ঢাকা , শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তারেক রহমান : বিশ্বাসের বাতিঘর, মানবিক আস্থার প্রতীক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:২১:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৩৯ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের রাজনীতিতে কিছু নাম উচ্চারিত হলেই মানুষের মনে জেগে ওঠে নতুন বিশ্বাসের আলো। তারেক রহমান সেই বিরল ব্যক্তিত্বদের একজন— যিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন; তিনি আশা, প্রেরণা ও নতুন ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতির নাম।

আজ ২০ নভেম্বর— জনতার অবিচল আস্থার সেই বাতিঘর তারেক রহমানের জন্মদিন। এই দিনটি তাই শুধু একজন নেতার জন্মদিন নয়; এটি এক বিশ্বাসের, এক সাহসী পথচলার এবং একটি নতুন রাজনৈতিক দর্শনের পুনর্জাগরণের দিন।

দীর্ঘদিন নিপীড়ন, প্রতিহিংসা, মামলা ও রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের চাপ বুকে নিয়ে তিনি বিদেশে থেকেও দলকে পরিচালনা করছেন দৃঢ়তা, দায়িত্ববোধ ও দূরদর্শিতা দিয়ে। তাঁর রাজনীতি ক্ষমতার জন্য নয়— মানুষের জন্য। মানবিকতার রাজনীতি কীভাবে একটি নেতাকে মানুষের হৃদয়ের কাছাকাছি নিয়ে যায়, তারেক রহমান তার জ্বলন্ত উদাহরণ।

মানবিকতার অসংখ্য গল্পের কিছু আলো

তারেক রহমানের সহায়তায় দায়িত্বশীল মানবিক সংগঠন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ গড়ে উঠেছে এক অসহায় মানুষের আস্থার ঘর হিসেবে। প্রচারণার জন্য নয়, নিঃশব্দ মানবতার শক্তিতে তিনি যে কত পরিবারকে জীবন–মরণ সংকট থেকে উদ্ধার করেছেন— তার পূর্ণ তালিকা হয়তো কখনোই জানা যাবে না।

এমনই তিনটি হৃদয়স্পর্শী ঘটনা—


জন্মান্ধ গফুর মল্লিকের নতুন জীবনের আলো

রাজবাড়ীর জন্মান্ধ বৃদ্ধ গফুর মল্লিক (৮০) জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনে নাড়ু-বদাম বিক্রি করতেন। দৃষ্টিহীনতা, দারিদ্র্য ও অনিশ্চয়তার করুণ বাস্তবতা দেখে তারেক রহমান গভীরভাবে মর্মাহত হন।

৩০ অক্টোবর তিনি ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর মাধ্যমে গফুর মল্লিককে ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা সহায়তা পাঠান।
এ টাকায় জমি কিনে ছোট ব্যবসা শুরু করতে পারবেন— নতুন জীবনের দ্বার খুলেছে তার সামনে।

গফুর মল্লিক আবেগভরে বলেন—
“আল্লাহর হুকুমে তারেক রহমান আমাকে সাহায্য করেছেন। আর ট্রেনে নাড়ু বিক্রি করব না। তাঁর জন্য দোয়া করি।”


হিমোফিলিয়া আক্রান্ত যুবক ও ক্যান্সার আক্রান্ত মায়ের পাশে তারেক রহমান

২২ বছরের তরুণ তানজীমুলের শরীরে বাসা বেঁধেছে হিমোফিলিয়া। দুই হাত-পায়ের চারটি জয়েন্ট বেকে গেছে। একই সময়ে তার মা আক্রান্ত হন ক্যান্সারে— পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর মতো কোনো সামর্থ্য ছিল না।

একটি টেলিভিশন প্রতিবেদনে বিষয়টি জানতে পেরে তারেক রহমান নির্দেশ দেন দ্রুত খোঁজ নেওয়ার জন্য।
১০ নভেম্বর ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রতিনিধি দল হাসপাতালে গিয়ে তাদের চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করে ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করে।

তানজীমুলের মা আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন—
“নিজের রোগ নিয়ে চিন্তা ছিল, কিন্তু ছেলেকে নিয়ে বেশি শঙ্কায় ছিলাম। তারেক রহমান আমাদের বাঁচার নতুন ভরসা।’’


তারেক রহমান : এক রাজনৈতিক দর্শনের নাম

তারেক রহমানের কাছে রাজনীতি মানে ক্ষমতার প্রতিযোগিতা নয়— মানুষের কল্যাণ।
তিনি বিশ্বাস করেন মানবিকতার শক্তি, ন্যায়বিচারের অধিকার এবং জনগণের ভোটের মর্যাদা রক্ষায়।

তাই ২০ নভেম্বর তাঁর জন্মদিন এলেই মানুষের হৃদয়ে একটাই প্রার্থনা জেগে ওঠে—
এই মহৎ মানুষের জীবন হোক আলোকিত, তাঁর সংগ্রাম হোক সফল, এবং তাঁর প্রত্যাবর্তনে উদিত হোক বাংলাদেশের নতুন ভোর।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমান : বিশ্বাসের বাতিঘর, মানবিক আস্থার প্রতীক

