ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বকাপে ৫৫ লাখের বেশি বিয়ার বিক্রি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৬:৪৬:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

মাঠে ছিল রোমাঞ্চ, নাটকীয়তা আর নতুন নতুন রেকর্ড। তবে মাঠের বাইরেও ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ ছিল বিশাল এক আয়োজনের নাম। কোটি কোটি দর্শককে সেবা দিতে বিপুল জনবল, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং খাদ্য-পানীয় সরবরাহে নজির গড়েছে ফিফা।

টুর্নামেন্ট শেষে প্রকাশিত পরিসংখ্যান বলছে, ৩৯ দিনের বিশ্বকাপে স্টেডিয়ামে উপস্থিত দর্শকরা পান করেছেন ৫৫ লাখের বেশি ক্যান বিয়ার। বিক্রি হয়েছে প্রায় ৬ লাখ ৭৫ হাজার হট ডগ এবং ৪৬ লাখের বেশি ক্যান কোমল পানীয় ও বোতলজাত পানি।

তিন দেশজুড়ে আয়োজিত এই বিশ্বকাপে সরাসরি খেলা দেখতে স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিলেন ৬৮ লাখের বেশি দর্শক। ১৬টি আয়োজক শহর, ৪৮টি দলের অনুশীলনকেন্দ্র এবং ১০৪টি ম্যাচ পরিচালনায় কাজ করেছেন প্রায় তিন লাখ স্বীকৃত কর্মকর্তা ও কর্মী।

এ ছাড়া টুর্নামেন্টজুড়ে দায়িত্ব পালন করেছেন ৪৩ হাজারের বেশি স্বেচ্ছাসেবক এবং প্রায় ৭৪ হাজার নিরাপত্তাকর্মী। শুধু স্টেডিয়ামেই নয়, উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন ফ্যান ফেস্টেও অংশ নেন ৯০ লাখের বেশি ফুটবলপ্রেমী।

সবশেষে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের শিরোপা জিতে নেয় স্পেন। মাঠের লড়াই শেষ হলেও আয়োজনের বিশালত্বের গল্প এখনো আলোচনায়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপে ৫৫ লাখের বেশি বিয়ার বিক্রি

আপডেট সময় ০৬:৪৬:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

মাঠে ছিল রোমাঞ্চ, নাটকীয়তা আর নতুন নতুন রেকর্ড। তবে মাঠের বাইরেও ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ ছিল বিশাল এক আয়োজনের নাম। কোটি কোটি দর্শককে সেবা দিতে বিপুল জনবল, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং খাদ্য-পানীয় সরবরাহে নজির গড়েছে ফিফা।

টুর্নামেন্ট শেষে প্রকাশিত পরিসংখ্যান বলছে, ৩৯ দিনের বিশ্বকাপে স্টেডিয়ামে উপস্থিত দর্শকরা পান করেছেন ৫৫ লাখের বেশি ক্যান বিয়ার। বিক্রি হয়েছে প্রায় ৬ লাখ ৭৫ হাজার হট ডগ এবং ৪৬ লাখের বেশি ক্যান কোমল পানীয় ও বোতলজাত পানি।

তিন দেশজুড়ে আয়োজিত এই বিশ্বকাপে সরাসরি খেলা দেখতে স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিলেন ৬৮ লাখের বেশি দর্শক। ১৬টি আয়োজক শহর, ৪৮টি দলের অনুশীলনকেন্দ্র এবং ১০৪টি ম্যাচ পরিচালনায় কাজ করেছেন প্রায় তিন লাখ স্বীকৃত কর্মকর্তা ও কর্মী।

এ ছাড়া টুর্নামেন্টজুড়ে দায়িত্ব পালন করেছেন ৪৩ হাজারের বেশি স্বেচ্ছাসেবক এবং প্রায় ৭৪ হাজার নিরাপত্তাকর্মী। শুধু স্টেডিয়ামেই নয়, উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন ফ্যান ফেস্টেও অংশ নেন ৯০ লাখের বেশি ফুটবলপ্রেমী।

সবশেষে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের শিরোপা জিতে নেয় স্পেন। মাঠের লড়াই শেষ হলেও আয়োজনের বিশালত্বের গল্প এখনো আলোচনায়।