ঢাকা , সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
যে ৩ শ্রেণির মানুষের ঠিকানা হবে জাহান্নাম ওমরাহ ভিসা নিয়ে সৌদিতে ভিক্ষাবৃত্তি, দেশে ফিরতেই ৩ নারীসহ আটক ৪  কিলোমিটার প্রতি ৪ টাকা ৫ পয়সা ভাড়া চান বাস মালিকরা সাত ডাকাতের সঙ্গে একই লড়লেন গৃহকর্তা, এক ডাকাত নিহত জনরোষের মুখে পদত্যাগ করলেন শ্রীলঙ্কার জ্বালানি মন্ত্রী ইরানকে পারমাণবিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করার ট্রাম্প কে?: ইরানি প্রেসিডেন্ট জনগণের কষ্টের কথা ভেবে তেলের দাম খুব সামান্য বাড়িয়েছে সরকার: জ্বালানি মন্ত্রী এনসিপিতে যোগ দিলেন জুনায়েদ-রাফে-রিফাতরাসহ ৩০ জন, বিকেলে দায়িত্ব বণ্টন দেশীয় কোম্পানির ট্যাংকারে পেট্রোল-অকটেন উপচে পড়ছে, নিচ্ছে না সরকার এস আলমের কাছে ইসলামী ব্যাংকের মালিকানা ফেরাতে চাকরিচ্যুতদের অবস্থান

গাজায় যুদ্ধবিরতি: দুই বছর পর স্কুলে ফিরছে তিন লাখ ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৭:২১:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫
  • ২০৮ বার পড়া হয়েছে

টানা দুই বছরের ইসরায়েলি আগ্রাসনে বিপর্যস্ত গাজাবাসীরা অবশেষে কিছুটা স্বস্তির মুখ দেখছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে বাস্তবায়িত যুদ্ধবিরতির ফলে গাজার তিন লাখ ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থী আবারও স্কুলে ফিরেছে।

জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ জানিয়েছে, শনিবার থেকে তাদের পরিচালিত স্কুলগুলোতে ক্লাস কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে ত্রাণ প্রবেশে এখনো ইসরায়েলের বাধা রয়ে গেছে, ফলে সীমান্তে লাখো ডলারের ত্রাণ সামগ্রী আটকে আছে।

ইউএনআরডব্লিউএ’র গণমাধ্যম উপদেষ্টা আদনান আবু হাসনা জানান, ১০ হাজার শিক্ষার্থী আশ্রয়কেন্দ্র ও স্কুলে সরাসরি ক্লাস করবে, আর বাকিদের জন্য দূরশিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। দুই বছরের যুদ্ধ ও করোনাকালে শিক্ষাব্যবস্থা প্রায় সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছিল।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর ইসরায়েলের পাল্টা আগ্রাসনে গাজার শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় ইসরায়েল ১৭২টি সরকারি স্কুল ধ্বংস করে এবং শতাধিক জাতিসংঘ পরিচালিত স্কুলে হামলা চালায়।

ফিলিস্তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলি হামলায় ১৭,৭১১ শিক্ষার্থী নিহত এবং ২৫,৮৯৭ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া ৭৬৩ জন শিক্ষা কর্মী নিহত হয়েছেন।

সম্প্রতি ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে ট্রাম্প-সমর্থিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যার আওতায় বন্দি বিনিময়, গাজার পুনর্গঠন এবং হামাস-বর্জিত প্রশাসন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে এখন পর্যন্ত ৬৮ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। গাজার বড় অংশই এখন বসবাসের অযোগ্য বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যে ৩ শ্রেণির মানুষের ঠিকানা হবে জাহান্নাম

গাজায় যুদ্ধবিরতি: দুই বছর পর স্কুলে ফিরছে তিন লাখ ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থী

আপডেট সময় ০৭:২১:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

টানা দুই বছরের ইসরায়েলি আগ্রাসনে বিপর্যস্ত গাজাবাসীরা অবশেষে কিছুটা স্বস্তির মুখ দেখছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে বাস্তবায়িত যুদ্ধবিরতির ফলে গাজার তিন লাখ ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থী আবারও স্কুলে ফিরেছে।

জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ জানিয়েছে, শনিবার থেকে তাদের পরিচালিত স্কুলগুলোতে ক্লাস কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে ত্রাণ প্রবেশে এখনো ইসরায়েলের বাধা রয়ে গেছে, ফলে সীমান্তে লাখো ডলারের ত্রাণ সামগ্রী আটকে আছে।

ইউএনআরডব্লিউএ’র গণমাধ্যম উপদেষ্টা আদনান আবু হাসনা জানান, ১০ হাজার শিক্ষার্থী আশ্রয়কেন্দ্র ও স্কুলে সরাসরি ক্লাস করবে, আর বাকিদের জন্য দূরশিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। দুই বছরের যুদ্ধ ও করোনাকালে শিক্ষাব্যবস্থা প্রায় সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছিল।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর ইসরায়েলের পাল্টা আগ্রাসনে গাজার শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় ইসরায়েল ১৭২টি সরকারি স্কুল ধ্বংস করে এবং শতাধিক জাতিসংঘ পরিচালিত স্কুলে হামলা চালায়।

ফিলিস্তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলি হামলায় ১৭,৭১১ শিক্ষার্থী নিহত এবং ২৫,৮৯৭ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া ৭৬৩ জন শিক্ষা কর্মী নিহত হয়েছেন।

সম্প্রতি ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে ট্রাম্প-সমর্থিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যার আওতায় বন্দি বিনিময়, গাজার পুনর্গঠন এবং হামাস-বর্জিত প্রশাসন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে এখন পর্যন্ত ৬৮ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। গাজার বড় অংশই এখন বসবাসের অযোগ্য বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।