ঢাকা , শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দিনের শুরুতে যে দোয়া পড়তেন নবিজি (সা.) ফিফা শান্তি পুরস্কার পাচ্ছেন ট্রাম্প যে আমলে দারিদ্র্য দূর হয় রাজনীতিতে ইসলাম মানে শুধু নাম নয়, কাজের মধ্যেও থাকতে হবে” বিএনপির এ্যানি নির্বাচনে অংশ নিতে পুরোপুরি প্রস্তুত বিএনপি: বড় বিপর্যয় না হলে অংশগ্রহণের ঘোষণা রিজভীর বাংলাদেশে পাথর মেরে মানুষ হত্যার রাজনীতি আর চলবে না: জাহিদুল ইসলাম ‘এনসিপি নেতা আব্দুল হান্নান মাসউদ ও ছাত্রশক্তির শ্যামলী সুলতানা জেদনীর শুভ বিবাহ সম্পন্ন’ বিএনপির ২৭২ মনোনয়ন নিয়ে ক্ষোভ,১২ দলীয় জোটের জরুরি সংবাদ সম্মেলন সোমবার “কুরআনের বাংলাদেশ গড়তেই আমাদের লড়াই,চট্টগ্রামে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান” নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অর্ধশত নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান

‘বাউলিয়ানার নামে ভণ্ডামী ছাড়ুন’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:০১:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৯৩ বার পড়া হয়েছে

এবার ইসলাম ধর্ম ও আল্লাহকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মামলায় কারাবন্দি বাউল শিল্পী আবুল সরকারের মতো বাউলদের ‘ভণ্ডামী’ ছেড়ে লালন শাহ, শাহ আবদুল করিমদের পথ অনুসরণ করেতে বলেছেন সিনিয়র সাংবাদিক মানিক মুনতাসির। পাশাপাশি আবুল সরকারের অপরাধের জন্য আদালতের মাধ্যমে যথাযথ বিচার দাবিও করেছেন তিনি। গতকাল সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে ‘বাউলিয়ানার নামে ভণ্ডামী ছাড়ুন’ শিরোনামে তিনি একটি দীর্ঘ পোস্ট দেন।

এতে মানিক মুনতাসির লেখেন, ‘বাংলাদেশ তথা ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় সাধক বাউল সম্রাট লালন শাহ কিংবা বাউল শাহ আবদুল করিম, বর্তমান সময়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাধক চিশতি বাউল, ফকির শাহাবুদ্দিন- এদের মধ্যে কেউ কি কখনো সৃষ্টিকর্তাকে কটাক্ষ করে কোনো মন্তব্য করেছেন। শুধু ইসলাম নয়, পৃথিবীর কোনো ধর্ম নিয়েও কি তারা কখনো মনগড়া কোনো বক্তব্য রেখেছেন বা অলীক কোনো গান রচনা করেছেন? নিশ্চই করেন নাই। তাহলে কোথাকার কোন সাধক আবুল সরকাররা যদি এতটাই জ্ঞানী হয়ে থাকেন তবে একখান বেদ, কিংবা বাইবেল রচনা করে দেখাক না। সেটারও দরকার নাই। তারা দুখানা গান লিখুক লালন কিংনা শাহ আবদুল করিমের মতো। যৌন সুরসুরি আর ধর্মকে কটাক্ষ করে উম্মাদনা তৈরি ছাড়া আর কি এমন যোগ্যতা আছে এই আবুলদের।’

তিনি লেখেন, ‘গতকাল আমি আবুল সরকার ও তার অনুসারীদের পক্ষে বলেছিলাম কারণ তারা ছিল আক্রান্ত। যেহেতু তিনি ধৃত। তিনি অপরাধ করলে বিচার হবে। বিচারাধীন কোনো বিষয়ে আদালত ব্যতিরেকে হস্তক্ষেপ করা ঠিক না। তবে আবুল সরকার কোরআন-হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে যেসব ব্যাখ্যা দিয়েছেন সেগুলো আসলে অপব্যাখ্যা। কারণ কোনো বিষয়ে অল্প-স্বল্প জেনে পাবলিক প্লেসে এসে বক্তব্য দেওয়া কিংবা তা নিয়ে গান বাঁধা চরম বোকামী এবং ভণ্ডামী।’ ‘সবশেষে বলি- আপনি সাধক/বাউল হতে চাইলে সবার আগে লালন শাহের জীবনী পড়ুন। শাহ আবদুল করিমকে জানুন। তাদেরকে অনুসরণ করুন।’

তিনি আরও লেখেন, ‘বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী লালন শাহ একজন বাঙালি । যিনি ফকির লালন, লালন সাঁই, লালন শাহ, মহাত্মা লালন ইত্যাদি নামেও পরচিতি। তিনি একাধারে একজন আধ্যাত্বিক ফকির, সাধক, মানবতাবাদী, সমাজ সংস্কারক এবং দার্শনিক ছিলেন। তারা সমাজ সংস্কার করেছেন। আপনি এসেছেন প্যাচ লাগাতে। গিট্টু লাগাতে। কাউকে বা কোনো দলকে রাজনৈতিক দলকে ফায়দা লুটতে বা লুটাতে গিয়ে নিজেই পড়ে গেছেন গ্যারাকলে। এসব ভন্ডামী বাদ দিয়ে সাধক হতে চাইলে এটলিস্ট গৌতম বুদ্ধকেও অনুসরন করতে পারেন।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দিনের শুরুতে যে দোয়া পড়তেন নবিজি (সা.)

