ঢাকা , রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
যুবলীগ নেতাকে জামায়াত সাজিয়ে ইসলামী আন্দোলনে যোগদান যা বললেন জাহেদ-উর রহমান বিএনপি জোটে যাচ্ছে ইসলামী আন্দোলন! আমাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে, আমার ৩ শিশুকন্যাকে একটু দেখে রাইখেন: আমীর হামজা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকারের প্রকাশ্য সমর্থন নিরপেক্ষতার লঙ্ঘন নয়, এটি দায়িত্ব ও সংস্কারমূলক ম্যান্ডেটের বহিঃপ্রকাশ আগামী সংসদ নির্বাচন ‘অত্যন্ত, অত্যন্ত এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’: তারেক রহমান ‘মঞ্জুর মুন্সী আপিল নিয়ে যেতে পারবেন উচ্চ আদালতে, পক্ষে আদেশ পেলে থাকতে পারবেন ভোটের মাঠেও’ ছাত্রসংসদ নির্বাচনে পরাজয়ের গ্লানি সহ্য করতে না পেরে নির্বাচন কমিশন অফিস ঘেরাও করেছে ছাত্রদল: শিবির সভাপতি ফের ইরানিদের বিক্ষোভের আহ্বান রেজা পাহলভির, এবার মেলেনি সাড়া বিয়ে করলেই মিলবে ১৬ লাখ টাকা অনুদান, সন্তান হলে দ্বিগুণ! ‎পুলিশ কোনো রাজনৈতিক দলের রক্ষক নয়, তারা রাষ্ট্রের কর্মচারী: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

অস্ত্রের মুখে অপহরণের ৭ ঘণ্টা পর ব্যবসায়ী পিন্টুর লাশ উদ্ধার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৪৫:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৫৮ বার পড়া হয়েছে

এবার বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলায় অস্ত্রের মুখে অপহরণের ৭ ঘণ্টার পর মধ্যে লটো শো-রুমের স্বত্বাধিকারী সেই পিন্টু আকন্দের (৩৫) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ৯টায় কতিপয় অপহণকারী তার শোরুম থেকে জোরপূর্বক হাইস গাড়িতে তুলে অপহরণ করে।

এরপর আদমদীঘী উপজেলার কুমাড়পাড়া এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় সন্দেহভাজন গাড়ির চালকসহ মোট ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতোয়ার হোসেন বলেন, হত্যায় ব্যবহৃত মাইক্রোবাসসহ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। বাকিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ চলছে। তবে হত্যার কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় জানা যায়, সোমবার রাত ৯টা ৮ মিনিটের দিকে সাদা রঙের একটি হাইস মাইক্রোবাস দুপচাঁচিয়া লটো শো-রুমের সামনে আসে। মাইক্রোবাসটি থেকে ৪ জন দুর্বৃত্ত বেরিয়ে আসে। তাদের মধ্যে একজন পিন্টুকে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে শো-রুম থেকে টেঁনেহিচরে বের করে। পরে বাইরে থাকা বাকিরাসহ পিন্টুকে সাদা হাইস মাইক্রোবাসে উঠিয়ে বগুড়া-নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়ক ধরে আদমদিঘী অভিমুখে রওয়ানা হয়। এ সময় দুর্বৃত্তদের সবার মুখ ঢাকা ছিল। যা আমার দেশের কাছে সিসিটিভি ফুটেজ রয়েছে।

এদিকে নিহত ব্যবসায়ী পিন্টুর বাড়ি নওগাঁ জেলার রানিনগর থানার লোহাচুরা গ্রামে। এদিকে এই ঘটনায় গত রাত থেকে এলাকায় ব্যবসায়ীরা ভীত হয়ে পড়েছে। পিন্টুর এ ঘটনায় আদমদীঘি থানা পুলিশ মাইক্রোবাস ড্রাইভার সানোয়ার হোসেন (৪০)কে আটক করেছে। তিনি দুপচাঁচিয়ার উত্তর সাজাপুর গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে। অন্য দুজন হলেন সাকিল ও সাগর। পুলিশ বলেছে তাদের সন্দেহভাজন হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক রাখা হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যুবলীগ নেতাকে জামায়াত সাজিয়ে ইসলামী আন্দোলনে যোগদান

অস্ত্রের মুখে অপহরণের ৭ ঘণ্টা পর ব্যবসায়ী পিন্টুর লাশ উদ্ধার

আপডেট সময় ০১:৪৫:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

এবার বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলায় অস্ত্রের মুখে অপহরণের ৭ ঘণ্টার পর মধ্যে লটো শো-রুমের স্বত্বাধিকারী সেই পিন্টু আকন্দের (৩৫) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ৯টায় কতিপয় অপহণকারী তার শোরুম থেকে জোরপূর্বক হাইস গাড়িতে তুলে অপহরণ করে।

এরপর আদমদীঘী উপজেলার কুমাড়পাড়া এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় সন্দেহভাজন গাড়ির চালকসহ মোট ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতোয়ার হোসেন বলেন, হত্যায় ব্যবহৃত মাইক্রোবাসসহ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। বাকিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ চলছে। তবে হত্যার কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় জানা যায়, সোমবার রাত ৯টা ৮ মিনিটের দিকে সাদা রঙের একটি হাইস মাইক্রোবাস দুপচাঁচিয়া লটো শো-রুমের সামনে আসে। মাইক্রোবাসটি থেকে ৪ জন দুর্বৃত্ত বেরিয়ে আসে। তাদের মধ্যে একজন পিন্টুকে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে শো-রুম থেকে টেঁনেহিচরে বের করে। পরে বাইরে থাকা বাকিরাসহ পিন্টুকে সাদা হাইস মাইক্রোবাসে উঠিয়ে বগুড়া-নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়ক ধরে আদমদিঘী অভিমুখে রওয়ানা হয়। এ সময় দুর্বৃত্তদের সবার মুখ ঢাকা ছিল। যা আমার দেশের কাছে সিসিটিভি ফুটেজ রয়েছে।

এদিকে নিহত ব্যবসায়ী পিন্টুর বাড়ি নওগাঁ জেলার রানিনগর থানার লোহাচুরা গ্রামে। এদিকে এই ঘটনায় গত রাত থেকে এলাকায় ব্যবসায়ীরা ভীত হয়ে পড়েছে। পিন্টুর এ ঘটনায় আদমদীঘি থানা পুলিশ মাইক্রোবাস ড্রাইভার সানোয়ার হোসেন (৪০)কে আটক করেছে। তিনি দুপচাঁচিয়ার উত্তর সাজাপুর গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে। অন্য দুজন হলেন সাকিল ও সাগর। পুলিশ বলেছে তাদের সন্দেহভাজন হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক রাখা হয়েছে।