ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২১ ঘণ্টা পর মুচলেকায় মুক্তি পেলেন সেই মাহাদী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৪৭:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতিকালে আটক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা সদস্য সচিব মাহদী হাসানসহ তিনজনকে প্রায় ২১ ঘণ্টা পর মুচলেকায় মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা থেকে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়। মুক্তি পাওয়া অন্য দুজন হলেন মীর্জা সুমন ও রাজু।

জানা গেছে, অসহনীয় লোডশেডিং, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, গ্যাস সংকট এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ‘সর্বস্তরের ছাত্র-জনতা’র ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তারা।

সোমবার বিকেল ৫টার দিকে মিছিলের প্রস্তুতিকালে পুলিশ মাহদী হাসানসহ তিনজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। দীর্ঘ সময় তারা থানায় থাকায় বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয় আন্দোলনকর্মীদের মধ্যে।

আটকের খবর পেয়ে তাদের বিষয়ে খোঁজ নিতে ঢাকা থেকে হবিগঞ্জে আসেন জাতীয় নারীশক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্য ও এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব ফারজানা আহমেদ।

এরপর মঙ্গলবার দুপুরে প্রায় ২১ ঘণ্টা পর মুচলেকায় তিনজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা হয়েছে কি না কিংবা এত সময় থানায় রাখার কারণ কী—এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি জাহিদুর হক কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এদিকে, তাদের আটকের পর থানায় অবস্থান করা সাংবাদিকদের সঙ্গে পুলিশের অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ ওঠে। সাংবাদিকদের থানা থেকে বের করে দেওয়ার পর তারা গেটে অবস্থান নিলে সেখানে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়।

তিনজনের মুক্তির পর বিক্ষোভ কর্মসূচি নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত কী হবে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

২১ ঘণ্টা পর মুচলেকায় মুক্তি পেলেন সেই মাহাদী

আপডেট সময় ০৪:৪৭:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

হবিগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতিকালে আটক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা সদস্য সচিব মাহদী হাসানসহ তিনজনকে প্রায় ২১ ঘণ্টা পর মুচলেকায় মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা থেকে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়। মুক্তি পাওয়া অন্য দুজন হলেন মীর্জা সুমন ও রাজু।

জানা গেছে, অসহনীয় লোডশেডিং, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, গ্যাস সংকট এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ‘সর্বস্তরের ছাত্র-জনতা’র ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তারা।

সোমবার বিকেল ৫টার দিকে মিছিলের প্রস্তুতিকালে পুলিশ মাহদী হাসানসহ তিনজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। দীর্ঘ সময় তারা থানায় থাকায় বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয় আন্দোলনকর্মীদের মধ্যে।

আটকের খবর পেয়ে তাদের বিষয়ে খোঁজ নিতে ঢাকা থেকে হবিগঞ্জে আসেন জাতীয় নারীশক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্য ও এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব ফারজানা আহমেদ।

এরপর মঙ্গলবার দুপুরে প্রায় ২১ ঘণ্টা পর মুচলেকায় তিনজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা হয়েছে কি না কিংবা এত সময় থানায় রাখার কারণ কী—এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি জাহিদুর হক কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এদিকে, তাদের আটকের পর থানায় অবস্থান করা সাংবাদিকদের সঙ্গে পুলিশের অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ ওঠে। সাংবাদিকদের থানা থেকে বের করে দেওয়ার পর তারা গেটে অবস্থান নিলে সেখানে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়।

তিনজনের মুক্তির পর বিক্ষোভ কর্মসূচি নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত কী হবে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।