ঢাকা , শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিদ্যুৎ পরিস্থিতির আপডেট দিয়ে উল্টো বিপদে সেই সুমন মাদারীপুরে মহিলা মাদ্রাসায় বোমা বিস্ফোরণ, ৪ শিক্ষার্থী আহত ধানমন্ডি ৩২-এ ফুল দিতে গিয়ে যুবলীগ কর্মী আটক অর্থের অভাবে চিকিৎসা থেকে কেউ বঞ্চিত হবে না: প্রধানমন্ত্রী রিজভীর স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া বিজ্ঞপ্তি, নেতাকর্মীদের সতর্ক করল বিএনপি অক্টোবরে ৫ বিশেষায়িত ‍শিশু হাসপাতাল চালু করা হবে : প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসে বেলুচিস্তানে পুলিশমন্ত্রীর গাড়িবহরে হামলা নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের ৫০০ শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ৭.৭ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া রোববার কিশোরগঞ্জে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, শেষ মুহূর্তে চলছে জোর প্রস্তুতি

বিশ্বকাপ সম্প্রচারে ২০২২ সালে ১৪০ কোটির দুর্নীতি, এবারে খরচ প্রায় শূন্য: তথ্যমন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:০৭:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • ১১২ বার পড়া হয়েছে

বিগত শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ ফুটবলের সম্প্রচারস্বত্ব কেনা ও সম্প্রচার প্রক্রিয়ায় প্রায় ১৪০ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে বিভাগীয় তদন্ত চলছে এবং তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তা দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠানো হবে। রোববার (১৯ জুলাই) সচিবালয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবল সম্প্রচার নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ২০২২ সালে ৩ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলারে ফিফার কাছ থেকে সম্প্রচারস্বত্ব কেনা হলেও মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে প্রায় ১৪০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। তার ভাষায়, ফিফাকে পুরো অর্থ পরিশোধের পরও অতিরিক্ত অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে এ অনিয়ম সংঘটিত হয়।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের সময়ে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছিলেন, বিশ্বকাপ সম্প্রচারে জনগণের অর্থ ব্যয় করা যাবে না। সেই নির্দেশনা অনুসরণ করে ২০২৬ বিশ্বকাপের সম্প্রচারস্বত্ব ৩ দশমিক ৮৫ মিলিয়ন ডলারে কেনা হয়েছে এবং দেশের চারটি গণমাধ্যমের মাধ্যমে সফলভাবে খেলা সম্প্রচার করা হয়েছে।

তথ্যমন্ত্রীর দাবি, এবারের পুরো আয়োজন শেষে ৩ থেকে ৪ কোটি টাকার সামান্য ঘাটতি থাকতে পারে, যা বিজ্ঞাপন থেকে অর্জিত আয়ে পূরণ হয়ে যাবে। ফলে সরকারি তহবিল থেকে প্রায় কোনো অর্থই ব্যয় করতে হয়নি। সাবেক সরকারের সময়ের অনিয়মের বিষয়ে তিনি বলেন, বিটিভির মাধ্যমে সংঘটিত বলে অভিযোগ ওঠা ১৪০ কোটি টাকার দুর্নীতির ঘটনায় বিভাগীয় তদন্ত চলছে। তদন্তের আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর তা পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠানো হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আইন তার নিজস্ব গতিতেই চলবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিদ্যুৎ পরিস্থিতির আপডেট দিয়ে উল্টো বিপদে সেই সুমন

বিশ্বকাপ সম্প্রচারে ২০২২ সালে ১৪০ কোটির দুর্নীতি, এবারে খরচ প্রায় শূন্য: তথ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০২:০৭:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

বিগত শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ ফুটবলের সম্প্রচারস্বত্ব কেনা ও সম্প্রচার প্রক্রিয়ায় প্রায় ১৪০ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে বিভাগীয় তদন্ত চলছে এবং তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তা দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠানো হবে। রোববার (১৯ জুলাই) সচিবালয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবল সম্প্রচার নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ২০২২ সালে ৩ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলারে ফিফার কাছ থেকে সম্প্রচারস্বত্ব কেনা হলেও মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে প্রায় ১৪০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। তার ভাষায়, ফিফাকে পুরো অর্থ পরিশোধের পরও অতিরিক্ত অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে এ অনিয়ম সংঘটিত হয়।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের সময়ে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছিলেন, বিশ্বকাপ সম্প্রচারে জনগণের অর্থ ব্যয় করা যাবে না। সেই নির্দেশনা অনুসরণ করে ২০২৬ বিশ্বকাপের সম্প্রচারস্বত্ব ৩ দশমিক ৮৫ মিলিয়ন ডলারে কেনা হয়েছে এবং দেশের চারটি গণমাধ্যমের মাধ্যমে সফলভাবে খেলা সম্প্রচার করা হয়েছে।

তথ্যমন্ত্রীর দাবি, এবারের পুরো আয়োজন শেষে ৩ থেকে ৪ কোটি টাকার সামান্য ঘাটতি থাকতে পারে, যা বিজ্ঞাপন থেকে অর্জিত আয়ে পূরণ হয়ে যাবে। ফলে সরকারি তহবিল থেকে প্রায় কোনো অর্থই ব্যয় করতে হয়নি। সাবেক সরকারের সময়ের অনিয়মের বিষয়ে তিনি বলেন, বিটিভির মাধ্যমে সংঘটিত বলে অভিযোগ ওঠা ১৪০ কোটি টাকার দুর্নীতির ঘটনায় বিভাগীয় তদন্ত চলছে। তদন্তের আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর তা পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠানো হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আইন তার নিজস্ব গতিতেই চলবে।