ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আর কোনো জোটে যাওয়ার সুযোগ নেই: ফয়জুল করীম ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসককে মারধর, চিকিৎসা সেবা বন্ধ আজ বিশ্বকাপ দলে থাকা ক্রিকেটারদের সঙ্গে বসবেন ক্রীড়া উপদেষ্টা পাকিস্তানে মিলল তেল-গ্যাসের বিপুল মজুত বিড়ি খাওয়ার বক্তব্য দেওয়ায় জামায়াতের ২ কোটির মার্কেটিং হয়েছে: ড. ফয়জুল হক বিএনপিতে যোগ দিলেন আওয়ামী লীগের সাবেক প্রতিমন্ত্রী আবু সাইয়িদ ঢাকায় ফ্ল্যাটসহ নগদ কোটি টাকা পাচ্ছে শহীদ ওসমান হাদির পরিবার বিএনপি নেতাকর্মীরা ভোটারদের হুমকি-ধামকি দিচ্ছে: সারজিস জামায়াত নেতাকর্মীদের ওপর বেদনাদায়কভাবে হামলা চালিয়েছে বিএনপির লোকেরা: শফিকুর রহমান সব সাইজ হয়ে যাবে, ঢাকায় কোনো সিট দেব না: জামায়াত প্রার্থীর হুঙ্কার

কলকাতায় বিশৃঙ্খলার জন্য মেসিকেই দায়ী করলেন গাভাস্কার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৪১:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৮৬ বার পড়া হয়েছে

এবার ভারতের সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক সুনীল গাভাস্কার কলকাতায় আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির সাম্প্রতিক উপস্থিতিকে ঘিরে সৃষ্ট বিশৃঙ্খলার জন্য সরাসরি মেসিকেই দায়ী করেছেন। তার মতে, বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা ভক্তদের সঙ্গে করা প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছেন। গত ১৩ ডিসেম্বর লুইস সুয়ারেজ ও রদ্রিগো দি পলকে সঙ্গে নিয়ে মেসি কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে আসেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে এটি দুই ঘণ্টার একটি ফ্যান ইন্টারঅ্যাকশন হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল।

কিন্তু কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা ছাড়াই হঠাৎ করে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়ে যায়। এতে টিকিট কাটা হাজার হাজার সমর্থক হতাশ ও ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন। মেসি নির্ধারিত সময়ের আগেই চলে যাওয়ার পর ক্ষুব্ধ দর্শকেরা বোতল ছুড়ে মারেন এবং গ্যালারির গেট ভাঙার চেষ্টা করেন। অনেক সমর্থক অভিযোগ করেন, ভিআইপি ও রাজনীতিকেরা মেসির চারপাশে ভিড় করে তার পুরো সময়টাই নিজেদের দখলে রাখেন, ফলে সাধারণ দর্শকেরা তাকে এক ঝলকও দেখতে পাননি।

পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। পরে কলকাতা পুলিশ ট্যুরের আয়োজক শতদ্রু দত্তকে গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনার পর দায় মূলত রাজনীতিক ও ভিআইপিদের অতিরিক্ত উপস্থিতির ওপর চাপানো হলেও গাভাস্কার সেই ব্যাখ্যা মানতে নারাজ।

স্পোর্টস্টারে লেখা এক কলামে গাভাস্কার বলেন, যদি মেসি নির্দিষ্ট সময় থাকার ব্যাপারে সম্মত হয়ে আগেভাগেই অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করে থাকেন, তাহলে দায় তার এবং তার ঘনিষ্ঠ দলেরই। গাভাস্কারের ভাষায়, ‘সবাইকে দোষ দেওয়া হলো, কিন্তু যিনি নিজের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেননি, তাকে নয়।’ তিনি আরো লেখেন, চুক্তির শর্তাবলি প্রকাশ্যে না এলেও প্রতিশ্রুত সময়ের আগেই চলে গেলে তার দায় মেসি ও তার টিমের ওপরই বর্তায়।

নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে মেসির দ্রুত প্রস্থান করার যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে, সেটিও নাকচ করেন গাভাস্কার। তার মতে, মেসির প্রতি কোনো বাস্তব নিরাপত্তা হুমকি ছিল না। চাইলে তিনি মাঠের চারপাশে এক চক্কর দিতে পারতেন বা একটি পেনাল্টি শট নিতে পারতেন, এমন ছোট্ট একটি ইঙ্গিতই ভক্তদের সন্তুষ্ট করতে পারত।

