ঢাকা , সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
এবার যাত্রী না নামিয়ে কোনো বাস ফেরীতে উঠতে পারবে না: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী এবার বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিতে জমি দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ! ইসরায়েলকে সাহায্যকারী যেকোনো আরব রাষ্ট্রের পরিণতি হবে ভয়াবহ: মোহসেন রেজাই হামের আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ছাড়ালো ৫০ হাজার মোনামি ‘ফুল টাইম পেইড এজেন্ট’ হিসেবে কাজ করেছেন: কাদের যমুনা সেতু আমরা করেছি, পদ্মা সেতুর উদ্যোগও আমরাই নিয়েছিলাম: সড়কমন্ত্রী সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেবো: ধর্মমন্ত্রী মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই বাংলাদেশ সীমান্ত নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর হামে প্রাণ হারানো শিশুদের নিয়ে সাকিবের আবেগঘন বার্তা পাকিস্তানের সঙ্গে জ্ঞান বিনিময় আমাদের জন্য খুবই ভালো হবে: শিক্ষামন্ত্রী

সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে এডিপি প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৫৮:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৭২ বার পড়া হয়েছে

সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে এডিপি প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ

এক মেশিনের দাম ইউএনও বলছে ৫৫ হাজার আর ক্রয় রশিদে দেখানো হয়েছে ৮১ হাজার টাকা

সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

“উপজেলা পরিষদের নৌকা মেরামত, প্রিন্টার ও মনিটর সরবরাহ” প্রকল্পের জন্য ১ লাখ ৯৪ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু অনুসন্ধানে দেখা যায়, ইঞ্জিনচালিত নৌকাটিতে মেরামতের কোনো কাজই করা হয়নি। উপজেলার জোতপাড়া ঘাটে উঠিয়ে অযত্নে ফেলে রাখা হয়েছে গত জুন মাস থেকে। এছাড়াও উপজেলা পরিষদে নতুন কোনো প্রিন্টার বা মনিটর সরবরাহের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবুও প্রকল্পের সম্পূর্ণ অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, নৌকা মেরামত পারপাস ৫৫ হাজার টাকা দিয়ে একটি মেশিন কেনা হয়েছে। এদিকে প্রকল্পের ক্রয় রশিদে দেখানো হয়েছে, ডিজেল ইঞ্জিন (১৬এইচপি হরাইজন্টাল ৪ স্ট্রোক) ৮১ হাজার টাকা। ফলে ক্রয় রশিদ ও ইউএনও’র বক্তব্যে বড় ধরনের অসঙ্গতি দেখা দিয়েছে।

ক্রয় রশিদে আরও দেখা যায় এইচপি লেজার জেট প্রো ৪০৪ প্রিন্টার ৫৬ হাজার, নামহীন কালার প্রিন্টার ৩৩ হাজার এবং ২১.৫ ইঞ্চি নামহীন মনিটর ২১ হাজার টাকায় কেনা হয়েছে যা বাজার দরের চেয়ে অনেকাংশে বেশি বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

অনুসন্ধানে উঠে আসে ইউএনও অফিসের হিসাব সহকারী মো. আশরাফুল ইসলাম এর মাধ্যমে ইউএনও মো. মোস্তাফিজুর রহমান, নির্দিষ্ট কিছু ইউপি সদস্য ও ইউপি চেয়ারম্যানকে প্রকল্পের সভাপতি নির্বাচন করেন এবং তাদের কাছ থেকে বিভিন্নভাবে অগ্রীম ব্যাংক একাউন্টের ব্লাংক চেক নিয়ে রাখেন। তারপর নিজেরাই প্রকল্পের কাজ করেন এবং অর্থ উত্তোলন করেন।

প্রকল্প সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান জানান, “ আমি জানি যে, স্যার কাজ করবে তাই ব্যাংক চেক দিতে দ্বিধা করিনি। জানতাম উনি ভালো মানুষ। শুনলাম প্রিন্টার ও মনিটর অফিসে আছে।” এদিকে ইউএনও দাবি করেন, প্রিন্টার ও মনিটর কেনা হয়েছে এবং বিতরণও করা হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

এবার যাত্রী না নামিয়ে কোনো বাস ফেরীতে উঠতে পারবে না: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী

সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে এডিপি প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট সময় ০৩:৫৮:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫

সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে এডিপি প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ

এক মেশিনের দাম ইউএনও বলছে ৫৫ হাজার আর ক্রয় রশিদে দেখানো হয়েছে ৮১ হাজার টাকা

সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

“উপজেলা পরিষদের নৌকা মেরামত, প্রিন্টার ও মনিটর সরবরাহ” প্রকল্পের জন্য ১ লাখ ৯৪ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু অনুসন্ধানে দেখা যায়, ইঞ্জিনচালিত নৌকাটিতে মেরামতের কোনো কাজই করা হয়নি। উপজেলার জোতপাড়া ঘাটে উঠিয়ে অযত্নে ফেলে রাখা হয়েছে গত জুন মাস থেকে। এছাড়াও উপজেলা পরিষদে নতুন কোনো প্রিন্টার বা মনিটর সরবরাহের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবুও প্রকল্পের সম্পূর্ণ অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, নৌকা মেরামত পারপাস ৫৫ হাজার টাকা দিয়ে একটি মেশিন কেনা হয়েছে। এদিকে প্রকল্পের ক্রয় রশিদে দেখানো হয়েছে, ডিজেল ইঞ্জিন (১৬এইচপি হরাইজন্টাল ৪ স্ট্রোক) ৮১ হাজার টাকা। ফলে ক্রয় রশিদ ও ইউএনও’র বক্তব্যে বড় ধরনের অসঙ্গতি দেখা দিয়েছে।

ক্রয় রশিদে আরও দেখা যায় এইচপি লেজার জেট প্রো ৪০৪ প্রিন্টার ৫৬ হাজার, নামহীন কালার প্রিন্টার ৩৩ হাজার এবং ২১.৫ ইঞ্চি নামহীন মনিটর ২১ হাজার টাকায় কেনা হয়েছে যা বাজার দরের চেয়ে অনেকাংশে বেশি বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

অনুসন্ধানে উঠে আসে ইউএনও অফিসের হিসাব সহকারী মো. আশরাফুল ইসলাম এর মাধ্যমে ইউএনও মো. মোস্তাফিজুর রহমান, নির্দিষ্ট কিছু ইউপি সদস্য ও ইউপি চেয়ারম্যানকে প্রকল্পের সভাপতি নির্বাচন করেন এবং তাদের কাছ থেকে বিভিন্নভাবে অগ্রীম ব্যাংক একাউন্টের ব্লাংক চেক নিয়ে রাখেন। তারপর নিজেরাই প্রকল্পের কাজ করেন এবং অর্থ উত্তোলন করেন।

প্রকল্প সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান জানান, “ আমি জানি যে, স্যার কাজ করবে তাই ব্যাংক চেক দিতে দ্বিধা করিনি। জানতাম উনি ভালো মানুষ। শুনলাম প্রিন্টার ও মনিটর অফিসে আছে।” এদিকে ইউএনও দাবি করেন, প্রিন্টার ও মনিটর কেনা হয়েছে এবং বিতরণও করা হয়েছে।