প্রায় আড়াই বছর পর চাঞ্চল্যকর মরিয়ম হত্যা মামলার রায় দিয়েছেন আদালত। চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী মরিয়ম খাতুনকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে একমাত্র আসামি আবুল হোসেন ওরফে ফটিককে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোক্তাগীর আলম আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আবুল হোসেনকে দুই লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ২১ ডিসেম্বর জীবননগর উপজেলার গোয়ালপাড়া গ্রামের ১০ বছর বয়সী মরিয়ম খাতুন বাড়ির পাশের মাঠে শাক তুলতে যায়। এ সময় শাক তুলে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাকে একটি ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে যায় আবুল হোসেন। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।
ঘটনার তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। গ্রেপ্তারের পর আসামি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন।
মামলায় ৩১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এম এম শাহজাহান মুকুল বলেন, অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় আদালতের এই রায়ে বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছে।
বহুল আলোচিত এই মামলার রায়ের মাধ্যমে শিশু নির্যাতন ও নারী-শিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতার ঘটনায় দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা আবারও সামনে এসেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 



















