ঢাকা , রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
অপরাধী গ্রেপ্তার না হলে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধের ঘোষণা জাকসুর সিলেট সীমান্তে কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ করলো বিজিবি রাঙামাটিতে গাড়ির কিউআর কোড স্ক্যান করলেই মিলবে চালকের সব তথ্য অন্যায় দেখলে ইস্পাতের মতো কঠিন হবো: জামায়াত আমীর হবিগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাবা-ছেলের সাতটি পাসপোর্টসহ সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি আটক পশ্চিমবঙ্গে যারা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিচ্ছে তাদের ছাড়া হবে না: শুভেন্দু ‘গুপ্ত গুপ্ত’ স্লোগান ব্যঙ্গ করে প্রচারণায় শিবির, সেলফিতে মাতলেন নবীন শিক্ষার্থীরা আমরা শুধু আছি ভারতকে নিয়ে আর ভারত আছে আমাদের নিয়ে: ফজলুর রহমান ফ্যামিলি কার্ডের তালিকা নিয়ে অসন্তোষ ডেপুটি স্পিকার

প্রধান উপদেষ্টা লন্ডনে গিয়ে সিজদার মাধ্যমে নির্বাচনের ওহি পেয়েছেন: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:২৭:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫
  • ৪২১ বার পড়া হয়েছে

এবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, “বাংলাদেশের মানুষ আপনার চোখে পড়ে না। আপনি লন্ডনে গিয়ে সিজদা দিয়েছেন। সিজদার মাধ্যমে আদেশ পেয়েছেন এবং সেখানে একটি প্রেস কনফারেন্সে জানিয়েছেন, বাংলাদেশে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হতে হবে। তবে কোন সংবিধানের অধীনে তা ঠিক হয়নি। আপনার সিজদা দিতে হবে বাংলাদেশের জনগণের প্রতি।”

গতকাল শনিবার (১৬ আগস্ট) রাজধানীর বাংলামোটরে অনুষ্ঠিত ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণপরিষদ নির্বাচন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এদিকে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও বলেন, “বর্তমান বাংলাদেশের সংকট নিরসনের একমাত্র সমাধান হলো গণপরিষদ নির্বাচন।” তিনি বিভিন্ন দেশের গণপরিষদ নির্বাচনের উদাহরণ তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, “জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ১৭ এপ্রিল একটি সামরিক ফরমান জারি করেছিলেন, যেখানে বলা হয়েছিল বাংলাদেশে একটি গণপরিষদ গঠন করা যায় কি না। এটি গ্যাজেটেড ফরমান।”

এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক বলেন, “দেশ যদি স্থিতিশীল হয়, তাহলে আমাদেরও একটি সংবিধান দিতে হবে। যদি আপনি দিতে না পারেন, তাহলে আপনার বৈধতাও থাকবে না। কারণ আপনি যে সংবিধানের ১০৬ এর মাধ্যমে ক্ষমতায় রয়েছেন, সেই বৈধতা রাখার জন্য আপনাকে অনেক কষ্ট করতে হবে।”

পাটওয়ারী আরো বলেন, “বাংলাদেশের জনগণের মধ্য থেকে আমরা লড়াই চালিয়ে যাব। এক চুলও ছাড়ব না। ভয় দেখানো হচ্ছে, ‘তোমাদেরকে মেরে ফেলব’। আমরা তো মরে গেছি, কীভাবে মারবেন? যদি মারেন, তখন আপনিও মরে যাবেন, কারণ মৃত মানুষের কবরে ঢুকে মারতে গেলে আপনিও কবরে পড়বেন।” তিনি সমাপনী বক্তব্যে যোগ করেন, “নতুন যুদ্ধ শুরু হয়েছে। সেই যুদ্ধের মাধ্যমে একটি নতুন সংবিধান তৈরি করতে হবে। এ লড়াইয়ে আপনারা সক্রিয়ভাবে যোগ দিন।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অপরাধী গ্রেপ্তার না হলে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধের ঘোষণা জাকসুর

প্রধান উপদেষ্টা লন্ডনে গিয়ে সিজদার মাধ্যমে নির্বাচনের ওহি পেয়েছেন: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

আপডেট সময় ০২:২৭:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫

এবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, “বাংলাদেশের মানুষ আপনার চোখে পড়ে না। আপনি লন্ডনে গিয়ে সিজদা দিয়েছেন। সিজদার মাধ্যমে আদেশ পেয়েছেন এবং সেখানে একটি প্রেস কনফারেন্সে জানিয়েছেন, বাংলাদেশে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হতে হবে। তবে কোন সংবিধানের অধীনে তা ঠিক হয়নি। আপনার সিজদা দিতে হবে বাংলাদেশের জনগণের প্রতি।”

গতকাল শনিবার (১৬ আগস্ট) রাজধানীর বাংলামোটরে অনুষ্ঠিত ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণপরিষদ নির্বাচন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এদিকে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও বলেন, “বর্তমান বাংলাদেশের সংকট নিরসনের একমাত্র সমাধান হলো গণপরিষদ নির্বাচন।” তিনি বিভিন্ন দেশের গণপরিষদ নির্বাচনের উদাহরণ তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, “জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ১৭ এপ্রিল একটি সামরিক ফরমান জারি করেছিলেন, যেখানে বলা হয়েছিল বাংলাদেশে একটি গণপরিষদ গঠন করা যায় কি না। এটি গ্যাজেটেড ফরমান।”

এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক বলেন, “দেশ যদি স্থিতিশীল হয়, তাহলে আমাদেরও একটি সংবিধান দিতে হবে। যদি আপনি দিতে না পারেন, তাহলে আপনার বৈধতাও থাকবে না। কারণ আপনি যে সংবিধানের ১০৬ এর মাধ্যমে ক্ষমতায় রয়েছেন, সেই বৈধতা রাখার জন্য আপনাকে অনেক কষ্ট করতে হবে।”

পাটওয়ারী আরো বলেন, “বাংলাদেশের জনগণের মধ্য থেকে আমরা লড়াই চালিয়ে যাব। এক চুলও ছাড়ব না। ভয় দেখানো হচ্ছে, ‘তোমাদেরকে মেরে ফেলব’। আমরা তো মরে গেছি, কীভাবে মারবেন? যদি মারেন, তখন আপনিও মরে যাবেন, কারণ মৃত মানুষের কবরে ঢুকে মারতে গেলে আপনিও কবরে পড়বেন।” তিনি সমাপনী বক্তব্যে যোগ করেন, “নতুন যুদ্ধ শুরু হয়েছে। সেই যুদ্ধের মাধ্যমে একটি নতুন সংবিধান তৈরি করতে হবে। এ লড়াইয়ে আপনারা সক্রিয়ভাবে যোগ দিন।”