ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় ঘটেছে এক মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড। উপজেলার বিটঘর ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামে বাল্যবন্ধু খাইরুল আমিন (২৪) কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যা করেছে উমর হাসান (২৩) নামের এক যুবককে। তবে পুলিশের দ্রুত অভিযানে মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যেই ঘাতককে গ্রেফতার করা হয়েছে।
নিহত উমর হাসান মহেশপুর গ্রামের মুরশিদ মিয়ার বাড়ির জাকির হোসেনের ছেলে। গ্রেফতারকৃত খাইরুল আমিন একই গ্রামের পশ্চিমপাড়ার চান মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শৈশব থেকেই উমর ও খাইরুল ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে তাদের সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয়। এর জের ধরে বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) রাত ২টার দিকে খাইরুল ঘরের ছিদ কেটে উমরের ঘরে প্রবেশ করে প্রথমে দা দিয়ে তার ঘাড় ও হাতে কোপ দেয়, পরে জবাই করে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালানোর চেষ্টা করে।
এ সময় নিহতের মা রাহেলা বেগম ছেলের ঘরে ঢুকে বাধা দিতে গেলে তাকেও কোপ মেরে আহত করে খাইরুল। খবর পেয়ে নবীনগর থানার ওসি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে দুই ঘণ্টার মধ্যে ঘাতককে গ্রেফতার করে।
ওসি শাহিনুর ইসলাম বলেন, “পূর্ব শত্রুতার জের ধরে খাইরুল উমরকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। আমরা দ্রুত অভিযানে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি।”
পুলিশ হত্যায় ব্যবহৃত ধারালো দাটিও উদ্ধার করেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 

























