ঢাকা , শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জামায়াতের ফেসবুক পেজে বিজয়ী ৩৮ প্রার্থীর নাম ৫০ কেন্দ্রে জামায়াত প্রার্থী ডা. তাহের বড় ব্যবধানে এগিয়ে ঢাকা-১০ আসনে ৪ কেন্দ্রের ফলে এগিয়ে বিএনপি যশোর-২ চৌগাছা ৬০ কেন্দ্রে জামায়াত এগিয়ে, ধানের শীষ পেছনে কুষ্টিয়া-৩ আসনে ৪৫ কেন্দ্রে এগিয়ে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মুফতি আমির হামজা নিজ কেন্দ্রে ৫ ভোটে পরাজিত জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান, জয়ী ধানের শীষের শফিকুল ইসলাম খান ধানের শীষে বিজয়ী নাসির উদ্দিন চৌধুরী, শুভেচ্ছা জানালেন জামায়াত প্রার্থী শিশির মনির ঝিনাইদহ-১ আসনে ধানের শীষে জয়ী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ঢাকা-১৫ আসনে ৩০ কেন্দ্রে এগিয়ে ডা. শফিকুর রহমান, দেশজুড়ে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ ভোটগ্রহণ ঢাকা-৬ আসনে তিন কেন্দ্রে এগিয়ে ইশরাক হোসেন, ধানের শীষে ২৮০০ ভোট

কনসার্টে ডাকসু নেতার ‘গোলামী না সংস্কার’ স্লোগানের বিপরীতে শিক্ষার্থীদের ‘যুক্তরাজ্যের চাকরি’ 

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৩২:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৭৬ বার পড়া হয়েছে

এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে আয়োজিত ‘কুয়াশার গান’ কনসার্টে ডাকসুর এক নেতার স্লোগানের বিপরীতে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের বিদ্রুপাত্মক স্লোগান দিতে দেখা গেছে। গতকাল শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে ‘স্পিরিটস অব জুলাই’ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর যৌথ আয়োজনে চলমান অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।

এদিকে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা জানান, কনসার্ট চলাকালে মঞ্চে ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুসাদ্দেক ইবনে আলী মোহাম্মদ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বিভিন্ন স্লোগান দিতে শুরু করেন। তবে তিনি যখন ‘কোটা না সংস্কার?’ স্লোগান দেন, তখন উপস্থিত শিক্ষার্থীদের একাংশ পাল্টা জবাব হিসেবে চিৎকার করে ‘কোটা, কোটা’ বলতে থাকেন। আবার অন্য একটি অংশকে ‘ইউরেনিয়াম, ইউরেনিয়াম’ বলে বিদ্রুপ করতে শোনা যায়।

একইভাবে মুসাদ্দেক যখন ‘গোলামী না সংস্কার?’ স্লোগান দেন, তখন নিচ থেকে শিক্ষার্থীরা ‘যুক্তরাজ্যের চাকরি’ বলে চিৎকার করেন। সবশেষে তিনি যখন ছাত্র আন্দোলনের পরিচিত স্লোগান ‘আমি কে তুমি কে?’ শুরু করেন, তখন শিক্ষার্থীরা ‘মুসাদ্দেক, মুসাদ্দেক’ বলে বিদ্রুপাত্মক ধ্বনি দিতে থাকেন।

কনসার্টে উপস্থিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের বিজয় একাত্তর হলের আবাসিক শিক্ষার্থী আব্দুল কাদের গণমাধ্যমকে বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা মূলত ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদকের ওপর বিরক্ত হয়েই এই বিদ্রুপাত্মক স্লোগানগুলো দিয়েছে।’ বিরক্তির কারণ জানতে চাইলে তিনি উল্লেখ করেন, বিভিন্ন সময়ে উক্ত ছাত্রনেতার বেশ কিছু বিতর্কিত বক্তব্য ও অবস্থানের কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তার প্রতি নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে।

‘এক্স ফোর্স প্রেজেন্টস কুয়াশার গান’ শীর্ষক এই সংগীতানুষ্ঠানটির পৃষ্ঠপোষকতায় ছিলো সিটি ব্যাংক। শীতকালীন এই সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজারো শিক্ষার্থী কনসার্টটি উপভোগ করতে উপস্থিত হয়েছিলেন। তবে অনাকাঙ্ক্ষিত এই স্লোগান-পাল্টা স্লোগানের বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াতের ফেসবুক পেজে বিজয়ী ৩৮ প্রার্থীর নাম

কনসার্টে ডাকসু নেতার ‘গোলামী না সংস্কার’ স্লোগানের বিপরীতে শিক্ষার্থীদের ‘যুক্তরাজ্যের চাকরি’ 

আপডেট সময় ০৯:৩২:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে আয়োজিত ‘কুয়াশার গান’ কনসার্টে ডাকসুর এক নেতার স্লোগানের বিপরীতে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের বিদ্রুপাত্মক স্লোগান দিতে দেখা গেছে। গতকাল শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে ‘স্পিরিটস অব জুলাই’ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর যৌথ আয়োজনে চলমান অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।

এদিকে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা জানান, কনসার্ট চলাকালে মঞ্চে ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুসাদ্দেক ইবনে আলী মোহাম্মদ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বিভিন্ন স্লোগান দিতে শুরু করেন। তবে তিনি যখন ‘কোটা না সংস্কার?’ স্লোগান দেন, তখন উপস্থিত শিক্ষার্থীদের একাংশ পাল্টা জবাব হিসেবে চিৎকার করে ‘কোটা, কোটা’ বলতে থাকেন। আবার অন্য একটি অংশকে ‘ইউরেনিয়াম, ইউরেনিয়াম’ বলে বিদ্রুপ করতে শোনা যায়।

একইভাবে মুসাদ্দেক যখন ‘গোলামী না সংস্কার?’ স্লোগান দেন, তখন নিচ থেকে শিক্ষার্থীরা ‘যুক্তরাজ্যের চাকরি’ বলে চিৎকার করেন। সবশেষে তিনি যখন ছাত্র আন্দোলনের পরিচিত স্লোগান ‘আমি কে তুমি কে?’ শুরু করেন, তখন শিক্ষার্থীরা ‘মুসাদ্দেক, মুসাদ্দেক’ বলে বিদ্রুপাত্মক ধ্বনি দিতে থাকেন।

কনসার্টে উপস্থিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের বিজয় একাত্তর হলের আবাসিক শিক্ষার্থী আব্দুল কাদের গণমাধ্যমকে বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা মূলত ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদকের ওপর বিরক্ত হয়েই এই বিদ্রুপাত্মক স্লোগানগুলো দিয়েছে।’ বিরক্তির কারণ জানতে চাইলে তিনি উল্লেখ করেন, বিভিন্ন সময়ে উক্ত ছাত্রনেতার বেশ কিছু বিতর্কিত বক্তব্য ও অবস্থানের কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তার প্রতি নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে।

‘এক্স ফোর্স প্রেজেন্টস কুয়াশার গান’ শীর্ষক এই সংগীতানুষ্ঠানটির পৃষ্ঠপোষকতায় ছিলো সিটি ব্যাংক। শীতকালীন এই সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজারো শিক্ষার্থী কনসার্টটি উপভোগ করতে উপস্থিত হয়েছিলেন। তবে অনাকাঙ্ক্ষিত এই স্লোগান-পাল্টা স্লোগানের বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ আলোচনা-সমালোচনা চলছে।