ঢাকা , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আর্জেন্টিনার জার্সি পরে এলে ফি অর্ধেক নেওয়ার ঘোষণা দিলেন চিকিৎসক তিন দিনের সফরে ঢাকায় তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সরকার পতনের পর আ. লীগ নেতাদের সঙ্গে কয়েক ধাপে মিটিং হান্নান মাসউদের সিআইডি প্রধানের দায়িত্ব পাওয়ার তিন দিনের মাথায় অবসরের আবেদন কারাগারে গান-কবিতার আড্ডা, আইভীর কবিতায় সুর দেন মমতাজ আম কুড়াতে গিয়ে বজ্রাঘাতে নিহত ৬, শোকের ছায়া চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘জনগণ ভাবছে সরকার ভোট নয়, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে নির্বাচিত’ যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর, হামলা অব্যাহত ইসরায়েলের ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের মশাল মিছিল নিখোঁজের ৬ দিন পর এভারেস্টে জীবিত উদ্ধার নেপালি শেরপা

‘বাউলিয়ানার নামে ভণ্ডামী ছাড়ুন’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:০১:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৭০ বার পড়া হয়েছে

এবার ইসলাম ধর্ম ও আল্লাহকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মামলায় কারাবন্দি বাউল শিল্পী আবুল সরকারের মতো বাউলদের ‘ভণ্ডামী’ ছেড়ে লালন শাহ, শাহ আবদুল করিমদের পথ অনুসরণ করেতে বলেছেন সিনিয়র সাংবাদিক মানিক মুনতাসির। পাশাপাশি আবুল সরকারের অপরাধের জন্য আদালতের মাধ্যমে যথাযথ বিচার দাবিও করেছেন তিনি। গতকাল সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে ‘বাউলিয়ানার নামে ভণ্ডামী ছাড়ুন’ শিরোনামে তিনি একটি দীর্ঘ পোস্ট দেন।

এতে মানিক মুনতাসির লেখেন, ‘বাংলাদেশ তথা ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় সাধক বাউল সম্রাট লালন শাহ কিংবা বাউল শাহ আবদুল করিম, বর্তমান সময়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাধক চিশতি বাউল, ফকির শাহাবুদ্দিন- এদের মধ্যে কেউ কি কখনো সৃষ্টিকর্তাকে কটাক্ষ করে কোনো মন্তব্য করেছেন। শুধু ইসলাম নয়, পৃথিবীর কোনো ধর্ম নিয়েও কি তারা কখনো মনগড়া কোনো বক্তব্য রেখেছেন বা অলীক কোনো গান রচনা করেছেন? নিশ্চই করেন নাই। তাহলে কোথাকার কোন সাধক আবুল সরকাররা যদি এতটাই জ্ঞানী হয়ে থাকেন তবে একখান বেদ, কিংবা বাইবেল রচনা করে দেখাক না। সেটারও দরকার নাই। তারা দুখানা গান লিখুক লালন কিংনা শাহ আবদুল করিমের মতো। যৌন সুরসুরি আর ধর্মকে কটাক্ষ করে উম্মাদনা তৈরি ছাড়া আর কি এমন যোগ্যতা আছে এই আবুলদের।’

তিনি লেখেন, ‘গতকাল আমি আবুল সরকার ও তার অনুসারীদের পক্ষে বলেছিলাম কারণ তারা ছিল আক্রান্ত। যেহেতু তিনি ধৃত। তিনি অপরাধ করলে বিচার হবে। বিচারাধীন কোনো বিষয়ে আদালত ব্যতিরেকে হস্তক্ষেপ করা ঠিক না। তবে আবুল সরকার কোরআন-হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে যেসব ব্যাখ্যা দিয়েছেন সেগুলো আসলে অপব্যাখ্যা। কারণ কোনো বিষয়ে অল্প-স্বল্প জেনে পাবলিক প্লেসে এসে বক্তব্য দেওয়া কিংবা তা নিয়ে গান বাঁধা চরম বোকামী এবং ভণ্ডামী।’ ‘সবশেষে বলি- আপনি সাধক/বাউল হতে চাইলে সবার আগে লালন শাহের জীবনী পড়ুন। শাহ আবদুল করিমকে জানুন। তাদেরকে অনুসরণ করুন।’

