এশিয়া কাপের ফাইনালের দোরগোড়ায় গিয়েও ব্যাটারদের ব্যর্থতায় ছিটকে গেল বাংলাদেশ।
বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুবাইতে অঘোষিত সেমিফাইনালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৩৬ রানের সহজ লক্ষ্যও তাড়া করতে পারেনি লাল-সবুজরা। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২৪ রানে থেমে যায় তাদের ইনিংস। ফলে ১১ রানের জয় নিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে সালমান আলীর নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান।
ম্যাচের শুরুতেই ব্যাটিং ধস নামে বাংলাদেশের। ইনিংসের প্রথম ওভারের শেষ বলেই শূন্য রানে ফেরেন পারভেজ হোসেন ইমন। এরপর দ্রুত বিদায় নেন তাওহীদ হৃদয় ও সাইফ হাসান। টপ অর্ডারের ব্যর্থতার পর মধ্যক্রমও আশার আলো দেখাতে পারেনি। মেহেদী হাসান, নুরুল হাসান সোহান ও অধিনায়ক জাকের আলীর ব্যর্থতায় চাপে পড়ে দল। সপ্তম উইকেটে শামীম হোসেন ও তানজিম সাকিব কিছুটা লড়াই করলেও ম্যাচে ফেরানো সম্ভব হয়নি। শামীম করেন সর্বোচ্চ ৩০ রান। পাকিস্তানের হয়ে শাহিন আফ্রিদি ও হারিস রউফ নেন তিনটি করে উইকেট।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৫ রান তুলেছিল পাকিস্তান। শুরুতে তাসকিন আহমেদ ও রিশাদ হোসেনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ৪৯ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল তারা। কিন্তু পরে জীবন পেয়ে কাজে লাগান শাহিন আফ্রিদি ও মোহাম্মদ নাওয়াজ। আফ্রিদি ছোট ইনিংসে দুটি ছক্কা হাঁকান, নাওয়াজ খেলেন ২৫ রানের বিধ্বংসী ইনিংস। মোহাম্মদ হারিসও যোগ করেন ৩১ রান।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে তাসকিন ৩ উইকেট, রিশাদ ও মেহেদী ২টি করে উইকেট নেন। তবে ব্যাটারদের ব্যর্থতাতেই শেষ পর্যন্ত হতাশায় ডুবে বিদায় নিতে হয় লাল-সবুজদের। এশিয়া কাপের ফাইনালের স্বপ্ন পূরণ হয় পাকিস্তানের, আর হাতছাড়া হয় বাংলাদেশের ছয় বছর পরের সুবর্ণ সুযোগ।

