ঢাকা , মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই ৩ দাবি মানলে ঢাকা শহরে আর ককটেল ফুটবে না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী একজন অপদার্থকে বিদ্যুৎমন্ত্রী বানিয়ে রাখা হয়েছে: জামায়াত আমির পড়তে-লিখতে জানেন না, শুনে শুনে ৭১ বছরে পুরো কোরআন হিফজ! সিঙ্গাপুরের ৬১তম জাতীয় দিবস উপলক্ষে সংবর্ধনায় জামায়াত নেতারা জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি নাহিদ ইসলামের ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিখোঁজের ২ দিন পর শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার বিশ্ববাজারে তৃতীয় দফায় তেলের দামে বড় পতন মোহনপুরে বিধবা নারীকে মারধরের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জে মসজিদে সোফা বসিয়ে সংসদ সদস্যের সভা

ভারতে বাংলাভাষীদের বিতাড়ন করা হচ্ছে, অথচ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে দিল্লিতে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে: মমতা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:২১:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫
  • ৬১৮ বার পড়া হয়েছে

এবার ভারতে বাংলাভাষী হওয়ায় লোকজনকে ধরে নির্যাতন ও সীমান্ত পার করে দেওয়ার সমালোচনা করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বাংলা ভাষায় কথা বললে বিভিন্ন রাজ্য থেকে বিতাড়ন করা হচ্ছে। অথচ দেশের কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিবেশী দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে বহাল তবিয়তে রেখেছে নয়াদিল্লিতে।

গতকাল শুক্রবার নিউ টাউনের ‘সুসম্পন্ন’ বহুতল পার্কিং কমপ্লেক্স উদ্বোধন শেষে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ভারতের বিজেপি সরকারকে উদ্দেশ্য করে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে এসব কথা বলেন তিনি। তবে বক্তব্যের কোনো পর্যায়ে শেখ হাসিনা বা মোদির নাম উচ্চারণ করেননি মমতা ।

শুধু বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণে অনেক মানুষকে ভারত থেকে অবৈধভাবে সীমান্ত পার করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হলেও শেখ হাসিনা ও তার দল আওয়ামী লীগের বহু নেতাকর্মীকে আশ্রয় দেওয়ায় এই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশি আখ্যা দিয়ে ভিন রাজ্য থেকে নির্যাতন করা হচ্ছে, তাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। অথচ প্রতিবেশী দেশে সাংবিধানিক সংকট দেখা দেওয়ায় সে দেশের প্রধানমন্ত্রীকে দিল্লিতে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। এরপরও আমরা কোনোদিন কিছু বলেছি? বাংলায় কথা বললে বাংলাদেশি বলা হচ্ছে। ১৭ লাখ রোহিঙ্গা আছে কোথায় দেখান? রাজনীতি করলে নিজের মন ঠিক করতে হবে। কে তুমি হরিদাস পাল।’

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলায় দেড় কোটি বাইরের লোক কাজ করে, আমরা তো কোনোদিন কিছু বলি না। বাংলা ভাষায় কথা বললেই বাংলাদেশি । অথচ, বাংলা এশিয়ায় দ্বিতীয় ভাষা, আর পৃথিবীতে পঞ্চমÑ এটা স্মরণ রাখতে হবে।’

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হন বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । এরপর ভারতের মোদি সরকার নয়াদিল্লিতে তাকে আশ্রয় দেয়। তার সঙ্গে আওয়ামী লীগের বহু নেতাকর্মীও আছেন ভারতে। মেঘালয়, আসাম, কোচবিহার, ঘোজাডাঙ্গা, গেদে, হিলি, উত্তর চব্বিশ পরগনা, মালদা, বনগাঁ, বসিরহাট সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে বহু আওয়ামী লীগ নেতা ভারতে আশ্রয় নেন। শেখ হাসিনার নাম না করলেও মূলত এই বিষয়টি বোঝাতে চেয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই

ভারতে বাংলাভাষীদের বিতাড়ন করা হচ্ছে, অথচ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে দিল্লিতে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে: মমতা

আপডেট সময় ১১:২১:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫

এবার ভারতে বাংলাভাষী হওয়ায় লোকজনকে ধরে নির্যাতন ও সীমান্ত পার করে দেওয়ার সমালোচনা করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বাংলা ভাষায় কথা বললে বিভিন্ন রাজ্য থেকে বিতাড়ন করা হচ্ছে। অথচ দেশের কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিবেশী দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে বহাল তবিয়তে রেখেছে নয়াদিল্লিতে।

গতকাল শুক্রবার নিউ টাউনের ‘সুসম্পন্ন’ বহুতল পার্কিং কমপ্লেক্স উদ্বোধন শেষে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ভারতের বিজেপি সরকারকে উদ্দেশ্য করে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে এসব কথা বলেন তিনি। তবে বক্তব্যের কোনো পর্যায়ে শেখ হাসিনা বা মোদির নাম উচ্চারণ করেননি মমতা ।

শুধু বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণে অনেক মানুষকে ভারত থেকে অবৈধভাবে সীমান্ত পার করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হলেও শেখ হাসিনা ও তার দল আওয়ামী লীগের বহু নেতাকর্মীকে আশ্রয় দেওয়ায় এই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশি আখ্যা দিয়ে ভিন রাজ্য থেকে নির্যাতন করা হচ্ছে, তাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। অথচ প্রতিবেশী দেশে সাংবিধানিক সংকট দেখা দেওয়ায় সে দেশের প্রধানমন্ত্রীকে দিল্লিতে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। এরপরও আমরা কোনোদিন কিছু বলেছি? বাংলায় কথা বললে বাংলাদেশি বলা হচ্ছে। ১৭ লাখ রোহিঙ্গা আছে কোথায় দেখান? রাজনীতি করলে নিজের মন ঠিক করতে হবে। কে তুমি হরিদাস পাল।’

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলায় দেড় কোটি বাইরের লোক কাজ করে, আমরা তো কোনোদিন কিছু বলি না। বাংলা ভাষায় কথা বললেই বাংলাদেশি । অথচ, বাংলা এশিয়ায় দ্বিতীয় ভাষা, আর পৃথিবীতে পঞ্চমÑ এটা স্মরণ রাখতে হবে।’

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হন বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । এরপর ভারতের মোদি সরকার নয়াদিল্লিতে তাকে আশ্রয় দেয়। তার সঙ্গে আওয়ামী লীগের বহু নেতাকর্মীও আছেন ভারতে। মেঘালয়, আসাম, কোচবিহার, ঘোজাডাঙ্গা, গেদে, হিলি, উত্তর চব্বিশ পরগনা, মালদা, বনগাঁ, বসিরহাট সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে বহু আওয়ামী লীগ নেতা ভারতে আশ্রয় নেন। শেখ হাসিনার নাম না করলেও মূলত এই বিষয়টি বোঝাতে চেয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।