ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আখতার হোসেনের পাল্টা ‘মুজিববাদ-মুর্দাবাদ’ শ্লোগানে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্রের রাজপথ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৪১:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৩৯০ বার পড়া হয়েছে

এবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ. কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আওয়ামী লীগ কর্মীদের দ্বারা হেনস্তার শিকার হওয়ার পর পাল্টা শ্লোগান দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাজপথ উত্তাল করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন। বিমানবন্দর থেকে হোটেলে ফেরার পর ম্যানহাটনে তার অবস্থান করা হোটেলের নিচেও আওয়ামী লীগ কর্মীদের বিক্ষোভ গড়ে ওঠে।

এদিকে চোখের সামনে বিরোধীদের বিক্ষোভ দেখেই পাল্টা স্লোগান দিতে হোটেলের নিচে নেমে আসেন আখতার হোসেন ও তার সহকর্মীরা। এ সময় তাদের সঙ্গে ছিলেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাসনিম জারাসহ আরও কিছু নেতা-কর্মী। তারা একসঙ্গে শ্লোগান দেন— ‘মুজিববাদ মুর্দাবাদ, ইনকিলাব জিন্দাবাদ’, ‘বিচার চাই, বিচার চাই শেখ হাসিনার বিচার চাই’, ‘ওয়ান-টু-থ্রি-ফোর, ফ্যাসিজম নো মোর’।

এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, আখতার হোসেন ও তার সহযোগীরা উত্তেজনাপূর্ণ শ্লোগানে রাজপথ সরব করে তুলেছেন। এ সময় হোটেলের বিপরীতে দাঁড়িয়ে থাকা আওয়ামী লীগ কর্মীরাও পাল্টা শ্লোগান দিতে থাকেন। এর আগে সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) জেএফকে বিমানবন্দরে পৌঁছালে আওয়ামী লীগের স্থানীয় কর্মীরা আখতার হোসেনকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ ও গালিগালাজ করে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে দেখা যায়, রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’, ‘রাজাকার’ বলে আওয়ামী লীগ কর্মীরা স্লোগান দিতে থাকেন। এছাড়া অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। একপর্যায়ে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেনের উপর ডিম নিক্ষেপ করা হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে নিরাপত্তারক্ষীরা দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাসনিম জারা এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আখতার হোসেনের পাল্টা ‘মুজিববাদ-মুর্দাবাদ’ শ্লোগানে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্রের রাজপথ

আপডেট সময় ১১:৪১:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

এবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ. কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আওয়ামী লীগ কর্মীদের দ্বারা হেনস্তার শিকার হওয়ার পর পাল্টা শ্লোগান দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাজপথ উত্তাল করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন। বিমানবন্দর থেকে হোটেলে ফেরার পর ম্যানহাটনে তার অবস্থান করা হোটেলের নিচেও আওয়ামী লীগ কর্মীদের বিক্ষোভ গড়ে ওঠে।

এদিকে চোখের সামনে বিরোধীদের বিক্ষোভ দেখেই পাল্টা স্লোগান দিতে হোটেলের নিচে নেমে আসেন আখতার হোসেন ও তার সহকর্মীরা। এ সময় তাদের সঙ্গে ছিলেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাসনিম জারাসহ আরও কিছু নেতা-কর্মী। তারা একসঙ্গে শ্লোগান দেন— ‘মুজিববাদ মুর্দাবাদ, ইনকিলাব জিন্দাবাদ’, ‘বিচার চাই, বিচার চাই শেখ হাসিনার বিচার চাই’, ‘ওয়ান-টু-থ্রি-ফোর, ফ্যাসিজম নো মোর’।

এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, আখতার হোসেন ও তার সহযোগীরা উত্তেজনাপূর্ণ শ্লোগানে রাজপথ সরব করে তুলেছেন। এ সময় হোটেলের বিপরীতে দাঁড়িয়ে থাকা আওয়ামী লীগ কর্মীরাও পাল্টা শ্লোগান দিতে থাকেন। এর আগে সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) জেএফকে বিমানবন্দরে পৌঁছালে আওয়ামী লীগের স্থানীয় কর্মীরা আখতার হোসেনকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ ও গালিগালাজ করে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে দেখা যায়, রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’, ‘রাজাকার’ বলে আওয়ামী লীগ কর্মীরা স্লোগান দিতে থাকেন। এছাড়া অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। একপর্যায়ে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেনের উপর ডিম নিক্ষেপ করা হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে নিরাপত্তারক্ষীরা দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাসনিম জারা এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।