ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘সংসার চালাব, নাকি আইনজীবীর খরচ দেব’, ট্রাইব্যুনালে কাঁদলেন বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা ‘বিশ্বকাপ ফাইনালে কিছু একটা ঘটেছিল’, বিশেষ ভিডিওতে মুখ খুললো আর্জেন্টিনা চার কার্গোর প্রতিশ্রুতি, আসেনি একটিও ইরানকে সমর্থন করলেই অর্থনৈতিক পরিণতি ভোগ করতে হবে মহাখালী থেকে চুরি হওয়া বাস মিরপুর থেকে উদ্ধার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের অপেক্ষায় দিল্লি: দীনেশ ত্রিবেদী রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হয়েও ভোট দিতে পারছেন না অলি আহমদ ২২ আগস্ট থেকে শুরু কলেরার টিকা, পাবেন যারা বিশ্বকাপের পর ‘জঘন্য প্রচারণা’ ছড়ানো ব্যক্তিদের সমালোচনা করলেন আর্জেন্টিনা ফুটবলের সভাপতি সংসদ সদস্যরা নিজ দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভোট দেবেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরানকে সমর্থন করলেই অর্থনৈতিক পরিণতি ভোগ করতে হবে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:০৮:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

ইরানকে যেকোনো ধরনের সহায়তা বা ‘লাইফলাইন’ দেওয়া দেশগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইসরাইলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের শুরু করা দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের অবসানের পথ খোঁজার পাশাপাশি ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়ানোর বার্তা দিয়েছেন তিনি। ট্রাম্পের এই হুমকির আওতায় ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও আর্থিক সম্পর্ক রাখা দেশগুলোও পড়তে পারে।

বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, কোনো দেশ তার আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা, বিমানবন্দর কিংবা সরকারি সংস্থার মাধ্যমে ইরানকে সহায়তা করলে সেই দেশকে ‘ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতি’র মুখোমুখি হতে হবে। তবে ঠিক কী ধরনের নিষেধাজ্ঞা বা ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা বিস্তারিত জানাননি তিনি।

এদিকে যুদ্ধের কারণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে হরমুজ প্রণালি। যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের বাণিজ্যিকভাবে পরিবাহিত তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে যাতায়াত করত। ফলে প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হতে পারে।

এরই মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও আর্থিক লেনদেন স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে। দেশটির দাবি, ইরান থেকে ছোড়া দুটি ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করা হয়েছিল। তবে তেহরান এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।

এদিকে ইরানের তেল রপ্তানির বড় অংশের ক্রেতা চীন। ফলে ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে গিয়ে চীনের বিরুদ্ধেও নতুন অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে যুক্তরাষ্ট্রকে পাল্টা প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়তে হতে পারে।

অন্যদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার উপদেষ্টা মোহাম্মদ মোখবের জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে সংলাপে এখনও প্রস্তুত তেহরান। তবে সামরিক চাপ বা নিষেধাজ্ঞার কাছে আত্মসমর্পণ করবে না ইরান।

এদিকে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে কোনো আলোচনা চলছে না। যদিও তার জামাতা ও বিশেষ দূত জ্যারেড কুশনার জানিয়েছেন, তেহরানের সঙ্গে আলোচনা এখনও চলছে এবং তা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে জোরালো পর্যায়ে রয়েছে।

ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পাশাপাশি দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচিতে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে নতুন একটি চুক্তি করতে চান ট্রাম্প। তবে তেহরান বরাবরই দাবি করে আসছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ এবং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কোনো উদ্দেশ্য তাদের নেই।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘সংসার চালাব, নাকি আইনজীবীর খরচ দেব’, ট্রাইব্যুনালে কাঁদলেন বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা

ইরানকে সমর্থন করলেই অর্থনৈতিক পরিণতি ভোগ করতে হবে

আপডেট সময় ০৪:০৮:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

ইরানকে যেকোনো ধরনের সহায়তা বা ‘লাইফলাইন’ দেওয়া দেশগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইসরাইলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের শুরু করা দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের অবসানের পথ খোঁজার পাশাপাশি ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়ানোর বার্তা দিয়েছেন তিনি। ট্রাম্পের এই হুমকির আওতায় ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও আর্থিক সম্পর্ক রাখা দেশগুলোও পড়তে পারে।

বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, কোনো দেশ তার আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা, বিমানবন্দর কিংবা সরকারি সংস্থার মাধ্যমে ইরানকে সহায়তা করলে সেই দেশকে ‘ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতি’র মুখোমুখি হতে হবে। তবে ঠিক কী ধরনের নিষেধাজ্ঞা বা ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা বিস্তারিত জানাননি তিনি।

এদিকে যুদ্ধের কারণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে হরমুজ প্রণালি। যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের বাণিজ্যিকভাবে পরিবাহিত তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে যাতায়াত করত। ফলে প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হতে পারে।

এরই মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও আর্থিক লেনদেন স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে। দেশটির দাবি, ইরান থেকে ছোড়া দুটি ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করা হয়েছিল। তবে তেহরান এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।

এদিকে ইরানের তেল রপ্তানির বড় অংশের ক্রেতা চীন। ফলে ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে গিয়ে চীনের বিরুদ্ধেও নতুন অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে যুক্তরাষ্ট্রকে পাল্টা প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়তে হতে পারে।

অন্যদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার উপদেষ্টা মোহাম্মদ মোখবের জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে সংলাপে এখনও প্রস্তুত তেহরান। তবে সামরিক চাপ বা নিষেধাজ্ঞার কাছে আত্মসমর্পণ করবে না ইরান।

এদিকে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে কোনো আলোচনা চলছে না। যদিও তার জামাতা ও বিশেষ দূত জ্যারেড কুশনার জানিয়েছেন, তেহরানের সঙ্গে আলোচনা এখনও চলছে এবং তা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে জোরালো পর্যায়ে রয়েছে।

ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পাশাপাশি দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচিতে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে নতুন একটি চুক্তি করতে চান ট্রাম্প। তবে তেহরান বরাবরই দাবি করে আসছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ এবং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কোনো উদ্দেশ্য তাদের নেই।