ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত আসন ঘোষণা ১১ দলীয় জোটে আসন সমঝোতা চূড়ান্ত, সর্বোচ্চ ১৯০ আসন জামায়াতে ইসলামী ভোলায় বালিশ চাপায় স্ত্রীকে হত্যা, পাষণ্ড স্বামী আটক ফ্যামিলি ও কৃষি কার্ড বিতরণ বন্ধের দাবি জামায়াতের, সিইসির সঙ্গে বৈঠকে প্রটোকল সমতার আহ্বান জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি ও তথ্য বিক্রি করে মাসে কোটি টাকার বেশি আয়; নির্বাচন কমিশনের দুই কর্মচারী গ্রেফতার বাউফলে ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ বাউফলে জামায়াতের নেতা–কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন শেষ মুহূর্তে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন রাশেদ প্রধান ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ নামে নির্বাচনে অংশ নেবে ১১ দল বিসিবির টাকা এসেছে ক্রিকেটারদের শ্রমে ঘামে: মেহেদী মিরাজ

ওয়ানএমডিবি কেলেঙ্কারি: ক্ষমতার অপব্যবহারের চার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত নাজিব রাজাক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৫২:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৭০ বার পড়া হয়েছে

অর্থ কেলেঙ্কারির চূড়ান্ত মামলায় বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন মালয়েশিয়ার কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক। স্থানীয় সময় শুক্রবার রাজধানী পুত্রজায়ার প্যালেস অব জাস্টিসে প্রায় সাত বছর ধরে চলা শুনানি শেষে আদালত তাকে ক্ষমতার অপব্যবহারের চারটি প্রধান অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেছেন। মালয় নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।

রায়ে বিচারক কলিন লরেন্স সেকুয়েরাহ বলেন, নাজিব রাজাক রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ তহবিল ওয়ানএমডিবি (১এমডিবি) থেকে প্রায় ২৩০ কোটি রিঙ্গিত, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫৬৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ, আত্মসাৎ করতে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। বিচারক জানান, প্রমাণে স্পষ্ট হয়েছে যে, এই অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে নাজিব সরাসরি জড়িত ছিলেন।

বর্তমানে এই মামলায় নাজিবের বিরুদ্ধে আনা বাকি ২১টি মানি লন্ডারিং অভিযোগের রায়ের অপেক্ষা রয়েছে। বিচার চলাকালে নাজিবের আইনজীবীরা দাবি করে আসছিলেন, সংশ্লিষ্ট অর্থ সৌদি আরব থেকে আসা বৈধ রাজনৈতিক অনুদান এবং পলাতক অর্থদাতা ঝো লো তাকে প্রতারিত করেছেন। তবে আদালত এ যুক্তি নাকচ করে দেন।

বিচারক সেকুয়েরাহ রায়ে বলেন, তথ্য-প্রমাণে প্রতীয়মান হয়েছে যে ঝো লো নাজিব রাজাকের একজন প্রক্সি বা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি আরও বলেন, নাজিবের মতো একজন উচ্চশিক্ষিত ও অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ নিজেকে পরিস্থিতির শিকার বা সাধারণ মানুষ হিসেবে উপস্থাপন করতে পারেন না।

৭২ বছর বয়সী নাজিব রাজাক বর্তমানে এসআরসি ইন্টারন্যাশনাল কেলেঙ্কারির মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে কাজাং কারাগারে ছয় বছরের সাজা ভোগ করছেন। আজকের রায়ের ফলে তার সাজা আরও দীর্ঘ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। প্রতিটি ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে তার সর্বোচ্চ ১৫ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং আত্মসাৎকৃত অর্থের পাঁচগুণ পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত আসন ঘোষণা

ওয়ানএমডিবি কেলেঙ্কারি: ক্ষমতার অপব্যবহারের চার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত নাজিব রাজাক

আপডেট সময় ০৯:৫২:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

অর্থ কেলেঙ্কারির চূড়ান্ত মামলায় বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন মালয়েশিয়ার কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক। স্থানীয় সময় শুক্রবার রাজধানী পুত্রজায়ার প্যালেস অব জাস্টিসে প্রায় সাত বছর ধরে চলা শুনানি শেষে আদালত তাকে ক্ষমতার অপব্যবহারের চারটি প্রধান অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেছেন। মালয় নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।

রায়ে বিচারক কলিন লরেন্স সেকুয়েরাহ বলেন, নাজিব রাজাক রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ তহবিল ওয়ানএমডিবি (১এমডিবি) থেকে প্রায় ২৩০ কোটি রিঙ্গিত, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫৬৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ, আত্মসাৎ করতে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। বিচারক জানান, প্রমাণে স্পষ্ট হয়েছে যে, এই অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে নাজিব সরাসরি জড়িত ছিলেন।

বর্তমানে এই মামলায় নাজিবের বিরুদ্ধে আনা বাকি ২১টি মানি লন্ডারিং অভিযোগের রায়ের অপেক্ষা রয়েছে। বিচার চলাকালে নাজিবের আইনজীবীরা দাবি করে আসছিলেন, সংশ্লিষ্ট অর্থ সৌদি আরব থেকে আসা বৈধ রাজনৈতিক অনুদান এবং পলাতক অর্থদাতা ঝো লো তাকে প্রতারিত করেছেন। তবে আদালত এ যুক্তি নাকচ করে দেন।

বিচারক সেকুয়েরাহ রায়ে বলেন, তথ্য-প্রমাণে প্রতীয়মান হয়েছে যে ঝো লো নাজিব রাজাকের একজন প্রক্সি বা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি আরও বলেন, নাজিবের মতো একজন উচ্চশিক্ষিত ও অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ নিজেকে পরিস্থিতির শিকার বা সাধারণ মানুষ হিসেবে উপস্থাপন করতে পারেন না।

৭২ বছর বয়সী নাজিব রাজাক বর্তমানে এসআরসি ইন্টারন্যাশনাল কেলেঙ্কারির মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে কাজাং কারাগারে ছয় বছরের সাজা ভোগ করছেন। আজকের রায়ের ফলে তার সাজা আরও দীর্ঘ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। প্রতিটি ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে তার সর্বোচ্চ ১৫ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং আত্মসাৎকৃত অর্থের পাঁচগুণ পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে।