ঢাকা , সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করদাতাদের আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলায় নিহত বেড়ে ৩৫ মুসলিম পর্যটকদের সুবিধায় জাপানের শপিংমলে নামাজ কক্ষ ট্রাম্পকে ‘হারু’ বললেন বাইডেন, আখ্যা দিলেন—অযোগ্য, দুর্নীতিগ্রস্ত ও ফালতু বলে ভেনেজুয়েলায় আড়াই লাখ ডলার দিলেন নেইমার ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলা হচ্ছে না ‘জাপানি মেসির’ আমার জীবন বাংলাদেশের মানুষের জন্য উৎসর্গ করেছি: শেখ হাসিনা অতীতের দিকে না তাকিয়ে সামনের দিকে এগোতে চাই: সংসদে প্রধানমন্ত্রী জাপানের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেবে ব্রাজিল: জার্মান গবেষক ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলাকে আড়াই লাখ ডলার দিলেন নেইমার

হাদিকে হত্যা : ফয়সালের স্ত্রী-বান্ধবী-শ্যালকের ফের রিমান্ড

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৬:২৬:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৩১৯ বার পড়া হয়েছে

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় রাজধানীর পল্টন মডেল থানায় দায়ের করা মামলায় পলাতক আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের স্ত্রী, বান্ধবী ও শ্যালকের বিরুদ্ধে ফের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছিদ্দিক আজাদের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। একইসঙ্গে রিমান্ড শেষে রেন্টকার ব্যবসায়ী মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বলকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
রিমান্ডে যাওয়া তিন আসামি হলেন—ফয়সালের স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, তার বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা এবং শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু। এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর তাদের প্রথম দফায় পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছিল।
এদিন রিমান্ড শেষে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আবেদনে হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য উদঘাটন, জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার, অর্থদাতা ও পরিকল্পনাকারীদের চিহ্নিত করা এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তিন আসামির চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন এবং অপর আসামি উজ্জ্বলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এ মামলায় এ পর্যন্ত গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা হলেন—ফয়সালের বাবা মো. হুমায়ুন কবির ও মা মোসা. হাসি বেগম, স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু, রেন্টকার ব্যবসায়ী মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, সহযোগী মো. কবির এবং ভারতে পালাতে সহায়তাকারী সিবিউন দিউ ও সঞ্জয় চিসিম। এর মধ্যে হুমায়ুন কবির ও হাসি বেগম আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এজাহারে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগ থেকেই শরীফ ওসমান হাদি ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনমুখী কার্যক্রম চালাচ্ছিলেন। এই প্রেক্ষাপটে একটি সংঘবদ্ধ চক্র নির্বাচন বানচাল ও দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে জুমার নামাজ শেষে নির্বাচনী প্রচারণা শেষ করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যাওয়ার পথে দুপুর ২টা ২০ মিনিটে পল্টন থানাধীন বক্স কালভার্ট এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেল আরোহী দুর্বৃত্তরা হাদিকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করদাতাদের

হাদিকে হত্যা : ফয়সালের স্ত্রী-বান্ধবী-শ্যালকের ফের রিমান্ড

আপডেট সময় ০৬:২৬:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় রাজধানীর পল্টন মডেল থানায় দায়ের করা মামলায় পলাতক আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের স্ত্রী, বান্ধবী ও শ্যালকের বিরুদ্ধে ফের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছিদ্দিক আজাদের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। একইসঙ্গে রিমান্ড শেষে রেন্টকার ব্যবসায়ী মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বলকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
রিমান্ডে যাওয়া তিন আসামি হলেন—ফয়সালের স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, তার বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা এবং শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু। এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর তাদের প্রথম দফায় পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছিল।
এদিন রিমান্ড শেষে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আবেদনে হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য উদঘাটন, জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার, অর্থদাতা ও পরিকল্পনাকারীদের চিহ্নিত করা এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তিন আসামির চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন এবং অপর আসামি উজ্জ্বলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এ মামলায় এ পর্যন্ত গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা হলেন—ফয়সালের বাবা মো. হুমায়ুন কবির ও মা মোসা. হাসি বেগম, স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু, রেন্টকার ব্যবসায়ী মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, সহযোগী মো. কবির এবং ভারতে পালাতে সহায়তাকারী সিবিউন দিউ ও সঞ্জয় চিসিম। এর মধ্যে হুমায়ুন কবির ও হাসি বেগম আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এজাহারে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগ থেকেই শরীফ ওসমান হাদি ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনমুখী কার্যক্রম চালাচ্ছিলেন। এই প্রেক্ষাপটে একটি সংঘবদ্ধ চক্র নির্বাচন বানচাল ও দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে জুমার নামাজ শেষে নির্বাচনী প্রচারণা শেষ করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যাওয়ার পথে দুপুর ২টা ২০ মিনিটে পল্টন থানাধীন বক্স কালভার্ট এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেল আরোহী দুর্বৃত্তরা হাদিকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।