ঢাকা , রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
চীনা যুদ্ধবিমান অনুপ্রবেশের পর তাইওয়ানের যুদ্ধ প্রস্তুতি মহড়ার ঘোষণা মেসিকে বিশ্বসেরা মানেন ইয়ামাল, তবে তাঁর আইডল নেইমার ১৫ বছরের নিচে শিশুদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করলো আরব আমিরাত ৬০০ কোটি ডলার ফেরত পাচ্ছে ইরান, ক্ষোভে ফুঁসছেন নেতানিয়াহু ইলিয়াস আলীর গুম নিয়ে জবানবন্দিতে মুখ খুললেন সেনাসদস্য ইমরুল বিশ্বকাপের পর ফুটবল ছেড়ে মসজিদের ইমাম হবেন মরক্কোর ডিফেন্ডার মাজরাউই! উজানের ঢলে তলিয়ে গেছে সিলেটের সাদাপাথর, বন্ধ পর্যটনকেন্দ্র কাতারে সড়ক দু’র্ঘ’ট’না’য় প্রা’ণ গেল ৫ বাংলাদেশির কারখানার কর্মী থেকে জার্মানির বিশ্বকাপ তারকা সৌদি আরবে শুটিংয়ে গিয়ে জিয়ানকার্লো এসপোসিতোর ইসলাম গ্রহণ

মুন্সিগঞ্জে চালু দেশের প্রথম ‘ক্যাশলেস কারাগার’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৫৮:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • ৩৩ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের কারা ব্যবস্থাপনায় যুক্ত হলো নতুন এক অধ্যায়। আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবা নিশ্চিত করতে দেশে প্রথমবারের মতো চালু হয়েছে ‘ক্যাশলেস কারা ব্যবস্থাপনা’। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে দেশের প্রথম ক্যাশলেস কারাগার হিসেবে কার্যক্রম শুরু করেছে মুন্সিগঞ্জ জেলা কারাগার

রোববার (২১ জুন) কারা অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘নিরাপদ লেনদেন, স্বচ্ছ হিসাব, আধুনিক সেবা’ স্লোগানকে সামনে রেখে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হচ্ছে এই কারাগার। নতুন ব্যবস্থায় বন্দিদের নিরাপত্তা, অবস্থান শনাক্তকরণ এবং আর্থিক লেনদেন আরও সহজ ও স্বচ্ছ হবে।

কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ ব্যবস্থায় রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (আরএফআইডি) প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বন্দিদের অবস্থান সহজে শনাক্ত করা যাবে এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে নির্ভুল গণনা ও নিরাপত্তা তদারকি করা সম্ভব হবে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বন্দিদের স্বজনরা কারাগারে এসে যে অর্থ জমা করবেন, তা সরাসরি সংশ্লিষ্ট বন্দির ডিজিটাল অ্যাকাউন্টে যুক্ত হবে। পরে বন্দিরা নিজেদের আরএফআইডি কার্ড ব্যবহার করে কারা ক্যান্টিন থেকে প্রয়োজনীয় পণ্য বা খাদ্যসামগ্রী কিনতে পারবেন। ফলে কারাগারের ভেতরে নগদ অর্থের ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ থাকবে।

ডিজিটাল লেনদেন প্রক্রিয়াটি ছয়টি ধাপে সম্পন্ন হবে। প্রথমে স্বজনরা টাকা জমা দেবেন, এরপর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তা ডিজিটালভাবে হিসাবভুক্ত করবেন। সংগৃহীত অর্থ সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংকে জমা হবে এবং বন্দির ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে ক্রেডিট হবে। কারাগারের ভেতরে সব ধরনের কেনাকাটা ও সেবার মূল্য ওই অ্যাকাউন্ট থেকেই পরিশোধ করা হবে। আর জামিনে মুক্তির পর অ্যাকাউন্টে অবশিষ্ট অর্থ মোবাইল ব্যাংকিং, অনলাইন ব্যাংকিং বা এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে উত্তোলন করতে পারবেন বন্দিরা।

কারা অধিদপ্তরের মতে, এই উদ্যোগ কারাগারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপত্তা ও সেবার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনা যুদ্ধবিমান অনুপ্রবেশের পর তাইওয়ানের যুদ্ধ প্রস্তুতি মহড়ার ঘোষণা

মুন্সিগঞ্জে চালু দেশের প্রথম ‘ক্যাশলেস কারাগার’

আপডেট সময় ১২:৫৮:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

বাংলাদেশের কারা ব্যবস্থাপনায় যুক্ত হলো নতুন এক অধ্যায়। আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবা নিশ্চিত করতে দেশে প্রথমবারের মতো চালু হয়েছে ‘ক্যাশলেস কারা ব্যবস্থাপনা’। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে দেশের প্রথম ক্যাশলেস কারাগার হিসেবে কার্যক্রম শুরু করেছে মুন্সিগঞ্জ জেলা কারাগার

রোববার (২১ জুন) কারা অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘নিরাপদ লেনদেন, স্বচ্ছ হিসাব, আধুনিক সেবা’ স্লোগানকে সামনে রেখে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হচ্ছে এই কারাগার। নতুন ব্যবস্থায় বন্দিদের নিরাপত্তা, অবস্থান শনাক্তকরণ এবং আর্থিক লেনদেন আরও সহজ ও স্বচ্ছ হবে।

কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ ব্যবস্থায় রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (আরএফআইডি) প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বন্দিদের অবস্থান সহজে শনাক্ত করা যাবে এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে নির্ভুল গণনা ও নিরাপত্তা তদারকি করা সম্ভব হবে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বন্দিদের স্বজনরা কারাগারে এসে যে অর্থ জমা করবেন, তা সরাসরি সংশ্লিষ্ট বন্দির ডিজিটাল অ্যাকাউন্টে যুক্ত হবে। পরে বন্দিরা নিজেদের আরএফআইডি কার্ড ব্যবহার করে কারা ক্যান্টিন থেকে প্রয়োজনীয় পণ্য বা খাদ্যসামগ্রী কিনতে পারবেন। ফলে কারাগারের ভেতরে নগদ অর্থের ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ থাকবে।

ডিজিটাল লেনদেন প্রক্রিয়াটি ছয়টি ধাপে সম্পন্ন হবে। প্রথমে স্বজনরা টাকা জমা দেবেন, এরপর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তা ডিজিটালভাবে হিসাবভুক্ত করবেন। সংগৃহীত অর্থ সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংকে জমা হবে এবং বন্দির ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে ক্রেডিট হবে। কারাগারের ভেতরে সব ধরনের কেনাকাটা ও সেবার মূল্য ওই অ্যাকাউন্ট থেকেই পরিশোধ করা হবে। আর জামিনে মুক্তির পর অ্যাকাউন্টে অবশিষ্ট অর্থ মোবাইল ব্যাংকিং, অনলাইন ব্যাংকিং বা এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে উত্তোলন করতে পারবেন বন্দিরা।

কারা অধিদপ্তরের মতে, এই উদ্যোগ কারাগারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপত্তা ও সেবার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।