কাটিয়ে একটি অভিন্ন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গঠনের লক্ষ্যেই নেওয়া হয়েছে এই উদ্যোগ।

সূত্রের দাবি, নতুন প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হতে হলে সংশ্লিষ্ট দলগুলোকে বর্তমান রাজনৈতিক জোট বা বলয় থেকে বেরিয়ে আসার বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে। এ কারণে বিষয়টিকে জামায়াত ও বিএনপির সঙ্গে থাকা দলগুলোর প্রতি এক ধরনের বার্তা হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।

হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মীর ইদ্রিস জানান, বিভিন্ন রাজনৈতিক বলয়ে বিভক্তির কারণে তৃণমূল পর্যায়ে বিরোধ তৈরি হয়েছিল। মতামত সংগ্রহের পর পরবর্তী বৈঠকে নতুন রাজনৈতিক জোটের রূপরেখা চূড়ান্ত করা হবে। ভবিষ্যতে স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনে সমন্বিত কৌশল এবং একক প্রার্থী দেওয়ার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভিআইপি গ্যালারিতে থাকছেন ট্রাম্প, আর্জেন্টিনা-স্পেনের প্রধানরা থাকছেন কি?

জামায়াত-বিএনপির সঙ্গ ছাড়তে হেফাজতের আল্টিমেটাম

আপডেট সময় ০৩:০০:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

কওমি ঘরানার রাজনৈতিক দলগুলোকে এক প্ল্যাটফর্মে আনার উদ্যোগ নিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে আগামী ৩ আগস্টের মধ্যে দলগুলোর বর্তমান অবস্থান ও ভবিষ্যৎ করণীয় বিষয়ে লিখিত মতামত জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির জামেয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজত আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠকে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, নেজামে ইসলাম পার্টি, ইসলামী ঐক্যজোট, খেলাফত আন্দোলন, খেলাফত মজলিস ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শীর্ষ নেতারা অংশ নেন। সভায় কওমি ধারার দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার বিষয়ে নীতিগত ঐকমত্য হয়।

হেফাজত-সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, নির্বাচনে কওমি ঘরানার দলগুলো জামায়াত, বিএনপি ও স্বতন্ত্র— বিভিন্ন বলয়ে বিভক্ত হওয়ায় সংগঠনের মধ্যে বিভাজন তৈরি হয়েছে। সেই বিভাজন কাটিয়ে একটি অভিন্ন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গঠনের লক্ষ্যেই নেওয়া হয়েছে এই উদ্যোগ।

সূত্রের দাবি, নতুন প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হতে হলে সংশ্লিষ্ট দলগুলোকে বর্তমান রাজনৈতিক জোট বা বলয় থেকে বেরিয়ে আসার বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে। এ কারণে বিষয়টিকে জামায়াত ও বিএনপির সঙ্গে থাকা দলগুলোর প্রতি এক ধরনের বার্তা হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।

হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মীর ইদ্রিস জানান, বিভিন্ন রাজনৈতিক বলয়ে বিভক্তির কারণে তৃণমূল পর্যায়ে বিরোধ তৈরি হয়েছিল। মতামত সংগ্রহের পর পরবর্তী বৈঠকে নতুন রাজনৈতিক জোটের রূপরেখা চূড়ান্ত করা হবে। ভবিষ্যতে স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনে সমন্বিত কৌশল এবং একক প্রার্থী দেওয়ার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।