‘বাউলিয়ানার নামে ভণ্ডামী ছাড়ুন’

আপডেট সময় ১১:০১:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

এবার ইসলাম ধর্ম ও আল্লাহকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মামলায় কারাবন্দি বাউল শিল্পী আবুল সরকারের মতো বাউলদের ‘ভণ্ডামী’ ছেড়ে লালন শাহ, শাহ আবদুল করিমদের পথ অনুসরণ করেতে বলেছেন সিনিয়র সাংবাদিক মানিক মুনতাসির। পাশাপাশি আবুল সরকারের অপরাধের জন্য আদালতের মাধ্যমে যথাযথ বিচার দাবিও করেছেন তিনি। গতকাল সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে ‘বাউলিয়ানার নামে ভণ্ডামী ছাড়ুন’ শিরোনামে তিনি একটি দীর্ঘ পোস্ট দেন।

এতে মানিক মুনতাসির লেখেন, ‘বাংলাদেশ তথা ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় সাধক বাউল সম্রাট লালন শাহ কিংবা বাউল শাহ আবদুল করিম, বর্তমান সময়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাধক চিশতি বাউল, ফকির শাহাবুদ্দিন- এদের মধ্যে কেউ কি কখনো সৃষ্টিকর্তাকে কটাক্ষ করে কোনো মন্তব্য করেছেন। শুধু ইসলাম নয়, পৃথিবীর কোনো ধর্ম নিয়েও কি তারা কখনো মনগড়া কোনো বক্তব্য রেখেছেন বা অলীক কোনো গান রচনা করেছেন? নিশ্চই করেন নাই। তাহলে কোথাকার কোন সাধক আবুল সরকাররা যদি এতটাই জ্ঞানী হয়ে থাকেন তবে একখান বেদ, কিংবা বাইবেল রচনা করে দেখাক না। সেটারও দরকার নাই। তারা দুখানা গান লিখুক লালন কিংনা শাহ আবদুল করিমের মতো। যৌন সুরসুরি আর ধর্মকে কটাক্ষ করে উম্মাদনা তৈরি ছাড়া আর কি এমন যোগ্যতা আছে এই আবুলদের।’

তিনি লেখেন, ‘গতকাল আমি আবুল সরকার ও তার অনুসারীদের পক্ষে বলেছিলাম কারণ তারা ছিল আক্রান্ত। যেহেতু তিনি ধৃত। তিনি অপরাধ করলে বিচার হবে। বিচারাধীন কোনো বিষয়ে আদালত ব্যতিরেকে হস্তক্ষেপ করা ঠিক না। তবে আবুল সরকার কোরআন-হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে যেসব ব্যাখ্যা দিয়েছেন সেগুলো আসলে অপব্যাখ্যা। কারণ কোনো বিষয়ে অল্প-স্বল্প জেনে পাবলিক প্লেসে এসে বক্তব্য দেওয়া কিংবা তা নিয়ে গান বাঁধা চরম বোকামী এবং ভণ্ডামী।’ ‘সবশেষে বলি- আপনি সাধক/বাউল হতে চাইলে সবার আগে লালন শাহের জীবনী পড়ুন। শাহ আবদুল করিমকে জানুন। তাদেরকে অনুসরণ করুন।’

তিনি আরও লেখেন, ‘বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী লালন শাহ একজন বাঙালি । যিনি ফকির লালন, লালন সাঁই, লালন শাহ, মহাত্মা লালন ইত্যাদি নামেও পরচিতি। তিনি একাধারে একজন আধ্যাত্বিক ফকির, সাধক, মানবতাবাদী, সমাজ সংস্কারক এবং দার্শনিক ছিলেন। তারা সমাজ সংস্কার করেছেন। আপনি এসেছেন প্যাচ লাগাতে। গিট্টু লাগাতে। কাউকে বা কোনো দলকে রাজনৈতিক দলকে ফায়দা লুটতে বা লুটাতে গিয়ে নিজেই পড়ে গেছেন গ্যারাকলে। এসব ভন্ডামী বাদ দিয়ে সাধক হতে চাইলে এটলিস্ট গৌতম বুদ্ধকেও অনুসরন করতে পারেন।’