ঢাকা , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জকসুর ক্রীড়া সম্পাদককে চড়, ফেসবুকে ফের শাসালেন ছাত্রদল নেত্রী আর ভদ্রতা নয়, অস্ত্র হাতে ছবি দিয়ে ইরানকে ট্রাম্পের হুমকি নোবিপ্রবিতে ছাত্রদলের ৫ নেতাকে শোকজ প্যারোলে মুক্তি মেলেনি, জেলগেটে নেওয়া হলো ছাত্রলীগ নেতার বাবার লাশ নিজ হাতে জিপ গাড়ি বানিয়ে তাক লাগালেন রূপগঞ্জের সোহেল মিয়া পদ্মায় মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু তেল পাচারের অভিযোগে দুইজন আটক ৪০ ঘণ্টা হৃদস্পন্দন বন্ধ থাকার পরও বেঁচে ফিরলেন রোগী অসুস্থ মায়ের জন্য দোয়া চেয়ে দানবাক্সে চিঠি, সঙ্গে নগদ টাকা ও একজোড়া স্বর্ণের দুল সংরক্ষিত নারী আসনে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৪৯ প্রার্থী নির্বাচিত, গেজেট কাল

ডাকসুকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য, দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চাইলেন জামায়াত নেতা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৩৫:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১২৩ বার পড়া হয়েছে

এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়েছেন বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শামীম আহসান। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ দুঃখ প্রকাশ করেন। এর আগে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া ইউনিয়নের কাটাখালী এলাকায় অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় ডাকসু নিয়ে আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার করেন তিনি।

ওই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। নির্বাচনী জনসভায় মো. শামীম আহসান বলেন, ‘আমরা দেখছি, ডাকসু নির্বাচনের পরে, যে ডাকসু মাদকের আড্ডা ছিল, যে ডাকসু বেশ্যাখানা ছিল, সেটা ইসলামী ছাত্রশিবির পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছে। তাই এই বাংলাদেশ থেকে সব প্রকার অন্যায়, সব প্রকার চাঁদাবাজ, সব প্রকার দুর্নীতি উৎখাত করতে জামায়াতে ইসলামী সক্ষম।’

এই বক্তব্যের পর সমালোচনার মুখে ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন তিনি। শামীম আহসান বলেন, ‘২০২৪ সালের আগে ডাকসু নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের দখলে ছিল। সেসময় ছাত্রলীগের পলাতক সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী ও পলাতক সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ২০১৯ সালের ডাকসুকে কুক্ষিগত করেন।’ ডাকসুর এই পরিচয় ব্যবহার করে তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে মাদক, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির আখড়ায় পরিণত করেছিল বলে দাবি করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও রমনা পার্ককে কেন্দ্র করে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দেওয়া হতো, যা বিভিন্ন সময়ে পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।’ এসব বিষয় কারো অজানা নয় বলেও মন্তব্য করেন শামীম আহসান।

জামায়াতের এ নেতা বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের পর ২০২৪ সালের ডাকসু নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের প্রত্যক্ষ ভোটে ও সর্বোচ্চ সমর্থন পেয়ে ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্যানেল নির্বাচিত হয়। এরপর থেকে ডাকসু চাঁদাবাজি, মাদক কারবার, সিট বাণিজ্য ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছে। আমি আমার বক্তব্যে মূলত নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের অপকর্মগুলোর কথাই বোঝাতে চেয়েছি। তারা ডাকসুতে যে কালিমা লেপন করেছিল, ছাত্রশিবির তা মুছে দিতে সক্ষম হয়েছে, এই বিষয়টি তুলে ধরাই আমার উদ্দেশ্য ছিল। এই বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কষ্ট পেয়ে থাকলে আমি তাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থী।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জকসুর ক্রীড়া সম্পাদককে চড়, ফেসবুকে ফের শাসালেন ছাত্রদল নেত্রী

ডাকসুকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য, দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চাইলেন জামায়াত নেতা

আপডেট সময় ১২:৩৫:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়েছেন বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শামীম আহসান। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ দুঃখ প্রকাশ করেন। এর আগে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া ইউনিয়নের কাটাখালী এলাকায় অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় ডাকসু নিয়ে আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার করেন তিনি।

ওই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। নির্বাচনী জনসভায় মো. শামীম আহসান বলেন, ‘আমরা দেখছি, ডাকসু নির্বাচনের পরে, যে ডাকসু মাদকের আড্ডা ছিল, যে ডাকসু বেশ্যাখানা ছিল, সেটা ইসলামী ছাত্রশিবির পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছে। তাই এই বাংলাদেশ থেকে সব প্রকার অন্যায়, সব প্রকার চাঁদাবাজ, সব প্রকার দুর্নীতি উৎখাত করতে জামায়াতে ইসলামী সক্ষম।’

এই বক্তব্যের পর সমালোচনার মুখে ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন তিনি। শামীম আহসান বলেন, ‘২০২৪ সালের আগে ডাকসু নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের দখলে ছিল। সেসময় ছাত্রলীগের পলাতক সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী ও পলাতক সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ২০১৯ সালের ডাকসুকে কুক্ষিগত করেন।’ ডাকসুর এই পরিচয় ব্যবহার করে তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে মাদক, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির আখড়ায় পরিণত করেছিল বলে দাবি করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও রমনা পার্ককে কেন্দ্র করে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দেওয়া হতো, যা বিভিন্ন সময়ে পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।’ এসব বিষয় কারো অজানা নয় বলেও মন্তব্য করেন শামীম আহসান।

জামায়াতের এ নেতা বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের পর ২০২৪ সালের ডাকসু নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের প্রত্যক্ষ ভোটে ও সর্বোচ্চ সমর্থন পেয়ে ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্যানেল নির্বাচিত হয়। এরপর থেকে ডাকসু চাঁদাবাজি, মাদক কারবার, সিট বাণিজ্য ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছে। আমি আমার বক্তব্যে মূলত নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের অপকর্মগুলোর কথাই বোঝাতে চেয়েছি। তারা ডাকসুতে যে কালিমা লেপন করেছিল, ছাত্রশিবির তা মুছে দিতে সক্ষম হয়েছে, এই বিষয়টি তুলে ধরাই আমার উদ্দেশ্য ছিল। এই বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কষ্ট পেয়ে থাকলে আমি তাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থী।