ঢাকা , শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত আসন ঘোষণা ১১ দলীয় জোটে আসন সমঝোতা চূড়ান্ত, সর্বোচ্চ ১৯০ আসন জামায়াতে ইসলামী ভোলায় বালিশ চাপায় স্ত্রীকে হত্যা, পাষণ্ড স্বামী আটক ফ্যামিলি ও কৃষি কার্ড বিতরণ বন্ধের দাবি জামায়াতের, সিইসির সঙ্গে বৈঠকে প্রটোকল সমতার আহ্বান জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি ও তথ্য বিক্রি করে মাসে কোটি টাকার বেশি আয়; নির্বাচন কমিশনের দুই কর্মচারী গ্রেফতার বাউফলে ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ বাউফলে জামায়াতের নেতা–কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন শেষ মুহূর্তে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন রাশেদ প্রধান ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ নামে নির্বাচনে অংশ নেবে ১১ দল বিসিবির টাকা এসেছে ক্রিকেটারদের শ্রমে ঘামে: মেহেদী মিরাজ

হাতজোড় করে একবার সুযোগ চাইলেন মোদি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৭:২৬:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৪৯৭ বার পড়া হয়েছে

হাতজোড় করে একবারের জন্য সুযোগ চেয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) কলকাতা বিমানবন্দর থেকে ভার্চ্যুয়ালি দেওয়া এক অডিও ভাষণে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
মোদি বলেন, “আমি হাতজোড় করে অনুরোধ করছি—আপনারা বিজেপিকে একবার সুযোগ দিয়ে দেখুন।” একই সঙ্গে তিনি রাজ্যে উন্নয়ন থমকে থাকার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে দায়ী করেন।
এনডিএ জোট সরকারের জয়ের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গোটা দেশ উন্নয়নের গতি চায়। বিহারের উদাহরণ দিয়ে তিনি দাবি করেন, সেখানে ‘জঙ্গলরাজ’ শেষ করে বিজেপি উন্নয়নের পথে রাজ্যকে এগিয়ে নিয়েছে। তাঁর ভাষায়, “গঙ্গা নদী বিহার থেকে বয়ে পশ্চিমবঙ্গে আসে। বিহারই পশ্চিমবঙ্গেও জয়ের রাস্তা তৈরি করে দিয়েছে।”
পশ্চিমবঙ্গেও একই ধরনের ‘অরাজকতা’ চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তা থেকে মুক্তি পেতে রাজ্যের প্রতিটি গ্রাম, শহর ও মহল্লা বলছে— ‘বাঁচতে চাই, বিজেপি চাই।’
‘গো ব্যাক মোদি’ স্লোগান প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এসব স্লোগানকে মদত দিচ্ছে। তবে অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে তারা নীরব। মোদির দাবি, “যারা বাংলাকে ক্ষতি করতে চায়, তারাই তৃণমূলের সবচেয়ে প্রিয়। অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচাতে তৃণমূল এসআইআর-এর বিরোধিতা করেছে—এটাই তাদের আসল চেহারা।”
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ উপলক্ষে শনিবার নদীয়া জেলার তাহেরপুরে বিজেপির জনসভা ছিল। সকালে দিল্লি থেকে কলকাতা পৌঁছালেও ঘন কুয়াশা ও কম দৃশ্যমানতার কারণে প্রধানমন্ত্রীর হেলিকপ্টার জনসভাস্থলে অবতরণ করতে পারেনি। পরে সেটি কলকাতা বিমানবন্দরে ফিরে আসে এবং সেখান থেকেই মোদি ভার্চ্যুয়ালি অডিও ভাষণের মাধ্যমে জনসভায় বক্তব্য রাখেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত আসন ঘোষণা

হাতজোড় করে একবার সুযোগ চাইলেন মোদি

আপডেট সময় ০৭:২৬:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫

হাতজোড় করে একবারের জন্য সুযোগ চেয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) কলকাতা বিমানবন্দর থেকে ভার্চ্যুয়ালি দেওয়া এক অডিও ভাষণে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
মোদি বলেন, “আমি হাতজোড় করে অনুরোধ করছি—আপনারা বিজেপিকে একবার সুযোগ দিয়ে দেখুন।” একই সঙ্গে তিনি রাজ্যে উন্নয়ন থমকে থাকার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে দায়ী করেন।
এনডিএ জোট সরকারের জয়ের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গোটা দেশ উন্নয়নের গতি চায়। বিহারের উদাহরণ দিয়ে তিনি দাবি করেন, সেখানে ‘জঙ্গলরাজ’ শেষ করে বিজেপি উন্নয়নের পথে রাজ্যকে এগিয়ে নিয়েছে। তাঁর ভাষায়, “গঙ্গা নদী বিহার থেকে বয়ে পশ্চিমবঙ্গে আসে। বিহারই পশ্চিমবঙ্গেও জয়ের রাস্তা তৈরি করে দিয়েছে।”
পশ্চিমবঙ্গেও একই ধরনের ‘অরাজকতা’ চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তা থেকে মুক্তি পেতে রাজ্যের প্রতিটি গ্রাম, শহর ও মহল্লা বলছে— ‘বাঁচতে চাই, বিজেপি চাই।’
‘গো ব্যাক মোদি’ স্লোগান প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এসব স্লোগানকে মদত দিচ্ছে। তবে অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে তারা নীরব। মোদির দাবি, “যারা বাংলাকে ক্ষতি করতে চায়, তারাই তৃণমূলের সবচেয়ে প্রিয়। অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচাতে তৃণমূল এসআইআর-এর বিরোধিতা করেছে—এটাই তাদের আসল চেহারা।”
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ উপলক্ষে শনিবার নদীয়া জেলার তাহেরপুরে বিজেপির জনসভা ছিল। সকালে দিল্লি থেকে কলকাতা পৌঁছালেও ঘন কুয়াশা ও কম দৃশ্যমানতার কারণে প্রধানমন্ত্রীর হেলিকপ্টার জনসভাস্থলে অবতরণ করতে পারেনি। পরে সেটি কলকাতা বিমানবন্দরে ফিরে আসে এবং সেখান থেকেই মোদি ভার্চ্যুয়ালি অডিও ভাষণের মাধ্যমে জনসভায় বক্তব্য রাখেন।