আপডেট সময় ১১:২১:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশের রাজনীতিতে কিছু নাম উচ্চারিত হলেই মানুষের মনে জেগে ওঠে নতুন বিশ্বাসের আলো। তারেক রহমান সেই বিরল ব্যক্তিত্বদের একজন— যিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন; তিনি আশা, প্রেরণা ও নতুন ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতির নাম।

আজ ২০ নভেম্বর— জনতার অবিচল আস্থার সেই বাতিঘর তারেক রহমানের জন্মদিন। এই দিনটি তাই শুধু একজন নেতার জন্মদিন নয়; এটি এক বিশ্বাসের, এক সাহসী পথচলার এবং একটি নতুন রাজনৈতিক দর্শনের পুনর্জাগরণের দিন।

দীর্ঘদিন নিপীড়ন, প্রতিহিংসা, মামলা ও রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের চাপ বুকে নিয়ে তিনি বিদেশে থেকেও দলকে পরিচালনা করছেন দৃঢ়তা, দায়িত্ববোধ ও দূরদর্শিতা দিয়ে। তাঁর রাজনীতি ক্ষমতার জন্য নয়— মানুষের জন্য। মানবিকতার রাজনীতি কীভাবে একটি নেতাকে মানুষের হৃদয়ের কাছাকাছি নিয়ে যায়, তারেক রহমান তার জ্বলন্ত উদাহরণ।

মানবিকতার অসংখ্য গল্পের কিছু আলো

তারেক রহমানের সহায়তায় দায়িত্বশীল মানবিক সংগঠন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ গড়ে উঠেছে এক অসহায় মানুষের আস্থার ঘর হিসেবে। প্রচারণার জন্য নয়, নিঃশব্দ মানবতার শক্তিতে তিনি যে কত পরিবারকে জীবন–মরণ সংকট থেকে উদ্ধার করেছেন— তার পূর্ণ তালিকা হয়তো কখনোই জানা যাবে না।

এমনই তিনটি হৃদয়স্পর্শী ঘটনা—


জন্মান্ধ গফুর মল্লিকের নতুন জীবনের আলো

রাজবাড়ীর জন্মান্ধ বৃদ্ধ গফুর মল্লিক (৮০) জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনে নাড়ু-বদাম বিক্রি করতেন। দৃষ্টিহীনতা, দারিদ্র্য ও অনিশ্চয়তার করুণ বাস্তবতা দেখে তারেক রহমান গভীরভাবে মর্মাহত হন।

৩০ অক্টোবর তিনি ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর মাধ্যমে গফুর মল্লিককে ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা সহায়তা পাঠান।
এ টাকায় জমি কিনে ছোট ব্যবসা শুরু করতে পারবেন— নতুন জীবনের দ্বার খুলেছে তার সামনে।

গফুর মল্লিক আবেগভরে বলেন—
“আল্লাহর হুকুমে তারেক রহমান আমাকে সাহায্য করেছেন। আর ট্রেনে নাড়ু বিক্রি করব না। তাঁর জন্য দোয়া করি।”


হিমোফিলিয়া আক্রান্ত যুবক ও ক্যান্সার আক্রান্ত মায়ের পাশে তারেক রহমান

২২ বছরের তরুণ তানজীমুলের শরীরে বাসা বেঁধেছে হিমোফিলিয়া। দুই হাত-পায়ের চারটি জয়েন্ট বেকে গেছে। একই সময়ে তার মা আক্রান্ত হন ক্যান্সারে— পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর মতো কোনো সামর্থ্য ছিল না।

একটি টেলিভিশন প্রতিবেদনে বিষয়টি জানতে পেরে তারেক রহমান নির্দেশ দেন দ্রুত খোঁজ নেওয়ার জন্য।
১০ নভেম্বর ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রতিনিধি দল হাসপাতালে গিয়ে তাদের চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করে ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করে।

তানজীমুলের মা আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন—
“নিজের রোগ নিয়ে চিন্তা ছিল, কিন্তু ছেলেকে নিয়ে বেশি শঙ্কায় ছিলাম। তারেক রহমান আমাদের বাঁচার নতুন ভরসা।’’


তারেক রহমান : এক রাজনৈতিক দর্শনের নাম

তারেক রহমানের কাছে রাজনীতি মানে ক্ষমতার প্রতিযোগিতা নয়— মানুষের কল্যাণ।
তিনি বিশ্বাস করেন মানবিকতার শক্তি, ন্যায়বিচারের অধিকার এবং জনগণের ভোটের মর্যাদা রক্ষায়।

তাই ২০ নভেম্বর তাঁর জন্মদিন এলেই মানুষের হৃদয়ে একটাই প্রার্থনা জেগে ওঠে—
এই মহৎ মানুষের জীবন হোক আলোকিত, তাঁর সংগ্রাম হোক সফল, এবং তাঁর প্রত্যাবর্তনে উদিত হোক বাংলাদেশের নতুন ভোর।