গাভাস্কার লেখেন, ‘হ্যাঁ, তাঁর চারপাশে রাজনীতিক ও তথাকথিত ভিআইপিরা ছিল, কিন্তু মেসি বা তার সঙ্গীদের প্রতি কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি ছিল না।’ ৭৫ বছর বয়সী এই সাবেক ক্রিকেটার আয়োজকদের পক্ষেও কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, একই সফরে হায়দরাবাদ, মুম্বাই ও দিল্লিতে মেসির উপস্থিতি নির্বিঘ্নেই সম্পন্ন হয়েছে এবং সেখানে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা হয়নি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আর কোনো জোটে যাওয়ার সুযোগ নেই: ফয়জুল করীম

কলকাতায় বিশৃঙ্খলার জন্য মেসিকেই দায়ী করলেন গাভাস্কার

আপডেট সময় ১০:৪১:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

এবার ভারতের সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক সুনীল গাভাস্কার কলকাতায় আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির সাম্প্রতিক উপস্থিতিকে ঘিরে সৃষ্ট বিশৃঙ্খলার জন্য সরাসরি মেসিকেই দায়ী করেছেন। তার মতে, বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা ভক্তদের সঙ্গে করা প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছেন। গত ১৩ ডিসেম্বর লুইস সুয়ারেজ ও রদ্রিগো দি পলকে সঙ্গে নিয়ে মেসি কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে আসেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে এটি দুই ঘণ্টার একটি ফ্যান ইন্টারঅ্যাকশন হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল।

কিন্তু কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা ছাড়াই হঠাৎ করে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়ে যায়। এতে টিকিট কাটা হাজার হাজার সমর্থক হতাশ ও ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন। মেসি নির্ধারিত সময়ের আগেই চলে যাওয়ার পর ক্ষুব্ধ দর্শকেরা বোতল ছুড়ে মারেন এবং গ্যালারির গেট ভাঙার চেষ্টা করেন। অনেক সমর্থক অভিযোগ করেন, ভিআইপি ও রাজনীতিকেরা মেসির চারপাশে ভিড় করে তার পুরো সময়টাই নিজেদের দখলে রাখেন, ফলে সাধারণ দর্শকেরা তাকে এক ঝলকও দেখতে পাননি।

পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। পরে কলকাতা পুলিশ ট্যুরের আয়োজক শতদ্রু দত্তকে গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনার পর দায় মূলত রাজনীতিক ও ভিআইপিদের অতিরিক্ত উপস্থিতির ওপর চাপানো হলেও গাভাস্কার সেই ব্যাখ্যা মানতে নারাজ।

স্পোর্টস্টারে লেখা এক কলামে গাভাস্কার বলেন, যদি মেসি নির্দিষ্ট সময় থাকার ব্যাপারে সম্মত হয়ে আগেভাগেই অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করে থাকেন, তাহলে দায় তার এবং তার ঘনিষ্ঠ দলেরই। গাভাস্কারের ভাষায়, ‘সবাইকে দোষ দেওয়া হলো, কিন্তু যিনি নিজের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেননি, তাকে নয়।’ তিনি আরো লেখেন, চুক্তির শর্তাবলি প্রকাশ্যে না এলেও প্রতিশ্রুত সময়ের আগেই চলে গেলে তার দায় মেসি ও তার টিমের ওপরই বর্তায়।

নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে মেসির দ্রুত প্রস্থান করার যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে, সেটিও নাকচ করেন গাভাস্কার। তার মতে, মেসির প্রতি কোনো বাস্তব নিরাপত্তা হুমকি ছিল না। চাইলে তিনি মাঠের চারপাশে এক চক্কর দিতে পারতেন বা একটি পেনাল্টি শট নিতে পারতেন, এমন ছোট্ট একটি ইঙ্গিতই ভক্তদের সন্তুষ্ট করতে পারত।

গাভাস্কার লেখেন, ‘হ্যাঁ, তাঁর চারপাশে রাজনীতিক ও তথাকথিত ভিআইপিরা ছিল, কিন্তু মেসি বা তার সঙ্গীদের প্রতি কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি ছিল না।’ ৭৫ বছর বয়সী এই সাবেক ক্রিকেটার আয়োজকদের পক্ষেও কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, একই সফরে হায়দরাবাদ, মুম্বাই ও দিল্লিতে মেসির উপস্থিতি নির্বিঘ্নেই সম্পন্ন হয়েছে এবং সেখানে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা হয়নি।