ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
লক্ষ্মীপুরে এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৭০০ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ‘সংসার চালাব, নাকি আইনজীবীর খরচ দেব’, ট্রাইব্যুনালে কাঁদলেন বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা ‘বিশ্বকাপ ফাইনালে কিছু একটা ঘটেছিল’, বিশেষ ভিডিওতে মুখ খুললো আর্জেন্টিনা চার কার্গোর প্রতিশ্রুতি, আসেনি একটিও ইরানকে সমর্থন করলেই অর্থনৈতিক পরিণতি ভোগ করতে হবে মহাখালী থেকে চুরি হওয়া বাস মিরপুর থেকে উদ্ধার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের অপেক্ষায় দিল্লি: দীনেশ ত্রিবেদী রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হয়েও ভোট দিতে পারছেন না অলি আহমদ ২২ আগস্ট থেকে শুরু কলেরার টিকা, পাবেন যারা বিশ্বকাপের পর ‘জঘন্য প্রচারণা’ ছড়ানো ব্যক্তিদের সমালোচনা করলেন আর্জেন্টিনা ফুটবলের সভাপতি

‘সংসার চালাব, নাকি আইনজীবীর খরচ দেব’, ট্রাইব্যুনালে কাঁদলেন বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৪৮:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

নিজের আর্থিক সংকটের কথা তুলে ধরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন বিজিবির কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম। ঘনঘন শুনানির তারিখ নির্ধারণ হওয়ায় আইনজীবীর ফি পরিশোধ করা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর একক বেঞ্চে মামলার শুনানির সময় এ ঘটনা ঘটে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় ২৮ জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি রেদোয়ানুল।

এদিন মামলার ১২ নম্বর সাক্ষী রাতুল হাসান জবানবন্দি দেন। পরে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাকে জেরা করেন।

জেরা চলাকালে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে কথা বলার অনুমতি নিয়ে রেদোয়ানুল বলেন, ঘনঘন শুনানির তারিখ পড়ায় তার আর্থিকভাবে খুব কষ্ট হচ্ছে। আইনজীবীর ফি দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত সঞ্চয়ও নেই বলে জানান তিনি।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে রেদোয়ানুল বলেন, বর্তমান বেতন দিয়ে সংসার চালাবেন, নাকি আইনজীবীর খরচ দেবেন—তা বুঝতে পারছেন না। তাই শুনানির মধ্যে কিছুটা দীর্ঘ বিরতি দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

পরে বিচারক তার আইনজীবীর কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে আইনজীবী শাহীনুর ইসলাম জানান, তার কাছ থেকে যৌক্তিক ফিই নেওয়া হচ্ছে।

প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম বলেন, আসামির মূল চাওয়া বিচার পেছানো নয়; বরং দ্রুত বিচার শেষ হওয়া।

উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে বিচারক জানান, রেদোয়ানুলের বক্তব্য তার হৃদয় স্পর্শ করেছে। পরে অসমাপ্ত জেরার জন্য আগামী ২ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

এ মামলায় রেদোয়ানুল ইসলাম ও মেজর মো. রাফাত বিন আলম কারাগারে রয়েছেন। আর ডিএমপির সাবেক কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলাম ও রামপুরা থানার সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমান পলাতক। মামলায় মোট চারজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছে প্রসিকিউশন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুরে এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৭০০ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

‘সংসার চালাব, নাকি আইনজীবীর খরচ দেব’, ট্রাইব্যুনালে কাঁদলেন বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা

আপডেট সময় ০৪:৪৮:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

নিজের আর্থিক সংকটের কথা তুলে ধরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন বিজিবির কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম। ঘনঘন শুনানির তারিখ নির্ধারণ হওয়ায় আইনজীবীর ফি পরিশোধ করা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর একক বেঞ্চে মামলার শুনানির সময় এ ঘটনা ঘটে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় ২৮ জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি রেদোয়ানুল।

এদিন মামলার ১২ নম্বর সাক্ষী রাতুল হাসান জবানবন্দি দেন। পরে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাকে জেরা করেন।

জেরা চলাকালে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে কথা বলার অনুমতি নিয়ে রেদোয়ানুল বলেন, ঘনঘন শুনানির তারিখ পড়ায় তার আর্থিকভাবে খুব কষ্ট হচ্ছে। আইনজীবীর ফি দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত সঞ্চয়ও নেই বলে জানান তিনি।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে রেদোয়ানুল বলেন, বর্তমান বেতন দিয়ে সংসার চালাবেন, নাকি আইনজীবীর খরচ দেবেন—তা বুঝতে পারছেন না। তাই শুনানির মধ্যে কিছুটা দীর্ঘ বিরতি দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

পরে বিচারক তার আইনজীবীর কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে আইনজীবী শাহীনুর ইসলাম জানান, তার কাছ থেকে যৌক্তিক ফিই নেওয়া হচ্ছে।

প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম বলেন, আসামির মূল চাওয়া বিচার পেছানো নয়; বরং দ্রুত বিচার শেষ হওয়া।

উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে বিচারক জানান, রেদোয়ানুলের বক্তব্য তার হৃদয় স্পর্শ করেছে। পরে অসমাপ্ত জেরার জন্য আগামী ২ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

এ মামলায় রেদোয়ানুল ইসলাম ও মেজর মো. রাফাত বিন আলম কারাগারে রয়েছেন। আর ডিএমপির সাবেক কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলাম ও রামপুরা থানার সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমান পলাতক। মামলায় মোট চারজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছে প্রসিকিউশন।