ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন শনাক্ত ও জরিমানা আদায়ে চালু হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তিনির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’। এখন থেকে নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রম, উল্টো পথে চলাচল, ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং ও অবৈধ পার্কিংসহ বিভিন্ন অপরাধ শনাক্ত হবে ক্যামেরায়।
মঙ্গলবার সকালে নারায়ণগঞ্জের মেঘনাঘাট হাইওয়ে মনিটরিং সেন্টার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিস্টেমের উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থানে মোট ১ হাজার ৪২৭টি এআই ও সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
কোনো যানবাহন ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করলে ক্যামেরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে তা শনাক্ত করবে। পরে গাড়ির নিবন্ধিত মালিকের মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে মামলার তথ্য ও জরিমানার বিষয়টি জানানো হবে। নির্ধারিত মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে জরিমানার অর্থ পরিশোধের সুযোগও থাকবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এতে আইন প্রয়োগে পুলিশের সঙ্গে চালক বা মালিকের সরাসরি যোগাযোগ কমবে। ফলে বাড়বে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি, কমবে অনিয়মের সুযোগ।
হাইওয়ে পুলিশের দাবি, প্রযুক্তিনির্ভর এই ব্যবস্থা মহাসড়কে ট্রাফিক শৃঙ্খলা ফেরানোর পাশাপাশি সড়ক দুর্ঘটনা কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ডেস্ক রিপোর্ট 




















