ঢাকা , শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নেতানিয়াহুর ভাষণ বর্জন করে কাসেম সোলাইমানির ছবি রেখে গেল ইরান আল্লাহর আইন যারা চায়, তাদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামী অগ্রগামী: জামায়াত আমির ইউক্রেনে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ইসরায়েলি কিশোরসহ নিহত ৫ সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক জিয়া মঞ্চের ’জিয়া’ গ্রেপ্তার ইয়াবা দিয়ে বাবা ও মেয়েকে ফাঁসাতে গিয়ে এসআই প্রত্যাহার তুরস্কের নারী প্রতিনিধিদলের সাথে জামায়াতের মতবিনিময় ও সেমিনার নরসিংদী শহরে মদের দোকান বন্ধের দাবি স্থানীয়দের, তালা দিল যুবদল-ছাত্রদল ভেরিফিকেশনের নামে মেধাবীদের হয়রানির দায় সরকারকেই নিতে হবে: জামায়াত টাঙ্গাইলে মাদক ব্যবসায়ির বাড়ি ভেঙে দিল এলাকাবাসী

কনসার্টে ডাকসু নেতার ‘গোলামী না সংস্কার’ স্লোগানের বিপরীতে শিক্ষার্থীদের ‘যুক্তরাজ্যের চাকরি’ 

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৩২:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২২৫ বার পড়া হয়েছে

এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে আয়োজিত ‘কুয়াশার গান’ কনসার্টে ডাকসুর এক নেতার স্লোগানের বিপরীতে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের বিদ্রুপাত্মক স্লোগান দিতে দেখা গেছে। গতকাল শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে ‘স্পিরিটস অব জুলাই’ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর যৌথ আয়োজনে চলমান অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।

এদিকে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা জানান, কনসার্ট চলাকালে মঞ্চে ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুসাদ্দেক ইবনে আলী মোহাম্মদ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বিভিন্ন স্লোগান দিতে শুরু করেন। তবে তিনি যখন ‘কোটা না সংস্কার?’ স্লোগান দেন, তখন উপস্থিত শিক্ষার্থীদের একাংশ পাল্টা জবাব হিসেবে চিৎকার করে ‘কোটা, কোটা’ বলতে থাকেন। আবার অন্য একটি অংশকে ‘ইউরেনিয়াম, ইউরেনিয়াম’ বলে বিদ্রুপ করতে শোনা যায়।

একইভাবে মুসাদ্দেক যখন ‘গোলামী না সংস্কার?’ স্লোগান দেন, তখন নিচ থেকে শিক্ষার্থীরা ‘যুক্তরাজ্যের চাকরি’ বলে চিৎকার করেন। সবশেষে তিনি যখন ছাত্র আন্দোলনের পরিচিত স্লোগান ‘আমি কে তুমি কে?’ শুরু করেন, তখন শিক্ষার্থীরা ‘মুসাদ্দেক, মুসাদ্দেক’ বলে বিদ্রুপাত্মক ধ্বনি দিতে থাকেন।

কনসার্টে উপস্থিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের বিজয় একাত্তর হলের আবাসিক শিক্ষার্থী আব্দুল কাদের গণমাধ্যমকে বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা মূলত ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদকের ওপর বিরক্ত হয়েই এই বিদ্রুপাত্মক স্লোগানগুলো দিয়েছে।’ বিরক্তির কারণ জানতে চাইলে তিনি উল্লেখ করেন, বিভিন্ন সময়ে উক্ত ছাত্রনেতার বেশ কিছু বিতর্কিত বক্তব্য ও অবস্থানের কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তার প্রতি নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে।

‘এক্স ফোর্স প্রেজেন্টস কুয়াশার গান’ শীর্ষক এই সংগীতানুষ্ঠানটির পৃষ্ঠপোষকতায় ছিলো সিটি ব্যাংক। শীতকালীন এই সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজারো শিক্ষার্থী কনসার্টটি উপভোগ করতে উপস্থিত হয়েছিলেন। তবে অনাকাঙ্ক্ষিত এই স্লোগান-পাল্টা স্লোগানের বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নেতানিয়াহুর ভাষণ বর্জন করে কাসেম সোলাইমানির ছবি রেখে গেল ইরান

কনসার্টে ডাকসু নেতার ‘গোলামী না সংস্কার’ স্লোগানের বিপরীতে শিক্ষার্থীদের ‘যুক্তরাজ্যের চাকরি’ 

আপডেট সময় ০৯:৩২:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে আয়োজিত ‘কুয়াশার গান’ কনসার্টে ডাকসুর এক নেতার স্লোগানের বিপরীতে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের বিদ্রুপাত্মক স্লোগান দিতে দেখা গেছে। গতকাল শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে ‘স্পিরিটস অব জুলাই’ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর যৌথ আয়োজনে চলমান অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।

এদিকে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা জানান, কনসার্ট চলাকালে মঞ্চে ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুসাদ্দেক ইবনে আলী মোহাম্মদ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বিভিন্ন স্লোগান দিতে শুরু করেন। তবে তিনি যখন ‘কোটা না সংস্কার?’ স্লোগান দেন, তখন উপস্থিত শিক্ষার্থীদের একাংশ পাল্টা জবাব হিসেবে চিৎকার করে ‘কোটা, কোটা’ বলতে থাকেন। আবার অন্য একটি অংশকে ‘ইউরেনিয়াম, ইউরেনিয়াম’ বলে বিদ্রুপ করতে শোনা যায়।

একইভাবে মুসাদ্দেক যখন ‘গোলামী না সংস্কার?’ স্লোগান দেন, তখন নিচ থেকে শিক্ষার্থীরা ‘যুক্তরাজ্যের চাকরি’ বলে চিৎকার করেন। সবশেষে তিনি যখন ছাত্র আন্দোলনের পরিচিত স্লোগান ‘আমি কে তুমি কে?’ শুরু করেন, তখন শিক্ষার্থীরা ‘মুসাদ্দেক, মুসাদ্দেক’ বলে বিদ্রুপাত্মক ধ্বনি দিতে থাকেন।

কনসার্টে উপস্থিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের বিজয় একাত্তর হলের আবাসিক শিক্ষার্থী আব্দুল কাদের গণমাধ্যমকে বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা মূলত ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদকের ওপর বিরক্ত হয়েই এই বিদ্রুপাত্মক স্লোগানগুলো দিয়েছে।’ বিরক্তির কারণ জানতে চাইলে তিনি উল্লেখ করেন, বিভিন্ন সময়ে উক্ত ছাত্রনেতার বেশ কিছু বিতর্কিত বক্তব্য ও অবস্থানের কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তার প্রতি নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে।

‘এক্স ফোর্স প্রেজেন্টস কুয়াশার গান’ শীর্ষক এই সংগীতানুষ্ঠানটির পৃষ্ঠপোষকতায় ছিলো সিটি ব্যাংক। শীতকালীন এই সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজারো শিক্ষার্থী কনসার্টটি উপভোগ করতে উপস্থিত হয়েছিলেন। তবে অনাকাঙ্ক্ষিত এই স্লোগান-পাল্টা স্লোগানের বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ আলোচনা-সমালোচনা চলছে।