রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. ইউসুফের বিরুদ্ধে নিয়োগে ফলাফল জালিয়াতির প্রমাণ মিলেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদনের ভিত্তিতে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড নিশ্চিত করেছে, তার জমা দেওয়া এইচএসসির ফলাফল প্রকৃত রেকর্ডের সঙ্গে মেলেনি।
শর্ত অনুযায়ী নিয়োগের জন্য এসএসসি বা এইচএসসিতে অন্তত জিপিএ ৪ থাকা প্রয়োজন ছিল। অথচ ইউসুফ এসএসসিতে পেয়েছিলেন ৩.৫০ এবং এইচএসসিতে প্রকৃত ফলাফলে ২.৯০, যা তিনি বাড়িয়ে দেখিয়েছেন ৩.০১। তদন্ত কমিটির যাচাইতেও এই জালিয়াতির প্রমাণ মিলেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রভাষক পদের বিজ্ঞপ্তিতে একটি স্থায়ী পদ উল্লেখ থাকলেও কৌশলে সেটি পরিবর্তন করে তিনজনকে সুপারিশ করা হয় এবং সিন্ডিকেটের আপত্তি সত্ত্বেও ইউসুফ হাইকোর্টের রায়ের মাধ্যমে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. শওকাত আলী বলেন, তিনজন শিক্ষকের নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত চলছে। ইউসুফ বিষয়টি নিয়ে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছেন এবং সেটি ৯০ দিন স্থগিত রাখার নির্দেশ এসেছে। তাই কমিটির পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না।
সুত্রঃ সময় টিভি

ডেস্ক রিপোর্ট 
























