ঢাকা , শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নতুন করে মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-যুক্তরাজ্য, কলকাঠি নাড়ছে ওয়াশিংটন বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১ নোয়াখালীতে ছাত্রীকে ব্ল্যাকমেইল করে ধর্ষণ, প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার ১৩ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ, পূজা চেরির বাবা গ্রেপ্তার উচ্ছেদ হওয়া হকারদের দ্রুত পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর স্মার্টফোনের ন্যূনতম দাম ২৫০০ টাকার মধ্যে আনতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে ‘স্থায়ী শান্তি’ আসবে না: রাশিয়া হাজার চেষ্টা করলেও আ.লীগ হতে পারবেন না: বিএনপিকে জামায়াত আমির আজহারী ও জারার ছবি ব্যবহার করে যৌন উত্তেজক ওষুধের বিজ্ঞাপন, গ্রেপ্তার ১০ নিজেদের সক্ষমতার সামান্যই ব্যবহার করেছে ইরান, নিচ্ছে পাল্টা হামলার প্রস্তুতি

বিসিবির পদ ফিরে পেলেন সেই নাজমুল ইসলাম

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:০৫:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১২০ বার পড়া হয়েছে

এবার বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অর্থ কমিটির প্রধানের দায়িত্ব থেকে সাময়িকভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল এম নাজমুল ইসলামকে। ১০ দিন না পেরোতে তিনি আবারও অর্থ বিভাগের দায়িত্বে ফিরেছেন। গতকাল বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের সভায় উপস্থিত ছিলেন এম নাজমুল ইসলাম। সেখানেই তাকে পুনরায় অর্থ বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়। বিসিবির এক পরিচালক বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে নাজমুল ইসলামকে ঘিরে বৈঠকের পর বিসিবি মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘এম নাজমুল ইসলাম তার কাছে যেসব জবাব চাওয়া হয়েছিল, অর্থাৎ বোর্ডের শোকজ নোটিসের যে জবাব, তা শৃঙ্খলা বিভাগে পাঠিয়েছেন। বিসিবির শৃঙ্খলা বিভাগ জানিয়েছে, তার জবাব সন্তোষজনক।’ এর আগে তামিম ইকবালকে নিয়ে মন্তব্যসহ বিভিন্ন বক্তব্যের কারণে সমালোচনার মুখে পড়েন এম নাজমুল ইসলাম। এক পর্যায়ে তিনি ক্রিকেটারদের টাকা ফেরত দেওয়ার কথাও বলেন। এসব ঘটনায় ক্রিকেট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন এই বিসিবি পরিচালকের পদত্যাগ দাবি করে।

পরিস্থিতি আরও জটিল হলে মোহাম্মদ মিঠুন, নাজমুল হোসেন শান্ত ও মেহেদী হাসান মিরাজসহ সব বাংলাদেশি ক্রিকেটার ১৫ জানুয়ারি বিপিএল বয়কট করেন। এর পরপরই বিসিবি এম নাজমুল ইসলামকে শোকজ নোটিস দেয়। তাকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়।

এদিকে নাজমুল ইসলাম নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর বিসিবিকে তার ব্যাখ্যা দেন। তবে বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বোর্ড সরাসরি কোনো পরিচালককে অপসারণ করতে পারে না। চার বছরের জন্য নির্বাচিত কোনো পরিচালকের পদ কেবল নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে শূন্য ঘোষণা করা যায়। এর মধ্যে রয়েছে মৃত্যু, মানসিক ভারসাম্য হারানো, শৃঙ্খলাজনিত শাস্তি, দেউলিয়া ঘোষণা হওয়া অথবা টানা তিনটি বোর্ড সভায় অনুপস্থিত থাকা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন করে মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-যুক্তরাজ্য, কলকাঠি নাড়ছে ওয়াশিংটন

বিসিবির পদ ফিরে পেলেন সেই নাজমুল ইসলাম

আপডেট সময় ০২:০৫:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

এবার বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অর্থ কমিটির প্রধানের দায়িত্ব থেকে সাময়িকভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল এম নাজমুল ইসলামকে। ১০ দিন না পেরোতে তিনি আবারও অর্থ বিভাগের দায়িত্বে ফিরেছেন। গতকাল বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের সভায় উপস্থিত ছিলেন এম নাজমুল ইসলাম। সেখানেই তাকে পুনরায় অর্থ বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়। বিসিবির এক পরিচালক বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে নাজমুল ইসলামকে ঘিরে বৈঠকের পর বিসিবি মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘এম নাজমুল ইসলাম তার কাছে যেসব জবাব চাওয়া হয়েছিল, অর্থাৎ বোর্ডের শোকজ নোটিসের যে জবাব, তা শৃঙ্খলা বিভাগে পাঠিয়েছেন। বিসিবির শৃঙ্খলা বিভাগ জানিয়েছে, তার জবাব সন্তোষজনক।’ এর আগে তামিম ইকবালকে নিয়ে মন্তব্যসহ বিভিন্ন বক্তব্যের কারণে সমালোচনার মুখে পড়েন এম নাজমুল ইসলাম। এক পর্যায়ে তিনি ক্রিকেটারদের টাকা ফেরত দেওয়ার কথাও বলেন। এসব ঘটনায় ক্রিকেট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন এই বিসিবি পরিচালকের পদত্যাগ দাবি করে।

পরিস্থিতি আরও জটিল হলে মোহাম্মদ মিঠুন, নাজমুল হোসেন শান্ত ও মেহেদী হাসান মিরাজসহ সব বাংলাদেশি ক্রিকেটার ১৫ জানুয়ারি বিপিএল বয়কট করেন। এর পরপরই বিসিবি এম নাজমুল ইসলামকে শোকজ নোটিস দেয়। তাকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়।

এদিকে নাজমুল ইসলাম নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর বিসিবিকে তার ব্যাখ্যা দেন। তবে বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বোর্ড সরাসরি কোনো পরিচালককে অপসারণ করতে পারে না। চার বছরের জন্য নির্বাচিত কোনো পরিচালকের পদ কেবল নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে শূন্য ঘোষণা করা যায়। এর মধ্যে রয়েছে মৃত্যু, মানসিক ভারসাম্য হারানো, শৃঙ্খলাজনিত শাস্তি, দেউলিয়া ঘোষণা হওয়া অথবা টানা তিনটি বোর্ড সভায় অনুপস্থিত থাকা।