তিনি আরও লেখেন, ‘বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী লালন শাহ একজন বাঙালি । যিনি ফকির লালন, লালন সাঁই, লালন শাহ, মহাত্মা লালন ইত্যাদি নামেও পরচিতি। তিনি একাধারে একজন আধ্যাত্বিক ফকির, সাধক, মানবতাবাদী, সমাজ সংস্কারক এবং দার্শনিক ছিলেন। তারা সমাজ সংস্কার করেছেন। আপনি এসেছেন প্যাচ লাগাতে। গিট্টু লাগাতে। কাউকে বা কোনো দলকে রাজনৈতিক দলকে ফায়দা লুটতে বা লুটাতে গিয়ে নিজেই পড়ে গেছেন গ্যারাকলে। এসব ভন্ডামী বাদ দিয়ে সাধক হতে চাইলে এটলিস্ট গৌতম বুদ্ধকেও অনুসরন করতে পারেন।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আর্জেন্টিনার জার্সি পরে এলে ফি অর্ধেক নেওয়ার ঘোষণা দিলেন চিকিৎসক

‘বাউলিয়ানার নামে ভণ্ডামী ছাড়ুন’

আপডেট সময় ১১:০১:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

এবার ইসলাম ধর্ম ও আল্লাহকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মামলায় কারাবন্দি বাউল শিল্পী আবুল সরকারের মতো বাউলদের ‘ভণ্ডামী’ ছেড়ে লালন শাহ, শাহ আবদুল করিমদের পথ অনুসরণ করেতে বলেছেন সিনিয়র সাংবাদিক মানিক মুনতাসির। পাশাপাশি আবুল সরকারের অপরাধের জন্য আদালতের মাধ্যমে যথাযথ বিচার দাবিও করেছেন তিনি। গতকাল সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে ‘বাউলিয়ানার নামে ভণ্ডামী ছাড়ুন’ শিরোনামে তিনি একটি দীর্ঘ পোস্ট দেন।

এতে মানিক মুনতাসির লেখেন, ‘বাংলাদেশ তথা ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় সাধক বাউল সম্রাট লালন শাহ কিংবা বাউল শাহ আবদুল করিম, বর্তমান সময়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাধক চিশতি বাউল, ফকির শাহাবুদ্দিন- এদের মধ্যে কেউ কি কখনো সৃষ্টিকর্তাকে কটাক্ষ করে কোনো মন্তব্য করেছেন। শুধু ইসলাম নয়, পৃথিবীর কোনো ধর্ম নিয়েও কি তারা কখনো মনগড়া কোনো বক্তব্য রেখেছেন বা অলীক কোনো গান রচনা করেছেন? নিশ্চই করেন নাই। তাহলে কোথাকার কোন সাধক আবুল সরকাররা যদি এতটাই জ্ঞানী হয়ে থাকেন তবে একখান বেদ, কিংবা বাইবেল রচনা করে দেখাক না। সেটারও দরকার নাই। তারা দুখানা গান লিখুক লালন কিংনা শাহ আবদুল করিমের মতো। যৌন সুরসুরি আর ধর্মকে কটাক্ষ করে উম্মাদনা তৈরি ছাড়া আর কি এমন যোগ্যতা আছে এই আবুলদের।’

তিনি লেখেন, ‘গতকাল আমি আবুল সরকার ও তার অনুসারীদের পক্ষে বলেছিলাম কারণ তারা ছিল আক্রান্ত। যেহেতু তিনি ধৃত। তিনি অপরাধ করলে বিচার হবে। বিচারাধীন কোনো বিষয়ে আদালত ব্যতিরেকে হস্তক্ষেপ করা ঠিক না। তবে আবুল সরকার কোরআন-হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে যেসব ব্যাখ্যা দিয়েছেন সেগুলো আসলে অপব্যাখ্যা। কারণ কোনো বিষয়ে অল্প-স্বল্প জেনে পাবলিক প্লেসে এসে বক্তব্য দেওয়া কিংবা তা নিয়ে গান বাঁধা চরম বোকামী এবং ভণ্ডামী।’ ‘সবশেষে বলি- আপনি সাধক/বাউল হতে চাইলে সবার আগে লালন শাহের জীবনী পড়ুন। শাহ আবদুল করিমকে জানুন। তাদেরকে অনুসরণ করুন।’

তিনি আরও লেখেন, ‘বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী লালন শাহ একজন বাঙালি । যিনি ফকির লালন, লালন সাঁই, লালন শাহ, মহাত্মা লালন ইত্যাদি নামেও পরচিতি। তিনি একাধারে একজন আধ্যাত্বিক ফকির, সাধক, মানবতাবাদী, সমাজ সংস্কারক এবং দার্শনিক ছিলেন। তারা সমাজ সংস্কার করেছেন। আপনি এসেছেন প্যাচ লাগাতে। গিট্টু লাগাতে। কাউকে বা কোনো দলকে রাজনৈতিক দলকে ফায়দা লুটতে বা লুটাতে গিয়ে নিজেই পড়ে গেছেন গ্যারাকলে। এসব ভন্ডামী বাদ দিয়ে সাধক হতে চাইলে এটলিস্ট গৌতম বুদ্ধকেও অনুসরন করতে পারেন।’